ঢাকা , ১৫ ২০১৯ ,

চট্টগ্রামে নবনির্মিত সুইমিংপুল উদ্বোধন

সরোয়ার আমিন বাবু, চট্টগ্রাম করেসপন্ডেন্ট | ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৪:২১ অপরাহ্ন | আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৪:২১ অপরাহ্ন
feature-top

 

চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে নগরীর কাজিরদেউড়ি আউটার স্টেডিয়াম এলাকায় নবনির্মিত সুইমিংপুল উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এটি উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, শহরের ছেলে মেয়েদের সুইমিং শেখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। তাই তাদের সুযোগ করে দিতে এই সুইমিংপুল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু সুইমিংপুল করলে হবে না। সুইমিংপুল কিভাবে সুষ্ঠভাবে ব্যবহার করতে হবে তার জন্যও সকল প্রকার ব্যবস্থা রাখতে হবে। বর্তমান সরকারের ক্রীড়া উন্নয়নের একটি উদ্যোগ এই সুইমিংপুল।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সিটি মেয়র মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সুইমিংকে একটি ভাল ব্যায়াম উল্লেখ করে  বলেন, একটি সুইমিংপুল অনেকগুলো ক্রীড়ার মধ্যেকার লাইফলাইন হিসেবে কাজ করে। ফিটনেস যদি ধরে রাখতে হয় তবে সুইমিংয়ের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা হলো একমাত্র সংস্থা যেখানে প্রতি বছর নিয়মিত ক্রীড়ার আয়োজন করে থাকে। বাংলাদেশের অন্য কোথাও এর দৃষ্টান্ত নেই। এসময় মেয়র এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ও জিমনেশিয়ামের সংস্কারের জন্য মন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান।

ড. মোহাম্মাদ জাফর উদ্দিন বলেন, আমাদের ক্রীড়া সংস্থা নিয়ে ২০টি প্রজেক্ট ছিলো। নতুন করে আরো ৪১ টি যোগ করা হবে। বর্তমানে ক্রীড়া সংস্থার অধীনে ৬১টি প্রজেক্ট রয়েছে। এসময় তিনি সুইমিংপুল সুষ্ঠু ব্যবহার ও রক্ষনাবেক্ষণের জন্য আহ্বান জানান।

সুইমিং ক্লাব চট্টগ্রামের সাধারন সম্পাদক ওসমান জাহাঙ্গীর বলেন, সুইমিংপুল নির্মানকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে এটি নির্মান করা হয়েছে যারা সাঁতার জানে তাদের অনুশীলনের জন্য। কিন্তু যারা সাঁতার জানে না বা শিখবে তাদের, বিশেষ করে শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়নি। এখন এই সুইমিংপুলে সাঁতার শেখাতে হলে, পাম্পের মাধ্যমে কোমর পরিমাণ পানি কমিয়ে শেখাতে হবে, যা অনেকটা ব্যয়বহুল। তিনি সাঁতার অনুশীলনের চেয়ে সাঁতার শেখানোর উপর গুরুত্ব দেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের মার্চে ১১ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের সুইমিং কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত সুইমিং কমপ্লেক্সে রয়েছে ৫০ মিটার দৈর্ঘ্য, ২২ মিটার প্রস্থ এবং ১ দশমিক ৮ মিটার গভীর ৮ লাইনের একটি সুপেয় পানির সুইমিংপুল।

এখানে খোলোয়াড়দের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক ড্রেসিং রুম, প্লেয়ার্স লাউঞ্জ, দেড় হাজার দর্শকের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন গ্যালারি, বিশুদ্ধ পানির পিউরিফিকেশন প্ল্যান্ট, ডিপ টিউবওয়েল, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ২৫০ কেভি’র বিদ্যুৎ সাবস্টেশন এবং নিজস্ব পার্কিংয়ের ব্যবস্থা।

জেএইচ

feature-top
feature-top

আরও খবর »

feature-top