ঢাকা , ১৬ ২০১৯ ,

কুড়িগ্রামে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

বায়ান্ন অনলাইন ডেস্ক | ৯ অক্টোবর, ২০১৯ ৪:৪৫ অপরাহ্ন | আপডেট : ৯ অক্টোবর, ২০১৯ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
feature-top

কুড়িগ্রামের হাটিরপাড় হিঙ্গণরায় এলাকায় শারমীন আক্তার (২৬) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূর স্বজনদের দাবী তাকে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার (৯অক্টোবর) সকাল ৮টায় মেয়েকে ঘরের মেঝেতে নিথর অবস্থায় দেখতে পান শারমীনের মা শাহিনা আক্তার। পরে পুলিশ এসে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে শারমীনের স্বামী মাইদুল ইসলাম বাবু পলাতক রয়েছে। তাদের পরিবারে শিশির নামে ৪ বছরের একটি পূত্র সন্তান রয়েছে।

পরিবারের স্বজনরা জানান, ভালবেসে শারমীনকে বিয়ে করে একই পাড়ার মোহাম্মদ আলী (প্রাক্তন নাজির) পূত্র মাইদুল ইসলাম বাবু (৩০)। দুজনের সংসারে চার বছরের একটি সন্তান রয়েছে। মাইদুল ইসলাম বাবু পাশর্^বর্তী লালমনিরহাট জেলায় একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। অপরদিকে শারমীন আক্তার বাড়ীর পাশেই একটি বেসরকারি ক্লিনিকে আলট্রাসনোগ্রামের কাজ করত। ঘটনার দিন একটি বেসরকারি এনজিও থেকে কিস্তি বাবদ ঋণ পাওয়ার কথা ছিল শারমীনের। তার আসতে দেরী হওয়ায় মাঠকর্মীর পরামর্শে শারমীনকে ডাকতে যান তার মা শাহিনা আক্তার। তিনি মেয়ের শশুর বাড়ীতে গিয়ে দেখতে পান বাহিরের ও ভিতরের ঘরের দরজা খোলা। তাদের চার বছরের পূত্র চিৎকার করে কাঁদছে। ঘরে ঢুকে মেয়েকে অন্ধকার মেঝেতে নিথর অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন তার মা। ছোট্ট শিশু শিশির জানায় তার বাবা মাকে মেরেছে। তারপর থেকে কোন কথা বলছে না।

শারমীনের মা শাহিনা আক্তার দাবী করেন, নেশাগ্রস্থ তার জামাই মেয়েকে হত্যা করেছে। তার সাথে আরও কেউ থাকতে পারে। তিনি মেয়ের হত্যাকারীর দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) রাজু সরকার জানান, খবর পেয়ে আমরা গৃহবধূর মরদেহ ঘর থেকে উদ্ধার করি। এরপর লাশের সুরৎহাল করে পোস্ট মের্টমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।  প্রকৃত ঘটনা জানার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুনিয়া

feature-top
feature-top

আরও খবর »

feature-top