Connect with us

ক্রিকেট

দুরন্ত জয়ে বিশ্বকাপ শুরু আয়ারল্যান্ডের

Published

on

কার্টিস ক্যামফারের ইতিহাস গড়া ডাবল হ্যাটট্রিকে দুরন্ত জয় পেয়েছে আয়ারল্যান্ড। নেদারল্যান্ডসকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে তারা। ডাচদের দেয়া ১০৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুভসূচনা করেন পল স্টার্লিং ও কেভিন ও’ব্রায়েন। তারা গড়েন ২৭ রানের উদ্বোধনী জুটি। তবে হাসেনি ও’ব্রায়েন ও অ্যান্ড্রু বালবির্নির ব্যাট। ও’ব্রায়েন ৯ ও বালবির্নি ৮ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। প্রথম ৬ ওভারে ৩৮ রান তোলে আইরিশরা।

পরে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন স্টার্লিং ও গ্যারেথ ডিলানি। একপ্রান্ত আগলে ছিলেন স্টার্লিং। অন্যপ্রান্তে ঝড় তোলেন ডিলানি করেন। ২৯ বলে ৪৪ রান করে ফেরত আসেন তিনি। ততক্ষণে কাজের কাজ হয়ে যায়। বল হাতে নায়ক ক্যামফারই ব্যাটিংয়ে জয়সূচক রান নিয়ে আয়ারল্যান্ডকে জয়োৎসবে মাতান। ২৯ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে তারা। স্টার্লিং অপরাজিত থাকেন ৩৯ বলে ৩০ রান করে।

আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে নেদারল্যান্ডস। তবে শুরুটা ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেটে ২৫ রান তুলে তারা। এর মধ্যে রানের খাতা না খুলেই ফেরেন ওপেনার বেন কুপার। রানআউটে কাটা পড়েন তিনি। আর ওয়ানডাউনে নামা ব্যাটার ব্যাস ডি লিডি আসেন ৭ রান করে।

এরপরের দৃশ্যে আসেন আয়ারল্যান্ডের কার্টিস ক্যামফার। ডাচ ইনিংসের ১০ম ওভারে বল করেন তিনি। ওই ওভারের দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে উইকেট শিকার করেন এ মিডিয়াম পেসার। একে একে তুলে নেন কলিন অ্যাকারম্যান, রায়ান টেন ডেসকাট, স্কট এডওয়ার্ডস ও ভ্যান ডার মারউইককে।

সাধারণত, ৩ বলে তিন উইকেট পেলে হ্যাটট্রিক হয়। তবে টানা ৪ বলে উইকেট ঝুলিতে ভরলে তা ‘ডাবল হ্যাটট্রিক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ডাবল হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েন ক্যামফার। এর আগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বমঞ্চে একমাত্র হ্যাটট্রিক ছিল অস্ট্রেলিয়ার স্পিডস্টার ব্রেট লির।

Advertisement

৫১ রানে ৬ উইকেট হারানো নেদারল্যান্ডসকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন উদ্বোধনী ব্যাটার ম্যাক্স ও’ডোয়েড। অধিনায়ক পিটার সিলারকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৩৭ রানের জুটি গড়েন তিনি। তবে হঠাৎ সাজঘরে ফেরেন ম্যাক্স। এর আগে একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে এ ওপেনার করেন ৪৭ বলে লড়াকু ৫১ রান। অধিনায়ক সিলার করেন ২১ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান সংগ্রহ করে ডাচরা। আইরিশদের হয়ে ক্যামফারের সঙ্গে বল হাতে তোপ দাগান মার্ক এডেইয়ার। তিনি বগলদাবা করেন ৩ উইকেটে।

এস

ক্রিকেট

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে মোস্তাফিজ

Published

on

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) দল পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে লিগটির নিলাম। তার আগেই প্রকাশিত হয়েছে সরাসরি চুক্তিতে যারা দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাদের নাম। পাশাপাশি ‘রিটেইন’ খেলোয়াড়দের নামও প্রকাশ করেছে তারা। মোস্তাফিজের সাথে চুক্তি হয়েছে ডাম্বুলা থান্ডার্সের।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে এলপিএল। এরমধ্যে আনুষ্ঠানিকতা চলছে শ্রীলঙ্কার লিগটির। দলের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এখন মোস্তাফিজ। সব ঠিক থাকলে এই বাঁহাতি পেসার এবারই প্রথম এলপিএল খেলবেন। আর এদিকে বিশ্বকাপ শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।

আইপিএলের চলতি মৌসুমে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে খেলেছেন মোস্তাফিজ। যদিও সবগুলো ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি। তার আগেই ফিরতে হয়েছে দেশে। তবে যতদিন চেন্নাই শিবিরে ছিলেন, পারফরম্যান্সটা বেশ ভালোই ছিল। খেলেছিলেন ৯ ম্যাচ, উইকেট সংগ্রহ করেন ১৪ টি। এই মৌসুমে চেন্নাইয়ের হয়ে তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট-শিকারি বোলার।

 

Advertisement

এম/এইচ

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ক্রিকেট

“রোহিত জানে কীভাবে চাপ ডুবিয়ে রাখতে হয়”

Published

on

ভারতের বিশ্বকাপ-খরা ভেঙে শিরোপা অর্জন কঠিন হয়ে দেখা দেয় প্রায় সময়ই। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ের দিকে তাকালেও তা প্রকাশ পায় ভীষণভাবে। ঘরের মাটিতে ২০২৩ ওডিআই বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছিল দলটি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শিরোপা অর্জিত হয়নি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একবার, ২০০৭ সালে সুযোগ হয়েছিল ট্রফি ঘরে আনার। এবার অবশ্য নিজ দেশের সম্ভাবনা দেখছেন ভারতীয় ব্যাটার শিখর ধাওয়ান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে আগামী ২ জুন থেকে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভারতের প্রথম ম্যাচ ৫ জুন, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নিউ ইয়র্কে। তারকা ব্যাটার ধাওয়ান জানিয়েছেন, “অবশ্যই, বিশ্বকাপে ভারতের খেলা বেশ চাপের। এবং রোহিত (শর্মা) বেশ অভিজ্ঞ লোক। আমি নিশ্চিত তার অভিজ্ঞতা খুব কাজের হবে। সে জানে কীভাবে চাপ ডুবিয়ে রাখতে হয়। আর অবশ্যই ভারত রঙ-বেরঙে বেরিয়ে আসবে।”

মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শিরোপা ঘরে তোলে ভারত। এরপর আর একবার ফাইনাল খেলার সৌভাগ্য হয়েছিল দলটির, সেটা ২০১৪ সালে। সেবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে শিরোপা অধরা থেকে যায় ভারতের জন্য।

ভারতের ঝুলিতে সর্বশেষ আইসিসি শিরোপা এসেছে ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। ধাওয়ান শুধু রোহিতের অভিজ্ঞতায় ভরসা রাখছেন এমন নয়। তিনি স্কোয়াডের বেশ কিছু খেলোয়াড় নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, “এটা দেখতে খুব ভালো লাগে যে; শিভাম দুবে, যুজি (যুজবেন্দ্র চাহাল) এবং সানজু (স্যামসন)- তারা আইসিসি টুর্নামেন্টে নিজেদের যোগ্য জায়গা পেয়েছে। আমরা খুবই ভারসাম্যপূর্ণ দল পেয়েছি এবং আমরা খুব ভালো ক্রিকেট খেলছি। শুভকামনা ভারত।”

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ক্রিকেট

ক্রিকেট বাদেও অন্য খেলার প্রতি নজর দেওয়ার আহ্বান মাশরাফির

Published

on

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক মাশরাফি বিন মর্তুজা। আজ (সোমবার) বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডির ব্র্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক। সেখানে গণমাধ্যমের সাথে মুখোমুখি হয়েছেন, কথা বলেছেন ক্রিকেট নিয়েও।

বাংলাদেশ দল এখন অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে ৩ ম্যাচের সিরিজ শেষে বিশ্বকাপে অংশ নেবে তারা। মাশরাফির কাছে দলের সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আশা তো অবশ্যই ভালো কিছু করবে।”

বিশ্বকাপ স্কোয়াড দেখার এখনো সুযোগ হয়নি এই সাবেক অধিনায়কের। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, “(স্কোয়াড) দেখিনি। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ আশা করছে বাংলাদেশ ভালো করবে, যেখানেই যায়, যেভাবে যায়। তো আমার প্রত্যাশা অবশ্যই ভিন্ন কিছু হবে না। আমিও তাই চাই। কমন কিছু খেলোয়াড় দেখেছি, শুনেছি সোশ্যাল মিডিয়ায়, কিন্তু পুরো দল এখনও দেখিনি।”

শুধু ক্রিকেট নয়, অন্য খেলাগুলোর প্রতি পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে কথা বলেন মাশরাফি। যেখানে ক্রিকেট সকলের নজর কেড়ে নয়, অন্য খেলাগুলোর প্রতিও ‘স্পনসর’দের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইলেন এই ক্রিকেটার।

“ক্রিকেট বোর্ড চলে স্পনসরে। কিন্তু ক্রিকেট ছাড়া অন্য খেলাতে স্পনসররা এগিয়ে আসছে না। সবার এগিয়ে আসা উচিত। ফেডারেশনগুলোকেও স্পনসর খুঁজতে হবে। দেশের খেলাধুলার উন্নতিতে অবশ্যই তৃতীয় একটা পক্ষের প্রয়োজন। স্পনসররা হচ্ছে সেই তৃতীয় পক্ষ। তাদের এগিয়ে আসা উচিত।”

Advertisement

আজকের মতো সকল খেলার আয়োজনে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মাশরাফি। শুধু ক্রিকেটকে গুরুত্বে রাখলে হবে না বলেও মত তার। পাশাপাশি অন্যান্য খেলাগুলোর প্রচার ও প্রসারে সবার এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

 

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত

Exit mobile version