ঢাকা , ১৫ ২০১৯ ,

দিনে পরিবহন শ্রমিক, রাতে ছিনতাইকারী

বায়ান্ন অনলাইন রিপোর্ট | ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৬:০৭ অপরাহ্ন | আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৬:০৭ অপরাহ্ন
feature-top

দিনের বেলা গণপরিবহনের কাজ করলেও রাত গভীর হলেই হয়ে উঠেন ভয়ঙ্কর ছিনতাইকারী। তারা সকাল ৬টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত কাজ করে। এরপর রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হয়ে উঠেন ভয়ঙ্কর ছিনতাইকারী। র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য পাওয়া যায় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে।

সম্প্রতি গাজীপুরের টঙ্গীতে ছুরিকাঘাতে আরএফএল কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় তিনজনকে। তারা সবাই পেশায় পরিবহন শ্রমিক আর নেশায় ছিনতাইকারী।

গ্রেপ্তাকৃতরা হলেন- আব্দুল হক রনি ওরফে বাবু, পেশা বাস চালক ও সুজন ওরফে শাহজালাল, কন্ডাক্টর আর আউয়াল হাওলাদার অটোরিকশা চালক। দিনে তারা পরিবহন শ্রমিক হলেও রাতে হয়ে উঠেন ভয়ঙ্কর ছিনতাইকারী।।

র‌্যাব-১ অধিনায়ক লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, গ্রেপ্তাকৃতরা প্রত্যেকে পেশাদার ছিনতাইকারী। তারা সাধারণত রাত ১টা হতে ভোর ৫টার মধ্যে টঙ্গীর বিভিন্ন নির্জন এলাকায় ওঁৎ পেতে থাকে এবং সুযোগ বুঝে সাধারণ পথচারীদের আক্রমণ করে সবর্স্ব ছিনিয়ে নেয়।

সোমবার দুপুরে এ উপলক্ষে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর ভোরে সাড়ে ৪টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন কলেজ গেট এলাকায় কামরুল ইসলামকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।এ ঘটনায় তার ছোট ভাই আবুল কালাম মতিউর রহমান বাদী হয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর গোয়েন্দা তথ্য ও তদন্তের ভিত্তিতে মূলহোতা বাবু, সহযোগী সুজন ও আউয়ালকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার চাকু, হত্যার সময় ব্যবহৃত অটোরিকশা এবং ভিকটিমের মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয়।

জেএইচ

feature-top
feature-top

আরও খবর »

feature-top