ঢাকা , ২০ ২০১৯ ,

ট্র্যাফিক ব্যাবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে রাজধানীতে ডিএমপির ১৩ কর্মসূচি

| ১৪ জানুয়ারী, ২০১৯ ৬:৩২ অপরাহ্ন | আপডেট : ১৪ জানুয়ারী, ২০১৯ ৬:৪৫ অপরাহ্ন
feature-top

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্র্যাফিক বিভাগ রাজধানীতে ট্র্যাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ট্র্যাফিক শৃঙ্খলা আনতে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ট্র্যাফিক শৃঙ্খলা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এসময় জনসাধারণকে ট্র্যাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা হবে।
সোমবার সকালে ডিএমপি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

ডিএমপি জানায়, ট্র্যাফিক শৃঙ্খলা সপ্তাহ ও ট্র্যাফিক সচেতনতা মাস পালনের মাধ্যমে ট্র্যাফিক আইনের কঠোর বাস্তবায়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে রাজধানী ঢাকার ট্র্যাফিক শৃঙ্খলার উন্নতি হচ্ছে। ট্র্যাফিক আইন না মানার সংস্কৃতি এবং ট্র্যাফিক আইন বাস্তবায়নে অপর্যাপ্ত ট্র্যাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সুবিধা ও বিভিন্ন সমস্যার কারণে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা রাতারাতি সমাধান সম্ভব না। তবে ট্র্যাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং জনসচেতনতার ফলে ঢাকা শহরে ট্র্যাফিক শৃঙ্খলার উন্নতি এখন চোখে পড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামীকাল থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আবার ট্র্যাফিক শৃঙ্খলা কার্যক্রম পরিচালনা করবে ডিএমপি।

ডিএমপির পক্ষ থেকে ঢাকা মহানগরীর জনসাধারণকে ট্র্যাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরণে এবং ট্র্যাফিক শৃঙ্খলার উন্নতিকল্পে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ট্র্যাফিক শৃঙ্খলা কার্যক্রম সফল করার জন্য নগরবাসীদেরকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।

ট্র্যাফিক শৃঙ্খলার উন্নয়নে যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে

১। ট্র্যাফিক সচেতনতামূলক লিফলেট, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, গাইড বই বিতরণ।

২। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার সম্মানিত সদস্যবৃন্দকে নিয়ে ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে ট্র্যাফিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠানের আয়োজন।

৩। রোভার স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, গার্ল গাইডস, বিএনসিসি সদস্যদের ট্র্যাফিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা।

৪। ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর ও দক্ষিণের সাথে সমন্বয় করে অবশিষ্ট জেব্রা ক্রসিং/রোড মার্কিংগুলো দৃশ্যমান/স্থাপনের ব্যবস্থা করা।

৫। মূল সড়কের পাশে অবস্থিত স্কুল-কলেজের ক্লাস শুরু, ছুটির সময়ে ওই এলাকায় ট্র্যাফিক পুলিশ ও স্কুল কলেজের ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা এবং এসব অঞ্চলে যথাযথ ট্র্যাফিক সাইন স্থাপন করা।

৬। হাইড্রলিক হর্ন, দ্রুতগতির যানবাহন, বেপরোয়াগতি, হুটার, বিকন লাইট, উল্টো পথে চলাচল এবং মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট পরিধানসহ সকল প্রকার ট্র্যাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে পরিচালিত বিশেষ ট্র্যাফিক অভিযান এবং মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।

৭। ঢাকা মহানগরী এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ২৯টি পয়েন্টে চেকপোস্ট কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।

৮। ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি ফুটওভারব্রিজ ব্যবহারে পথচারীদের উদ্বুদ্ধকরণে পুলিশ সদস্য মোতায়েন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।

৯। গাড়ি চালানোর সময় স্টপেজ ব্যতীত সকল সময় গাড়ির দরজা বন্ধ রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ।

১০। জেব্রা ক্রসিংয়ের আগে স্টপ (Stop) লাইন বরাবর গাড়ি থামানো এবং স্টপেজ ছাড়া যত্রতত্র গাড়ি থামানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। বামলেন ঘেঁষে নির্ধারিত স্টপেজে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা নিশ্চিত করা।

১১। ভিডিও মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি করা।

১২। ইতোপূর্বে মডেল করিডোর হিসেবে ঘোষিত বিমানবন্দর হতে শহীদ জাহাঙ্গীর গেইট, ফার্মগেট, সোনারগাঁও, শাহবাগ, মৎস্য ভবন, কদম ফোয়ারা, পুরান হাইকোর্ট হয়ে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ভিআইপি সড়কের ইন্টারসেকশনে রিমোর্ট কন্ট্রোল সরবরাহ নিশ্চিত করে অটোমেটিক ও রিমোর্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সিগন্যাল পরিচালনা করা।

১৩। ফার্মগেট হতে সাতরাস্তা পর্যন্ত রাস্তাটিকে গাড়ি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা।

আরও খবর »