Connect with us

রংপুর

বৃষ্টি চেয়ে ইস্তিস্কার নামাজে সাড়ে ৩ হাজার মুসল্লি

Avatar of author

Published

on

দিনাজপুরে অনাবৃষ্টি ও তীব্র দাবদাহ থেকে পরিত্রাণ চেয়ে সালাতুল ইস্তিস্কার নামাজ আদায় করে বিশেষ দোয়া করেছে কয়েক হাজার মুসল্লি।

বুধবার (৭ জুন) সকাল ৯টার দিকে শহরের মিতালী সংঘ মাঠে বিশেষ এ নামাজে সাড়ে তিন হাজার মুসল্লি অংশ নেন।

জামিয়া আরাবিয়া হাফিজিয়া কারিয়ানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং মাদরাসার মুহাদ্দিস ও ২ নম্বর বাজার জামে মসজিদের ইমাম ওয়ালিলুল্লাহ সিরাজি বিশেষ এ নামাজ ও দোয়ার পরিচালনা করেন।

মো. শাকিল নামের এক মুসল্লি জানান, আগে এমন গরম অনুভব করিনি। গরমে কাজ-কর্ম ঠিক মতো করতে পারি না। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছে। রহমতের বৃষ্টির আশায় নামাজ আদায় করলাম। মাদরাসার হুজুররা এ নামাজের আয়োজন করেছে। নামাজে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মুসুল্লি অংশ নেয়।

শমশের আলী নামের আরেক মুসল্লি জানান, অনাবৃষ্টি আর গরমে আমরা বহুদিন ধরে কষ্টে আছি। আল্লাহ আমাদের ওপর রহমত করুন। আমরা ইস্তিস্কার নামাজ আদায় করে ও আল্লাহর কাছে খাস দিলে মোনাজাত করলাম। বহু মুসুল্লি হয়েছে।

Advertisement

মাওলানা অমর ফারুক বলেন, অনাবৃষ্টি ও তীব্র রোদে অসহনীয় কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে মানুষকে। আমরা এতোটাই অনুতপ্ত যে বলার ভাষা নেই। আমরা বৃষ্টির আশায় সালাতুল ইস্তিস্কার নামাজ আদায় করলাম। বৃষ্টি হওয়ার জন্য দোয়া করলাম। আল্লাহ পরম দয়ালু। নিশ্চয়ই তিনি বান্দার ওপর রহমত করবেন।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহে দিনাজপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ৪-৫ দিন এ ধরনের তাপপ্রবাহ থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান।

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

রংপুর

বছর পার হতেই মডেল মসজিদে ফাটল, মুসল্লিদের ক্ষোভ

Published

on

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা চত্বরে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটিতে নির্মানের এক বছর পার হতেই ফাটল দেখা দিয়েছে। দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদে ফাটল দেখা  দেয়ায় ঠিকাদারের বিরুদ্ধে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন  ধর্মপ্রাণ মুসল্লিসহ  স্থানীয় বিভিন্ন মহল।

শনিবার (১৩ জুলাই) ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনুমা তারান্নুম বায়ান্ন টিভিকে মসজিদে ফাটলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর বাস্তবায়নে এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ১১ কোটি ৩৮ লাখ ৯২ হাজার ১০৬ টাকা ব্যয়ে। মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি সাজিন কনস্ট্রাকশন লিঃ এ্যান্ড বাবর এ্যাসোসিয়েটস (জেভি) নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান  নির্মান করেন। ২০২৩ সালের ১৬ মার্চ গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফুলবাড়ী উপজেলার দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদের উদ্বোধন করেন  প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা।

মুসল্লিরা জানান, মসজিদটির নির্মাণের এক বছরের মাথায় সিড়িঁর নীচের গোডাউন রুমটির কমপক্ষে ৫ থেকে৭ টি স্থানে ফাটল দেখা দেয়। সেই ফাটল দিয়ে বৃষ্টির পানি চুইয়ে দেয়ালের গা ঘেসে নামে। অন্য দিকে মসজিদটির নীচতলার পার্কিং এরিয়ার উপরের ছাদের পূর্ব পাশের  ছাদের দক্ষিণ থেকে উত্তর দিকে পুরোটাই লম্বাভাবে ফেটে গেছে। ফলে পুরো ছাদটি ড্যাম হয়ে গেছে।

মুসল্লিরা আরও জানান, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় পুরো মসজিদটিতে বিদ্যুৎ সংযোগে প্রচুর সমস্যা দেখা দিয়েছে। যে কারণে বিদ্যুতের সুইচ দিলেই স্পার্কিং শুরু হয়ে যায়। এছাড়াও নিম্নমানের লাইট সরবরাহের কারণে অধিকাংশ লাইট অকেজো হয়ে আছে। মসজিদটির বাইরে প্রটেকশন দেয়াল দেয়ার কথা থাকলেও সেটি দেয়া হয়নি। ফলে মসজিদটির বাইরের অংশ অরক্ষিত। প্রতিনিয়ত কুকুর-বিড়ালসহ অন্যান্য প্রাণী সহজেই প্রবেশ করে জায়গাটি অপরিস্কার করে তোলে।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আজিজ মজনু ও জাহাঙ্গীর আলম জানান,  বর্তমান সরকার যেখানে সারাদেশের জেলা-উপজেলাগুলোতে এই দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ নির্মাণ করায় এক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে। সেখানে কিছু অসাধু ঠিকাদার ও কর্মকর্তার কারণে সরকারের উন্নয়নমুলক কাজ গুলো নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করায় সরকারের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সাজিন কনস্ট্রাকশন লিঃ এ্যান্ড বাবর এ্যাসোসিয়েটস (জেভি) নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কুড়িগ্রাম গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্যাহ আল ফারুক মোবাইল জানান, মসজিদে ফাটল দেখা দেয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। দু’মাস হলো তিনি কুড়িগ্রামে যোগদান করেছেন। দ্রুত মসজিদটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

ইউএনও রেহেনুমা তারান্নুম জানান, মসজিদের ফাটলের বিষয়টি তাঁর আগের ইউএনও ও জানেন। তিনিও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন। বর্তমান ইউএনও পুনরায় মসজিদের ফাটল অংশগুলো পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন ।

আই/এ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

কুড়িগ্রামে এখনো পানিবন্দী ২ লাখ মানুষ, বেড়েছে দুর্ভোগ

Published

on

কুড়িগ্রামের ১৬টি নদ নদীর পানি গত দুদিন ধরে কিছুটা কমে আবারও বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।  ফলে জেলার ৯ উপজেলার ৫৫টি ইউনিয়নের প্রায় দুই লাখ পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে পরিবারের লোকজনকে নিয়ে উঁচু স্থানে অবস্থান করছে। উপায় না পেয়ে অনেকেই নৌকার ওপর দিন কাটাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে নদ-নদীর পানি সমতলে কিছুটা হ্রাস পেলেও ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে বায়ান্ন টিভিকে জানিয়েছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

পাউবো জানায়, জেলার  হাতিয়া পয়েন্টে ব্রক্ষ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ৩৪ সেন্টিমিটার এবং ধরলার পানি ৭ সেন্টিমিটার ও দুধূকুমারের পানি ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জানা যায়, গেলো ১০ দিন ধরে জেলার ৯ উপজেলার দুই লাখ পানিবন্দি মানুষের দূর্ভোগের শেষ নেই। রাস্তা ঘাট তলিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কয়েকদিনের বন্যায় নাগেশ্বরী উপজেলার ২ টি বাঁধ ভেঙে নতুন বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বানভাসি মানুষগুলো না খেয়ে দিন পার করছেন। পাঁচগাছী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকার আফরোজা বেগম বলেন, টানা ১০ দিন ধরে পানি বন্দী। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি। কাজ কামাই নাই, খাওয়ার কষ্ট,থাকার কষ্ট।

মন্ডল পাড়া এলাকার শাহাজাহান আলী বলেন, বাড়ির চারিদিকে পানি। গত এক সপ্তাহ ধরে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। শুকনো খাবার,বিশুদ্ধ পানি আর গবাদিপশুর তীব্র খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে।

Advertisement

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকার বলেন, জেলার বন্যা কবলিতদের জন্য বুধবার দুপুর পর্যন্ত ৫৪২ মেট্রিক টন চাল, ৩২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ও ২৩ হাজার ১২০ প্যাকেট শুকনো খাবার ৯ উপজেলায় বিতরণ চলমান।

প্রসঙ্গত, জেলা প্রশাসন থেকে ত্রান সহায়তা কার্যক্রম চলমান থাকলেও গো খাদ্য সংকট নিয়ে দুঃশ্চিন্তা আছে বানভাসিরা।

জেড/এস

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

তেঁতুলিয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

Published

on

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে  হুসাইন নামে চার বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের দানাগছ মাঝিপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। তেতুঁলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার রায় বিষয়টি বায়ান্ন টিভিকে নিশ্চিত করেছেন।

শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম বলেন, আজ সকালে শিশু হুসাইনকে বাসায় রেখে তাঁর বাবা-মা মাঠে পাট কাটতে যান। পরে বাবা মাকে খুঁজতে বাড়ি থেকে বের হয় হুসাইন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুরের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে যায় সে।

এদিকে মাঠ থেকে বাসায় ফিরে শিশু হুসাইনকে না পেয়ে খোঁজাখুজিঁ শুরু করেন বাবা-মা। পরে হুসাইনকে বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসতে দেখেন তারা। এরপর তাকে উদ্ধার করে তেতুঁলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রসঙ্গত, নিহত শিশু হুসাইন মাঝিপাড়া এলাকার আজিজুল হকের ছেলে।

Advertisement

জেড/এস

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত