Connect with us

ভয় ধরানো কিছু গোষ্ঠীর বিশ্বাস আর ধর্মাচরণ

Avatar of অনন্যা চৈতী

Published

on

বহিস্কার

পৃথিবীতে বিভিন্ন বিশ্বাস মতে চলা এমন কিছু গোষ্ঠী রয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ ওই গোষ্ঠীর সদস্য হয়ে গোষ্ঠী-নেতার সব কথা অন্ধের মতো অনুসরণ করেছে। এমনকি, নেতার পদাঙ্ক অনুসরণ করতে গিয়ে স্বাধীনতা এবং সম্পদ, দুই-ই হারাতে হয়েছে তাদের।

এসব বিশেষ কিছু বিশ্বাস মেনে চলা গোষ্ঠীর নেতারা অনেক সময়ই বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে অনুগামীদের নিয়ন্ত্রণ করেন, কখনো কখনো তাদের বিপথেও চালিত করেন।

চলুন জেনে নেই, পৃথিবীর এমনই সব বিপজ্জনক এবং কুখ্যাত বিশ্বাস মতে চলা কিছু গোষ্ঠী এবং সেই সব গোষ্ঠীর নেতাদের কথা।

সিনানন: চার্লস ডেডেরিচ নামে এক ব্যক্তি ১৯৫৮ সালে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা মনিকাতে সিনানন নামে একটি বিশেষ গোষ্ঠী শুরু করেন। বিশেষ বিশ্বাস মেনে চলা গোষ্ঠী হিসাবে বিবেচিত হলেও সিনানন প্রথমে মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসাবে শুরু হয়েছিল। এ গোষ্ঠীর সভায় একজন সদস্যকে মন খুলে কথা বলার অনুমতি দেয়া হত। তবে যখনই একজন সদস্য কথা বলতে শুরু করতেন, ঠিক তখনই সভায় উপস্থিত বাকিরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল দেয়া শুরু করতেন। এ বিশেষ গোষ্ঠীতে নিজেদের জায়গা পাকা করতে সদস্যরা বহু অর্থ অনুদান দিতেন। পাশাপাশি এ গোষ্ঠীতে যোগ দিলে কায়িক শ্রম করা বাধ্যতামূলক ছিল।

সিনানন-প্রধান চার্লস অনুগামীদের বুঝিয়েছিলেন শিশুদের জন্ম দেয়া উচিত কাজ নয়। আর সেই কারণেই তিনি তার পুরুষ অনুরাগীদের বন্ধ্যাত্বকরণের জন্য চাপ দিতেন। চার্লস বহু মহিলা অনুগামীকে গর্ভপাতেও বাধ্য করেছিলেন।

Advertisement

১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর পুলিশ সিনাননের প্রধান ডেরায় অভিযান চালিয়ে চার্লসকে তার লেক হাভাসুর বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখে। পাঁচ বছরের জন্য নজরবন্দি করে রাখার সাজা শোনানো হয় এবং প্রায় তিন লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় তাকে। এ-ও নির্দেশ দেয়া হয়, চার্লস আর সিনানন চালাতে পারবেন না। কর ফাঁকি, প্রমাণ নষ্ট করা এবং সন্ত্রাসমূলক কাজকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯৯১ সালে সিনানন বন্ধ হয়ে যায়। এর ছয় বছর পরে ১৯৯৭ সালে  মারা যান চার্লস।

নেক্সিয়াম: ১৯৯৮ সালে কিথ রেনিয়ের নেক্সিয়াম নামে এক বিশেষ গোষ্ঠীর প্রবর্তন করেন। নেক্সিয়াম বিশেষ ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে অন্যতম চর্চিত গোষ্ঠী হয়ে ওঠে। ২০১৮ সালে প্রকাশ্যে আসে যে, নেক্সিয়াম আসলে যৌন ধর্মাচরণ করত। নেক্সিয়ামের মোট ১৮ হাজার সদস্য ছিল। যাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অভিনেত্রী অ্যালিসন ম্যাক।

এ গোষ্ঠীর গুরু কিথ ধর্মাচরণ করার জন্য একটি বিশেষ জায়গা তৈরি করছিলেন। এ বিশেষ জায়গায় মহিলা অনুগামীদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হত। এ জায়গায় কিথ নিজের মহিলা অনুরাগীদের সঙ্গে অবাধ যৌন মিলন করতেন এবং এ মহিলা অনুরাগীরা যাতে কখনও কারও কাছে মুখ না খোলেন তার জন্য তাদের নগ্ন ছবিও তুলে রাখতেন।

তবে একটা সময় পর ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলে কিথের বহু অনুরাগী প্রকাশ্যে কিথের সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ আনেন। ২০২০ সালে বহু মহিলা কিথের বিরুদ্ধে মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। মহিলা পাচার এবং শিশুদের নিয়ে পর্নোগ্রাফি তৈরিসহ একাধিক অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর কিথকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। বন্ধ হয়ে যায় নেক্সিয়াম।

চিলড্রেন অব গড: ১৯৬৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার হান্টিংটন বিচে ধর্মদ্রোহী প্রচারক ডেভিড বার্জ ‘টিনস ফর ক্রাইস্ট’ নামে বিশেষ বিশ্বাস মতে চলা গোষ্ঠী শুরু করেন। ডেভিড যিশু খ্রিস্টের আদর্শের সঙ্গে ১৯৬০’র দশকের অবাধ প্রেমের তত্ত্বকে এক করে এমন এক মতাদর্শের প্রবর্তন করেন যা তরুণ-তরুণীদের আকৃষ্ট করেছিল।

Advertisement

সারা বিশ্ব জুড়ে এ গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার। ১৯৭০’র দশকে ধর্মাচরণের আড়ালে অবাধে যৌনচর্চার জন্য এ গোষ্ঠী কুখ্যাত হয়ে ওঠে। এমনকি এ গোষ্ঠীর মহিলা অনুগামীরা ধর্মীয় পতিতা’র তকমা পান।

গোষ্ঠীপ্রধান বার্জ শিশুদেরও যৌনমিলনের জন্য উৎসাহিত করতেন বলে অভিযোগ ওঠে। এমন অভিযোগও ওঠে যে গোষ্ঠীতে যোগ দেয়ায় প্ররোচনা দিতে তিনি মহিলা অনুরাগীদের অন্য পুরুষদের সঙ্গে সঙ্গম করতে চাপ দিতেন।

বলিউডের অস্কারজয়ী অভিনেতা জোয়াকিন ফিনিক্স এবং রোজ ম্যাকগোয়ানের পরিবারও এ গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তবে পরে তারা এ দল ছেড়ে বেরিয়েও আসেন।

এ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীন ১৯৯৪ সালে বার্জ মারা যান। ‘টিনস ফর ক্রাইস্ট’-এর নাম বদলে রাখা হয় ‘চিলড্রেন অব গড কাল্ট ফ্যামিলি ইন্টারন্যাশনাল’। এখনও এ গোষ্ঠীর অস্তিত্ব রয়েছে। তবে এ গোষ্ঠী দাবি করে যে বর্তমানে তাদের সদস্যেরা আর যৌনাচার করেন না।

দ্য ম্যানসন ফ্যামিলি: কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর, দীর্ঘদিন জেল খাটা অপরাধী চার্লস ম্যানসন লস এঞ্জেলসে ‘ম্যানসন ফ্যামিলি’ নামে এক বিশেষ গোষ্ঠী শুরু করেন। মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলা মাদকসেবন, অবাধ যৌনাচার এবং মন নিয়ন্ত্রণ করা এ গোষ্ঠীর প্রধান আদর্শ হয়ে ওঠে। দলের সদস্যদের এ আদর্শ মেনে চলা ছিল বাধ্যতামূলক।

Advertisement

ম্যানসন নিজেকে দেবদূত হিসাবে জাহির করেছিলেন। তার সদস্যদের মানুষ খুন করার প্ররোচনা দিতেও শুরু করেন ম্যানসন। ১৯৬৯ সালের ৮ অগস্ট, এ গোষ্ঠীর সদস্যেরা আমেরিকার অভিনেত্রী শ্যারন টেট-সহ পাঁচ জনকে নির্মম ভাবে খুন করেন। ঘটনাচক্রে শ্যারন ছিলেন বিখ্যাত পরিচালক রোমান পোলানস্কির স্ত্রী। এর ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ৯ অগস্ট রাতে ম্যানসনের নির্দেশে ‘ম্যানসন ফ্যামিলি’-র সদস্যেরা রোজমেরি এবং লেনো লাবিয়ানকাকে খুন করেন।

১৯৭১ সালে, ম্যানসনকে খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। ২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর ৮৩ বছর বয়সে মারা যান ম্যানসন।

দ্য ফ্যামিলি: ‘দ্য ফ্যামিলি’ ছিল এক বিশেষ ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠী, যা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অস্ট্রেলিয়ায় সক্রিয় ছিল। এ গোষ্ঠীর নেতৃত্বে ছিলেন যোগগুরু অ্যান হ্যামিল্টন বাইর্ন। অ্যান নিজেকে জিশু খ্রিস্টের রূপ হিসাবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। তার দাবি ছিল যে, তার শরীরের মাধ্যমে জিশু খ্রিস্ট পুনর্জন্ম নিয়েছেন। অ্যান এ গোষ্ঠীর সদস্যদের ২৮ জন সন্তানকে দত্তক নেন এবং অন্য সদস্যদেরও তাদের সন্তানদের দত্তক দেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন।

অ্যানের লক্ষ্য ছিল এমন একটি গোষ্ঠী তৈরি করা, যা পৃথিবীর ধ্বংসের পর বিশ্বকে নতুন করে শাসন করবে। আর সেই লক্ষ্য পূরণ করতে তিনি এ শিশুদের উপর অত্যাচার করা শুরু করেন। শিশুদের মারধর করা থেকে শুরু করে তাদের অনাহারে রাখা, এমনকি এ শিশুদের উপর মাদকেরও প্রয়োগ করতেন বলে অ্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।

১৯৮৭ সালে পুলিশ অ্যানের লেক ইলডনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বহু শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে অ্যান নিজের সব দোষ অস্বীকার করেন। ২০১৯ সালে ৯৮ বছর বয়সে ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

Advertisement

পিপলস টেম্পল: ১৯৫০-এর দশকে জিম জোনস নামে এক ব্যক্তি ‘পিপলস টেম্পল’ নামে এ গির্জা তৈরি করেন। তিনি দাবি করেন, খ্রিস্টান ধর্মের মূল তত্ত্বের সঙ্গে সমাজতন্ত্র এবং সমতা প্রচার করাই এ গির্জার প্রধান লক্ষ্য।

তবে জিম বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে পারমাণবিক যুদ্ধ আসন্ন। আর সেই কারণেই গোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ইউরেকাতে চলে যান। ভেবেছিলেন এর থেকে নিরাপদ জায়গা আর হতে পারে না। তবে এরপরেও ভয় জিমের পিছু ছাড়েনি। ১৯৭৭ সালে জিম আবার ‘দ্য পিপলস টেম্পল’কে দক্ষিণ আমেরিকার গুয়ানার একটি প্রত্যন্ত জায়গায় স্থানান্তরিত করেন। নাম দেন জোনসটাউন।

খুব শিগগিরই জোনসটাউন একটি বন্দি শিবিরে পরিণত হয়। কী হত না জোনসটাউনে! সদস্যদের প্রকাশ্যে মারধর থেকে শুরু করে কারাগারে বন্দি করে রাখা, এমনকি জোর করে মাদক নিতেও বাধ্য করা হত সদস্যদের। ১৯৭৮ সালে রাজনীতিবিদ লিও রায়ান এ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির তদন্ত করার জন্য জোনসটাউনে পৌঁছন। কিন্তু লিও সেখানে পৌঁছতেই পিপলস টেম্পলের নিরাপত্তারক্ষীরা তার উপর গুলি চালান।

বিপদ আসন্ন বুঝে সেদিনই গোষ্ঠীর সদস্যদের জিম সায়ানাইড বিষ এবং মাদক মেশানো শরবত পান করতে বাধ্য করেন। যারা এটি পান করতে রাজি হননি, তাদের শরীরে জোর করে এ বিষ ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয়। এ ঘটনায় মোট ৯১৮ জন মারা গিয়েছিলেন। আমেরিকার ইতিহাসে একসঙ্গে এতজন সাধারণ নাগরিক মারা যাওয়ার নিরিখে ৯/১১’র পরেই স্থান পায় এ ঘটনা।

এসি

Advertisement

জাতীয়

বহিস্কার বহিস্কার
ক্যাম্পাস10 hours ago

ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী...

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
জাতীয়10 hours ago

দেশ বিরোধী সংবাদ প্রচার বন্ধে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন সংবাদের মাধ্যমে দেশ বিরোধী সংবাদ প্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা বন্ধের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ১৯১টি অনলাইন নিউজ পোর্টালের...

বহিস্কার বহিস্কার
জাতীয়10 hours ago

প্রধানমন্ত্রী ২ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রেল (এমআরটি লাইন-১) নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা...

বহিস্কার বহিস্কার
জাতীয়11 hours ago

দেশে রাখার ক্ষেত্রে রোহিঙ্গারা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে: র‌্যাব ডিজি

মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গারা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা সন্ত্রাসী ও জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। ভুয়া পাসপোর্টে বিদেশ পালিয়ে...

বহিস্কার বহিস্কার
আওয়ামী লীগ11 hours ago

সিপিডি একটি রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে : আব্দুর রাজ্জাক

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) একটা রাজনৈতিক শক্তিকে তারা ক্ষমতায় আনতে চাচ্ছে বা তাদের অংশীদার তারা অনেকটা। সিপিডি একটি রাজনৈতিক...

বহিস্কার বহিস্কার
অপরাধ12 hours ago

বিদ্যালয়ে দুই শিক্ষকের মধ্যে মারামারি

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রধান শিক্ষক ইমরান...

বহিস্কার বহিস্কার
করোনা ভাইরাস12 hours ago

দেশে করোনায় শানাক্ত ১১ জন

সবশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেলো ২৪ ঘণ্টায় কারও মৃত্যু হয়নি। এ সময়ে নতুন করে ১১ জনের দেহে...

বহিস্কার বহিস্কার
বাংলাদেশ12 hours ago

ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দিতে যা প্রয়োজন সব আয়োজন করেছি: ইসি

বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ছয় আসনে সকাল সাড়ে ৮টায় উপ-নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হয়েছে। এই ছয় আসনের ভোট ব্যালটে হচ্ছে না। সব...

বহিস্কার বহিস্কার
অপরাধ13 hours ago

পাকিস্তানে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৩২, আহত ১৪৭ জন

পাকিস্তানে পেশোয়ারের পুলিশ লাইন্স এলাকায় একটি মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে দেশটির নিষিদ্ধঘোষিত সশস্ত্রগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান। সোমবার (৩০ জানুয়ারি)...

বহিস্কার বহিস্কার
আইন-বিচার17 hours ago

টাকা আত্মসাত : ওয়াসার এমডিসহ ৪জনের প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এর ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ...

Advertisement

আর্কাইভ

বহিস্কার
ক্যাম্পাস8 hours ago

জবি সাংবাদিক সমিতির বার্ষিক পঞ্জিকার মোড়ক উন্মোচন

বহিস্কার
ক্রিকেট9 hours ago

জয়ের ধারা অব্যাহত ম্যাশ বাহিনীর

বহিস্কার
ফুটবল9 hours ago

আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুটি ‘এল ক্লাসিকো’

বহিস্কার
ক্যাম্পাস10 hours ago

ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার

বহিস্কার
ক্রিকেট10 hours ago

সিলেটে এসে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন পাপন

বহিস্কার
ক্রিকেট10 hours ago

বিশ্বকাপের সেরা একাদশে বাংলাদেশের স্বর্ণা

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
জাতীয়10 hours ago

দেশ বিরোধী সংবাদ প্রচার বন্ধে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

বহিস্কার
জাতীয়10 hours ago

প্রধানমন্ত্রী ২ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন

বহিস্কার
জাতীয়11 hours ago

দেশে রাখার ক্ষেত্রে রোহিঙ্গারা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে: র‌্যাব ডিজি

বহিস্কার
ক্রিকেট11 hours ago

খুলনার বিপক্ষে রানের পাহাড় ম্যাশদের

বহিস্কার
বিএনপি11 hours ago

বিএনপির এ পদযাত্রা ‘গণতন্ত্রের’ জয়যাত্রা : মির্জা ফখরুল

বিএনপি
আওয়ামী লীগ12 hours ago

আওয়ামী লীগ কখনো পালিয়ে যায়নি : কাদের

বহিস্কার
জাতীয়19 hours ago

গণতন্ত্র ছিল বলেই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

বহিস্কার
ফুটবল1 day ago

গার্ডিয়ানের তালিকায় বর্ষসেরা ফুটবলার মেসি, শীর্ষে ব্রাজিলিয়ানরা

বহিস্কার
রাজশাহী2 days ago

বগুড়ায় হিরো আলমের প্রচারে নায়িকা মুনমুন

বহিস্কার
ফুটবল2 days ago

মার্টিনেজের আচরণের পর আইন পরিবর্তন যাচ্ছে ফিফা

বহিস্কার
আওয়ামী লীগ3 days ago

বিএনপির সন্ত্রাসের কারণে নতুন প্রজন্ম রাজনীতি করতে চায় না: শেখ পরশ

বহিস্কার
রাজনীতি3 days ago

পদত্যাগ করুন, অন্যথায় পালানোর পথ পাবেন না : মির্জা ফখরুল

বহিস্কার
জাতীয়3 days ago

ভারত গরু না দিলেই কৃতজ্ঞ থাকবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

একাধিকবার
অপরাধ3 days ago

লাদেনের সঙ্গে ফখরুলের একাধিকবার দেখা হয়: ডিএমপি

সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক : সৈয়দ আশিক রহমান

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বেঙ্গল টেলিভিশন লিমিটেড , ৪৩৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৫
ফোন : 01878-184154, ই-মেইল : contact.bayannotv@gmail.com
© 2022 bayanno.tv