Connect with us

আওয়ামী লীগ

সরকার বহাল তবিয়তে আছে, বহাল তবিয়তেই থাকবে : হানিফ

Avatar of author

Published

on

সরকার পতনের আন্দোলনের খেলা বন্ধ করে নির্বাচন কীভাবে করা যায় সেদিকে মনোনিবেশ করুন। আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। বিএনপি যদি সেই নির্বাচনে অংশ না নেয় তাহলে আবারও এটি তাদের রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্তে পরিণত হবে। তাই তাদের বলব এক দফা আন্দোলন বন্ধ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন।জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বিএনপি যে আন্দালন করছে তা বন্ধ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) কুষ্টিয়ার পিটিআই রোডের নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন হানিফ।

তিনি বলেন, ফখরুল সাহেবরা দুই বছর ধরে সরকার পতনের একদফা আন্দোলন করে যাচ্ছেন। তারা প্রতি মাসেই বলেন, আর একমাস পরেই সরকারের পতন হয়ে যাবে। সরকার বহাল তবিয়তে আছে, বহাল তবিয়তেই থাকবে। এসব বক্তব্যের আর কোনো প্রয়োজন নেই।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নির্লজ্জ একটা মিথ্যাচারের দল, মির্জা ফখরুলরা মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। বিএনপির জন্মই অবৈধ পন্থায় মিথ্যার ওপরেই হয়েছে। ক্যান্টনমেন্টে বসে সামরিক উর্দি পড়ে একটা রাজনৈতিক দল গঠন করার নমুনা পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টা আছে বলে মনে হয় না। যেটা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান করেছিল।

Advertisement

হানিফ বলেন, নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হচ্ছে কিনা সেটা দেখতে চাইলে বিদেশি বন্ধুরা ইচ্ছেমতো পর্যবেক্ষক পাঠাতে পারেন, আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে স্বাগত জানাবে।

এএম/

Advertisement

আওয়ামী লীগ

যৌক্তিক দাবির প্রতি আওয়ামী লীগ সবসময় আন্তরিক: কাদের

Published

on

ওবায়দুল-কাদের

দেশের মানুষের যৌক্তিক দাবির প্রতি আওয়ামী লীগ সর্বদা আন্তরিক। কোনো যৌক্তিক দাবি কখনোই আওয়ামী লীগের কাছে উপেক্ষিত হয়নি। আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি জনকল্যাণকর উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে। বলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (১২ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলন থাকলে মানুষের ভোগান্তি বাড়বে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। জনগণ এই আন্দোলনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়লে তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর তারা আস্থাহীন হয়ে পড়বে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক মহল শিক্ষার্থী ও জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার অপচেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি না, কোমলমতি সকল শিক্ষার্থী দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করতে চায়। শুধু যারা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তাঁরাই আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এই আদেশের পরে হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের কোনো কার্যকারিতা বর্তমানে নেই। এরপরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান থাকার যৌক্তিকতা নেই।

Advertisement

শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা কারও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহারের শিকার হবেন না। চূড়ান্ত শুনানিতে আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবীর আরও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত চূড়ান্ত শুনানির মাধ্যমে এ বিষয়ে নিষ্পত্তি করবে। আদালত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের বিষয়সমূহ চূড়ান্ত শুনানিকালে আমলে নিয়ে বাস্তবসম্মত চূড়ান্ত রায় প্রদান করবেন এবং বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আন্দোলনকারীদের ধৈর্য ধারণ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে এ ধরনের সকল কর্মসূচি পরিহার করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যার যার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার পুনরায় অনুরোধ জানাচ্ছি।’

আন্দোলনের ওপর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, শিক্ষার্থীরা কার বিপক্ষে আন্দোলন করবে? সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ তো তাঁদের পক্ষেই আছে। এরপরে আন্দোলন চলমান থাকা প্রমাণ করে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো গোষ্ঠী বা মহল এই আন্দোলনকে উসকানি দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলন চলমান রাখলে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি বাড়ছে।

যেকোনো আন্দোলন হলেই বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা সেটাকে হাতিয়ার করে ক্ষমতায় যাওয়ার দুঃস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখন তারা কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কারণ, তাদের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই। সরকারবিরোধী কোনো আন্দোলনেই তারা সফল হতে পারেনি। তাই যখনই অরাজনৈতিক আন্দোলন সংগঠিত হয় সেটাকে পুঁজি করে রাজনীতি করার অপচেষ্টা করে বিএনপি।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আওয়ামী লীগ

কোটা বিরোধিতা করে বিএনপি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীর প্রমাণ দিয়েছে : কাদের

Published

on

ওবায়দুল-কাদের

কোটা বিরোধী আন্দোলনকে সরকার বিরোধী আন্দোলন বানানোর চেষ্টা করছে বিএনপি। কোটা বিরোধিতা করে আবারও প্রমাণ দিয়েছে তারা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী। বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, কোটা সংস্কারের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ চার সপ্তাহে স্থিতাবস্থা দিয়েছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণ করে আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছিলাম। বিষয়টি নিয়ে যখন বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান, তার প্রতি কোনো প্রকার সম্মান না করে আন্দোলনকারীরা বাংলা ব্লকেড নামে মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপিসহ কিছু দল আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে। শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ফাঁদে ফেলে আন্দোলনের ব্যর্থতা পেছনে রেখে নতুন আন্দোলন শুরুর পাঁয়তারা করছে তারা। কোটা বিরোধী আন্দোলনকে সরকার বিরোধী আন্দোলন চেষ্টা করছে বিএনপি। ফখরুল বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটার দরকার নেই। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি তাদের সম্মান নেই। কোটা বিরোধিতা করে বিএনপি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী তার প্রমাণ আবারও দিয়েছে।

এ সময়  উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনোয়ার হোসেন, কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ প্রমুখ।

Advertisement

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আওয়ামী লীগ

রায়ের পর যারা আন্দোলন করছেন তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে : ছাত্রলীগ

Published

on

কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগের রায়ের পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে সরে এসেছেন। এরপরও যারা আন্দোলন করছেন তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। বললেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, কোটার যৌক্তিক সংস্কার ও সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাধান ছাত্রলীগও চায়। এছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে যে কোনো সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, প্রশাসনিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়টি বিচ্ছিন্ন কোনো আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সুরাহা সুচিন্তত নয় বলে আমরা মনে করি। কন্সট্রাকটিভ পলিসির অ্যাডভোকেসির মাধ্যমে এটি সমাধান করা সম্ভব।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালের সরকারের পরিপত্র আদালতের রায়ে এখনও বহাল। আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধানের পথকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করা ঠিক হবে না। আন্দোলনকে টেনেহেঁচড়ে এভাবে দীর্ঘায়িত করা উচিত নয়।

Advertisement

ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, কোটা সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন এবং কেউই দেশের প্রচলিত আইনের ঊর্ধ্বে নয় বিধায় আইনি প্রক্রিয়াতেই এর চূড়ান্ত, স্থায়ী, যৌক্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধানের দিকে এগোতে হবে; দেশের শিক্ষার্থী সমাজের নির্ভরতার প্রতীক দেশরত্ন শেখ হাসিনা তাদের পাশে আছেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তাদের পাশে আছে।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত