ঢাকা , ১৬ ২০১৯ ,

আমি কোনও অন্যায় করিনি, আমাকে মেরো না : আবরার

বায়ান্ন অনলাইন ডেস্ক | ৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:২১ অপরাহ্ন | আপডেট : ৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৪০ অপরাহ্ন
feature-top

ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে আবরারকে খুন করা হয়। জানা গেছে, নির্যাতনের সময় আবরার বলেছিলেন, ‘আমি কোনও অন্যায় করিনি, আমাকে মেরো না। এ কথা বলার পর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। নির্যাতনের সময় এই মেধাবী ছাত্র কাঁদতেও পারেননি। কারণ তার মুখ চেপে ধরেছিল খুনিরা।

বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে একের পর এক বেরিয়ে আসছে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য।

রোববার রাতে (৬ অক্টোবর) শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

রাত ৮টার দিকে আবরারকে ওই হলের দোতলার ২০১১ নম্বর (কক্ষে) টর্চার সেলে ডেকে নিয়ে হুমকি দিতে শুরু করেন বুয়েট ছাত্রলীগের নেতারা।

একপর্যায়ে ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার আবরারের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ফেসবুক ঘেঁটে বাছ-বিচার না করেই হকিস্টিক দিয়ে পেটাতে শুরু করেন।

কেউ হকিস্টিক দিয়ে, কেউ লাঠি দিয়ে, কেউবা কিলঘুষি দিয়ে ইচ্ছামতো আবরারকে পেটাতে থাকেন। এভাবে ২২ জন অংশ নেন এই ভয়ঙ্কর নির্যাতনে।

এভাবেই একপর্যায়ে মেধাবী ছাত্র আবরার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তাদের গ্রেফতার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন ভয়ঙ্কর তথ্য পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে ডিবি।

জানতে চাইলে ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, প্রাথমিক তদন্ত ও ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা ভিডিও ফুটেজে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আবরার হত্যাকাণ্ডে জড়িত ১৯ জনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার হয়েছে।

এ ঘটনায় আবরারের বাবা ১৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের ১১ জনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় কমিটি।

মুনিয়া

feature-top
feature-top

আরও খবর »

feature-top