ঢাকা , ১৬ ২০১৯ ,

কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি তিনদিনের রিমান্ডে

বায়ান্ন অনলাইন রিপোর্ট | ৬ অক্টোবর, ২০১৯ ৬:০৩ অপরাহ্ন | আপডেট : ৬ অক্টোবর, ২০১৯ ৬:০৩ অপরাহ্ন
feature-top

অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার রাজধানীর কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজকে আবার তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। 

আজ রোববার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে র‌্যাব। অস্ত্র মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে শফিকুলকে আদালতে হাজির করা হয়। 

মামলার তদন্তভার র‌্যাবের হাতে ন্যাস্ত হওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-২ এর পরিদর্শক জসিম উদ্দিন মাদক মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। 

মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমানের আদালতে শফিকুলের উপস্থিতিতে শুনানি হয়। আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর দুই মামলায় পাঁচদিন করে মোট দশ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। এর আগের দিন দুপুর দেড়টায় শফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নেয় র‌্যাব। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে তাকে নিয়েই কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় শফিকুলের হেফাজত থেকে একটা বিদেশি পিস্তলসহ তিন রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়। সাত প্যাকেট হলুদ রঙের বিশেষ ইয়াবা ট্যাবলেটও পাওয়া যায়। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি ক্যাসিনোতে খেলার কয়েন, স্কোরবোর্ড ও ৫৭২ প্যাকেট তাস উদ্ধার করা হয়। 

কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের যেসব জিনিসপত্র পাওয়া গেছে ধারণা করা হচ্ছে আগে এ ক্লাবে ক্যাসিনো খেলা হতো।

এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে অস্ত্র আইন ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ধানমন্ডি থানায় দুটি মামলা করে। ধানমন্ডি থানার এসআই আশিকুর রহমান ও এস আই নুরুদ্দিন দুটি মামলার তদন্ত করেন। পরে মামলাটি র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর হয়। র‌্যাব নতুন করে প্রথমে অস্ত্র মামলায় রিমান্ডের আবেদন জানায়। ওই মামলায় রিমান্ড শেষে আবার মাদক মামলায় রিমান্ডের আবেদন করেন।

রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শফিকুল কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের কার্যালয় ব্যবহার করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। তার সঙ্গে আরো অনেকে জড়িত রয়েছে।

শফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কলাবাগান অফিস কক্ষে নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলেছিলেন শফিকুল ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয় ক্রয়-বিক্রয়সহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপও করে আসছিলেন তারা। আরো জিজ্ঞাসাবাদ করলে শফিকুলের মাদক ব্যবসা নিয়ে কর্মকাণ্ডের বিষয় স্পষ্ট হবে।

মিথুন 

feature-top
feature-top

আরও খবর »

feature-top