Connect with us

রংপুর

বিএনপি-জামায়াতের অন্তিমযাত্রা নিশ্চিত করবে ছাত্রলীগ: সাদ্দাম হোসেন

Avatar of author

Published

on

আগামী ২৮ অক্টোবর বিএনপি-জামায়াতের মহাযাত্রা নয়, তাদের অন্তিমযাত্রা ও মহাপ্রস্থান হবে। একইসঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের চূড়ান্ত পরাজয় নিশ্চিত করেই গণতন্ত্র ও সংবিধানের প্রতি ছাত্রলীগ দায়িত্ব পালন করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি হল মাঠে রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের কর্মী সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ঘোষণা দিয়েছে তারা ২৮ অক্টোবর মহাযাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমরা ঘোষণা করতে চাই, সন্ত্রাস, দুর্নীতিবাজ এবং জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপি-জামায়াত আবার যদি এই যাত্রার নামে কোনো অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায় তাহলে মহাযাত্রা নয়, তাদের অন্তিমযাত্রা, তাদের মহাপ্রস্থান নিশ্চিত করবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।’

তিনি বলেন, ‘২৮ অক্টোবর বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে যারা নতুন করে ছিনিমিনি খেলতে চায়, যাদের কাছে গণভবনের চেয়ে হওয়া ভবন গুরুত্বপূর্ণ, যাদের কাছে বাংলার মানুষের ভোটের চেয়ে লাশ গুরুত্বপূর্ণ, যাদের কাছে ব্যালটের চেয়ে গ্রেনেড গুরুত্বপূর্ণ, যাদের কাছে বাংলাদেশের মানুষের সংবিধানের চেয়ে বিদেশিদের প্রেসক্রিপশন গুরুত্বপূর্ণ, যারা আমাদের লাখো শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে সেই অপশক্তি স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী শক্তির যেন আমরা চূড়ান্ত পরাজয় নিশ্চিত করতে পারি, ২৮ অক্টোবর বাংলার ছাত্রসমাজকে সেটি নিশ্চিত করতে হবে। শুধুমাত্র ঢাকা শহরে নয়, দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, মহানগরে দেশরত্ন শেখ হাসিনার কর্মীরা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরা রাজপথ দখলে রাখবে। রাজপথের ছাত্রলীগ রাজপথে থাকবে।’

আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিরঙ্কুশ ব্যালট বিপ্লব ঘটাতে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘১৯৭০ সালের নির্বাচনে তরুণরা ভোট দিয়ে নৌকা মার্কার পক্ষে স্বাধীনতার রায় পেয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তরুণদের ভোটের ওপর ভিত্তি করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দিন বদলের একক ম্যান্ডেড পেয়েছিলেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের পক্ষে বাংলার তারুণ্য এককভাবে রায় দেব।’

Advertisement

প্রসঙ্গত, কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া। রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম।

এএম/

Advertisement

রংপুর

সীমান্তবর্তী মানুষের দুর্ভোগ কমাতে চালু হলো ভাসমান সেতু

Published

on

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা জিঞ্জিরাম নদীর ওপর একটি ভাসমান সেতু নির্মান করা হয়েছে হয়েছে। এতে  উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার চারটি গ্রামের পাঁচ  হাজার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যম এ সেতুর উদ্বোধন করেন।

জানা যায়, রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব কাউয়ারচর, চর বায়োলমারী গ্রামের তিন পাশে জিঞ্জিরাম নদী।  অপরপাশে রয়েছে ভারতের কাঁটাতার বেস্টিত সীমান্ত। গ্রাম দুটিতে প্রায় তিন হাজারের অধিক মানুষের বসবাস। এ ছাড়াও নদী ও ভারত বেষ্টিত ওই গ্রাম দুটির মানুষের পশ্চিম কাউয়ারচর, ধর্মপুর গ্রামে কৃষি জমি রয়েছে। তাই ফসল চাষাবাদের জন্য তাঁদেরকে প্রতিদিন নদী পার হতে হয়। বছরের পর বছর ধরে এ এলাকার বাসিন্দারা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মাথায় নিয়ে ঝুঁকির মধ্য নৌকায় পারাপার হয়ে আসছিল।

১২০ফুট দৈর্ঘ্যের এই ভাসমান সেতু নির্মানের ফলে তাদের সেই দুর্ভোগের অবসান হল।

স্থানীয় বাসিন্দা সাজেদুল ইসলাম বলেন, সেতুটি নির্মাণ হওয়ার ফলে বিজিবি সীমান্তে তাঁদের টহল জোরদার করতে পারবে। এত সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান কমে আসবে।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা বুলবুলি আখতার বলেন, ছোট ছোট বাচ্চারা নৌকা করে স্কুল যেতো। নৌকা না পেলে সময় মতো স্কুল যেতে পারতো না।এখন পায়ে হেঁটে বাচ্চারা ঠিক মতো স্কুল যেতে পারবে।

মোখলেস মিয়া বলেন, কৃষি পণ্য নিয়ে বাজার যাওয়া অনেক কষ্ট ছিল। রোগী নিয়েও ভোগান্তি পোহাতে হতো। সাময়িক ভাবে ভাসমান সেতু হওয়ায় এই কষ্ট কমবে। তাঁরা এখানে স্থায়ী একটি সেতু চান।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এমপি বিপ্লব হাসান পলাশ বলেন, প্রত্যন্ত ও সীমান্ত এলাকার মানুষ যেন সরকারের উন্নয়ন বঞ্চিত না হয় সেজন্য ভাসমান সেতু দিয়ে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। আগামীতে সেখানে স্থায়ীভাবে সেতু নির্মাণ করা যায় কিনা সেই বিষয় উদ্যোগ নেয়া হবে।

আই/এ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

কুড়িগ্রামে বন্যায় কৃষকের ক্ষতি ১০৫ কোটি টাকা

Published

on

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় ক্রমশই স্পষ্ট হয়ে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। পানির নিচ থেকে ভেসে উঠছে পাট, পটল, আমন বীজতলা ও বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত। দ্বিতীয় দফায় দীর্ঘ স্থানীয় বন্যায় জেলার ৯ উপজেলায়  কৃষিতেই ক্ষতি হয়েছে ১০৫ কোটি টাকা। এছাড়া প্রায় ৫০ হাজার কৃষক এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বায়ান্ন টিভিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বন্যার পানির প্রবল স্রোতে গ্রামাঞ্চলের কাঁচা পাকা সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াত করছে মানুষজন। এসব গ্রামীণ কাঁচাপাকা সড়ক ও ঘর বাড়ির ক্ষতি নিরুপনে কাজ করছে সরকার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের সিতাই ঝাড় এলাকার কৃষক ছমির আলী বলেন, তাঁর এক বিঘা জমির পটলের আবাদ শেষ। এখনো বাড়ির চারিদিকে পানি। আমন বীজতলা করতে পারছেন না। আমন আবাদও মনে হয় এবার করা হবে না তাঁর।

একই এলাকার কৃষক মোস্তাফা বলেন,বন্যার পানি এখনো জমি থেকে নামেনি। অথচ বীজতলা করার সময় শেষের দিকে। এবার এলাকার কৃষক কেমন করে আবাদ করবে সে চিন্তায় তাদের দিন কাটছে।

Advertisement

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ পর ব্রহ্মপুত্রসহ জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত সব নদ নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।  এ মুহূর্তে বন্যার কোন পূর্বাভাস নেই।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জনদুর্ভোগ

ভারত থেকে এলো কাঁচা মরিচ, বিক্রি হচ্ছে যে দামে

Published

on

দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সংকট সমাধানে ভারত থেকে এলো ২১৬ টন কাঁচা মরিচ। দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে প্রতিদিন ১০-১২ ট্রাক কাঁচা মরিচ আমদানি হলেও রোববার (১৪ জুলাই) ২২টি ভারতীয় ট্রাকে ২১৬ মেট্রিকটন আমদানি হয়েছে। সরকার আমদানির অনুমতি দেয়ার পর এটি সর্বোচ্চ পরিমাণ আমদানি।

ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বাজারে তীব্র সংকট দেখা দেয়ায় আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি করেছেন। তা-না হলে গত বছরের মতো দাম গিয়ে ঠেকবে ৭০০ টাকায়। তাদের দাবি ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন প্রদেশে বন্যা দেখা দিয়েছে। ফলে ক্ষেতে পানি জমে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রপ্তানি মূল্য বাড়িয়েছেন দেশটির রপ্তানিকারকরা।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক সেলিম হোসেন গণমাধ্যমে জানান, অতি বৃষ্টি আর বন্যার কারণে দেশে কাঁচা মরিচের উৎপাদন নেই বললেই চলে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা বন্দরে ভিড় জমাচ্ছেন। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় অনেক পাইকার ফেরত যায়। তাই আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের মতো ভারত অভ্যন্তরের বিভিন্ন প্রদেশের বন্যা দেখা দেয়ায় সেখানে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে সে দেশের রপ্তানিকারকরা রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছেন।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাব গণমাধ্যমে জানান, আগে প্রতিদিন ১০-১২ গাড়ি করে কাঁচা মরিচ আমদানি হলেও রোববার ২২টি ভারতীয় ট্রাকে ২১৬ মেট্রিকটন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। যা থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে অন্তত ৭৫ লাখ টাকা।

Advertisement

উল্লেখ্য, হিলি স্থলবন্দর এলাকার কাঁচা বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ মান ভেদে বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকায়।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত