ঢাকা , ০৯ ২০১৯ ,

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নিয়মে গ্রিন কার্ড দেবে ট্রাম্প প্রশাসন

বায়ান্ন অনলাইন রিপোর্ট | ১৩ Augu, ২০১৯ ৪:১৮ অপরাহ্ন | আপডেট : ১৩ Augu, ২০১৯ ৪:১৮ অপরাহ্ন
feature-top

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব পাওয়ার নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এতে যেসব বৈধ অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রের বসবাস করতে চাচ্ছেন, কিন্তু অর্থনৈতিক উৎসের অভাব রয়েছে, তাদেরকে করদাতাদের বোঝা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে গরিব বৈধ অভিবাসীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো কিংবা গ্রিন কার্ড পাওয়া কঠিন করা হচ্ছে।

গ্রিন কার্ড যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য বৈধ অনুমোদন। গ্রিন কার্ড পাওয়ার পাঁচ বছর পরে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির দেখভালো করার দায়িত্বে থাকা স্টিফেন মিলার নতুন এই আইনের কথা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অভিবাসীদের অবশ্যই সামর্থ্যবান হতে হবে।

২০২০ সালের নির্বাচনী প্রচারকে সামনে রেখে ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন এই অভিবাসন আইন প্রণয়ন করলেন।

নতুন নিয়মে নিজেদের ভরণপোষণে সক্ষম এবং ভবিষ্যতে কোনোভাবেই সরকারের বোঝা হয়ে উঠবেন না এমন প্রমাণ দিতে পারলেই যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড অথবা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যাবে। যেসব অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের আইনি অনুমোদন পেয়েছে তারা এই নীতিমালার আওতাভুক্ত।

এই নিয়মে স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য বা গৃহায়ণের জন্য সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বহিরাগতদের গ্রিন কার্ড পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। গ্রিন কার্ড যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য বৈধ অনুমোদন। গ্রিন কার্ড পাওয়ার পাঁচ বছর পরে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা কেন কুচিনেলি বলেন, আমরা চাই এমন মানুষ এ দেশে স্থায়ী বসবাসের জন্য আসুন, যারা নিজেদের খরচ বহন করতে পারে। ১৫ অক্টোবরের মাঝামাঝি এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হবে।

বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এ দেশে অভিবাসীদের সংখ্যা কমানোর লক্ষ্যে ট্রাম্প প্রশাসন নানা রকম ফন্দিফিকির খুঁজছে, এই নতুন নীতিমালা তারই অংশ। এর ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আগত দরিদ্র বহিরাগতরা।

 

জেএইচ

আরও খবর »