Connect with us

বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ‘এ’ দল ঘোষণা, নেই মুমিনুল

Published

on

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দুটো চার দিনের ম্যাচ আর তিনটি একদিনের ম্যাচের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে- বিসিবি। সেখানেই জানা গেললো, ‘এ’ দলের উইন্ডিজগামী বিমানে উঠছেন না মুমিনুল। যদিও আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বেশ জোর দিয়েই বলেছিলেন, আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজে পাঠানো হবে মুমিনুল হককে।

আজ শুক্রবার দুপুরে এক বিবৃতিতে দল ঘটনের বিয়ষটি জানানো হয় বিসিবির পক্ষ থেকে।

মুমিনুলের জায়গা না হলেও ওপেনার সৌম্য সরকার আর ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমানের নাম আছে এই তালিকায়। তবে দুজনই আছেন সীমিত ওভারের স্কোয়াডে। এই দুই ব্যাটসম্যান ছাড়া শুধু সীমিত ওভারের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন নাঈম শেখ আর রাকিবুল হাসান।

তবে চারদিনের সিরিজের দলে জায়গা হয়নি তাদের। আপাতত সীমিত ওভারের ক্রিকেটের জন্যই ভাবা হচ্ছে তাদের।

আর শুধু চার দিনের স্কোয়াডে রাখা হয়েছে সাদমান ইসলাম, ফজলে রাব্বি, তানভির ইসলাম ও মোহাম্মদ এনামুল হককে। দুই স্কোয়াডেই আছেন, এমন ক্রিকেটারের সংখ্যা ১১।

Advertisement

প্রায় এক মাসের এই সফরে বাংলাদেশ ‘এ’ দল ঢাকা ছাড়বে আগামী ৩১ জুলাই। গিয়ে খুব একটা অনুশীলনের সুযোগ পাবেন না ক্রিকেটারা। ৪ আগস্টই নেমে পড়তে হবে লড়াইয়ে। সেন্ট লুসিয়ায় সেদিনই শুরু হবে চারদিনের ম্যাচে। সফরের সবকটি ম্যাচের ভেন্যুই সেই সেন্ট লুসিয়ায়। ১০ আগস্ট থেকে হবে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচ। ১৬ আগস্ট থেকে শুরু সাদা বলের লড়াই। এরপর ১৮ ও ২০ আগস্ট বাকি দুটি এক দিনের ম্যাচ খেলে দেশে ফিরবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

চারদিনের ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দল

সাদমান ইসলাম, সাইফ হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়, জাকির হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন, ফজলে রাব্বি মাহমুদ, শাহাদাত হোসেন দীপু, জাকের আলি অনিক, নাইম হাসান, তানভির ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, রেজাউর রহমান রাজা, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও মোহাম্মদ এনামুল হক।

একদিনের ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দল

সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, নাইম শেখ, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল হাসান জয়, জাকির হাসান, শাহাদাত হোসেন দীপু, জাকের আলি অনিক, সাব্বির রহমান, নাইম হাসান, রাকিবুল হাসান, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, রেজাউর রহমান রাজা, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।

Advertisement

জাতীয়

ড. ইউনূস ইস্যুতে পিটার হাসকে বাংলাদেশি-আমেরিকান প্লাটফর্ম’র চিঠি

Published

on

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আইনি জটিলতা নিয়ে ঢাকায়  নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের অলাভজনক প্ল্যাটফর্ম-দ্য কমিটি ফর এ ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বেআইনিভাবে বকেয়া অর্থ আটকে রাখার অভিযোগে ড. ইউনূসের কর্মচারীরা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

ওই চিঠিতে বলা হয়, নিম্নআদালত দেখেছে ড. ইউনূস নিজের করও পরিশোধ করছেন না। দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ড. ইউনূস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। তবে আশ্চর্যজনকভাবে ড. ইউনূস এখনও তার পরিণতির জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষারোপ করছেন।

ড. ইউনূস সম্পর্কে প্ল্যাটফর্মটির মতামত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে উপস্থাপনের জন্য পিটার হাসকে অনুরোধ করা হয়েছে। একই চিঠি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পলিটিক্যাল ডেস্ককেও পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে ড. ইউনূসকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনের সুবিধাভোগী বলে দাবি করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, তার ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি এবং গ্রামীণফোন ও গ্রামীণ ব্যাংকের মতো অন্যান্য উদ্যোগের লাইসেন্স প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দিয়েছে। এর প্রাথমিক মূলধনের জন্য ৫০০ কোটি টাকাও দিয়েছে।

কমিটি ফর এ ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশের প্ল্যাটফর্মটির পক্ষে চিঠিতে আহ্বায়ক খালিদ হাসান লিখেছেন,  ড. ইউনূসের  শক্তিশালী আমেরিকান লবি দেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট অভিভূত হয়েছিলেন বলে আমি মনে করি। আমার মতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ড. ইউনূসের নিয়ন্ত্রণাধীন সব উদ্যোগের জাতিসংঘের নিরীক্ষা চাওয়া উচিত। শেখ হাসিনাকে হত্যার ৪৩টি প্রচেষ্টার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সিআইএকে অবশ্যই জানতে হবে।

Advertisement

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চালানো গ্রেনেড হামলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই চিঠিতে।

চিঠিতে বলা হয়, বিএনপি নেতা তারেক রহমান বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন পরবর্তী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সংগঠকদের সমাবেশে নৃশংস গ্রেনেড হামলার ষড়যন্ত্র ও বাস্তবায়ন করেছেন। শেখ হাসিনা অলৌকিকভাবে রক্ষা পেয়েছেন।

ওই হামলায় আওয়ামী লীগের প্রথম সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ৩১ জন নিহত হন। বেঁচে যাওয়া বেশিরভাগই গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করতেই এ হামলা চালানো হয়েছিল বলেও  চিঠিতে দাবি করা হয়।

এ ঘটনায় কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারেরও সমালোচনা করা হয়েছে চিঠিতে।  ওই সময় ড. ইউনূসের নিরবতারও সমালোচনা করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, দুঃখজনকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ওইসময় তারা বিএনপি সরকারের পদত্যাগ চায়নি। বিস্ময়কর ছিল শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. ইউনূসের নীরবতাও। তিনি গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যার নিন্দা করেননি। এমনকি নিহতের পরিবার বা আওয়ামী লীগের নেতাদেরও সান্ত্বনা দেননি।

Advertisement

এমআর//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অপরাধ

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে পিএসসির উপপরিচালক ও গাড়িচালকসহ গ্রেপ্তার ১৭

Published

on

গেলো ১২ বছরে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ২ উপপরিচালক ও পিএসসির সাবেক চেয়াম্যানের গাড়ি চালক সৈয়দ আবেদ আলীসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বিসিএস পরীক্ষাসহ ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করলো সিআইডি।

গেলো রোববার (৭ জুলাই) রাতে বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে সিআইডি। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সিআইডির সাইবার বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি তৌহিদুল ইসলাম।

এদিকে বেসরকারি ওই  টেলিভিশন চ্যানেলে প্রতিবেদন প্রকাশের পরে ব্যাপক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাড়ি চালক আবেদের অঢেল সম্পদ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

জানা যায়, সৈয়দ আবেদ আলীর গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলার ডাসার  ঢাকায় ও গ্রামে একাধিক বাড়ি, গরুর খামার ও সম্পদের তথ্য মিলেছে তারই ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে। যদিও ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে বিত্তবৈভব বানিয়েছেন বলে দাবি তাঁর।

আই/এ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে ড. ইউনূসের আবেদন

Published

on

অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিভিশন আবেদন করেছেন নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (৮ জুলাই) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে এ আবেদন করেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

রিভিশন আবেদনের পর ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘টাকা আত্মসাতের মামলায় অযৌক্তিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। ওই অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করা হয়েছে। ‘

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চে শিগগিরিই এ আবেদনের শুনানি করা হবে বলেও তিনি জানান।

প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন এই মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আগামী ১৫ জুলাই এ বিষয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ রাখা হয়েছে।

Advertisement

গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীদের লভ্যাংশের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ৩০ মে মামলা করে দুদক।

এরপর চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার। দুদকের মামলায় আসামি ১৩ জন থাকলেও চার্জশিটে নতুন একজন আসামির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এমআর//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত

Exit mobile version