ঢাকা , ১৮ ২০১৯ ,

সংঘবদ্ধ বলাৎকারের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় শিশু এমরানকে

বায়ান্ন অনলাইন ডেস্ক | ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১:৫১ অপরাহ্ন | আপডেট : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৩:২০ অপরাহ্ন
feature-top

নোয়াখালীর ছয়আনি বাজারে গত ২৫ আগস্ট নিহত শিশু এমরানকে চার জন মিলে সংঘবদ্ধ বলাৎকারের পর হত্যা করেছিল। আট বছরের শিশু এমরান হোসেনকে দুর্বৃত্ত বলাৎকারকারীরা গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর লাশটি মাছের ঝুড়িতে লুকিয়ে রেখে পালিয়ে যায় তারা। হত্যাকাণ্ডের এমন রোমহর্ষক তথ্য জানিয়েছে নোয়াখালী পুলিশ। 

আজ মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এমরান হত্যার এসব তথ্য জানিয়েছেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন।

গত ২৫ আগস্ট রাতে ছয়আনি বাজারে পরিত্যক্ত টিনের দোকান ঘরের ভেতর মাছের ঝুড়ি থেকে এমরানের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে এসপি বলেন, ক্লুলেস এ হত্যাকাণ্ডটির তদন্তে নেমে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। যার সূত্র ধরে মামলার অন্যতম আসামি ওয়াসিম আকরামকে ১ সেপ্টেম্বর ছয়ানী বাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার বাড়ি ছয়ানীর বড় মেহেদীপুরে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে এমরান হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শোয়েব উদ্দিন খানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

ওয়াসিম জানায়, ২২ আগস্ট রাত ৮টার দিকে সে-সহ চার জন এমরানকে শহীদের টিনের ঘরে নিয়ে বলাৎকার বা ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে শিশুটির মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়ে গেলে তার গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মৃতদেহটি প্লাস্টিকের মাছের ঝুড়িতে ভরে সেখানে লুকিয়ে রেখে তারা চলে আসে।

ওয়াসিম ছাড়া মামলার অন্য কোনো আসামি এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান পুলিশ সুপার। 

মুনিয়া/জা

feature-top
feature-top

আরও খবর »

feature-top