Connect with us

জাতীয় পার্টি

আওয়ামী লীগ জনগণের ঘাড়ে চেপে বসেছে : জিএম কাদের

Avatar of author

Published

on

আওয়ামী লীগ আগে জনগণকে ধারণ করলেও এখন তারা জনগণের ঘাড়ে চেপে বসেছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে আমি রেসপেক্ট করি। কিন্তু তিনি যেসব কথা বলছেন সেগুলো জনগণ আর বিশ্বাস করে না। বললেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

রোববার (১৯ মে) দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউজে কাদের এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন,  আওয়ামী লীগ আগে গাছের মতো ছিল। যেখানে জনগণ আশ্রয় নিতো। এখন সেটা পরগাছা হয়ে গেছে। তারা দেশের জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সামনের অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। আর সেজন্যই সাংবাদিকদের বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটা সরকারের একটা গণবিরোধী সিদ্ধান্ত এবং এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত।

তিনি দাবি করেন, দেশের রিজার্ভ এখন ১০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, যা এ যাবৎকালের সর্বনিম্ন। এসব আমাদের জন্য অশুভ সংকেত। দেশে টাকা নেই, প্রতিদিন রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। দেশে বিনিয়োগ আসছে না। যে অর্থ আসে তা বিদেশে চলে যাচ্ছে। ফলে ডলারের বিপরীতে দেশীয় টাকার চরম অবমূল্যায়ন হচ্ছে। দিন দিন টাকার ভ্যালু কমে যাচ্ছে

প্রসঙ্গত, এর আগে সার্কিট হাউসে এসে পৌছালে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগিত জানান।

Advertisement

আই/এ

Advertisement

জাতীয় পার্টি

নাতিপুতিদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কোটার যৌক্তিকতা নেই: জিএম কাদের

Published

on

জিএম কাদের

কর্মক্ষেত্রে মেধাকে মূল্যায়ন করতে সীমিত আকারে নারী এবং প্রতিবন্ধী কোটা রেখে সব কোটা বাতিল করা উচিত। এছাড়া স্বাধীনতার ৫৩ বছর পেরিয়ে নাতিপুতির জন্য মুক্তিযোদ্ধা কোটাও বহাল রাখার কোন যৌক্তিকতা নেই। বলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা জিএম কাদের।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রংপুর সেনপাড়ার স্কাই ভিউ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনা এবং জনমতে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষে। তাই কোটার মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টি না করে আন্দোলনকারীদের সব দাবি-দাওয়া দ্রুত মেনে নেয়া উচিত।

দুর্নীতিবাজদের প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, সরকার একটা সুবিধাভোগী এবং সুবিধাবাদী দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠী তৈরি করছে। বরাবরই এসব দুর্নীতিবাজদের আবার পৃষ্ঠাপোষকতাও করে যাচ্ছে তারা। ফলে দুর্নীতি করে রাতারাতি টাকার কুমির হয়েও আইনের ফাঁকফক্কর দিয়েও পার পেয়ে যাচ্ছে দেশের হাজারও মহারথী দুর্নীতিবাজরা।

তিনি আরও বলেন, এই ধারার ভবিষ্যৎ ভালো না। তাই দুর্নীতিবাজদের রুখতে সরকারকে আরও কঠোর ভূমিকা রাখতে হবে।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয় পার্টি

সরকার আস্থাহীনতায় ভুগছে: জিএম কাদের

Published

on

মুক্তিযোদ্ধা কোটা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং যাদের জন্য পেনশন স্কিম তারা যদি গ্রহণ না করে তাহলে জোর করে চাপিয়ে দেয়া অনুচিত। সরকারের ওপর আস্থা না থাকায় ছাত্র ও চাকরিজীবীরা যৌক্তিক আন্দোলন করছে। বলেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

সোমবার (৮ জুলাই) বিকেলে রংপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় ছাত্র ও শিক্ষকদের চলমান আন্দোলন নিয়ে জিএম কাদের বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ও পেনশন স্কিম নিয়ে ছাত্র ও চাকরিজীবীদের আন্দোলনের সঙ্গে জাতীয় পার্টি একমত। সরকার প্রচণ্ডভাবে আস্থাহীনতায় ভুগছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে জিএম কাদের বলেন, সরকার ঋণ নিয়ে অনেক মেগা প্রজেক্ট করছে, সেই ধারাবাহিকতায় তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা দরকার। নিজস্ব অর্থায়নে না হলেও ঋণ কিংবা কোনো দেশকে ভালো সুযোগ-সুবিধা দিলে তা গ্রহণ করে হলেও আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনা চাই।

উল্লেখ্য, এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দরা।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয় পার্টি

দেশকে এগিয়ে নিতে কোটা পদ্ধতি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে: জিএম কাদের

Published

on

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে। আমাদের দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কোটা পদ্ধতি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোটা পদ্ধতি বাংলাদেশের সংবিধানের ২৯ এর ১,২,৩ এর সম্পূর্ণ পরিপন্থি। সংবিধান সশোধন করে এটাকে বৈধ করতে পারবে না। বলেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি।

শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে গাজীপুরের সাগরসৈকত কনভেনশন হলে গাজীপুর জেলা জাতীয় পার্টির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত ২৯ এর ১,২,৩ ধারা পরিবর্তন করার ক্ষমতা সংবিধানে দেয়া হয়নি। এদেশের মানুষ হাজার বছর ধরে বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। আমাদের মধ্যে ডিভাইড অ্যান্ড রুল করে বৈষম্য করা হয়। কিছু সংখ্যক লোককে সুবিধা দিতে বেশির ভাগ মানুষকেই বঞ্চিত করা হয়। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন ও পাকিস্তান সৃষ্টির আন্দোলনে বাঙালিরা ভূমিকা রেখেছে শুধু বৈষম্য থেকে মুক্তি পেতে। পরবর্তীতে পাকিস্তানীরাও আমাদের সাথে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তানিরা আমাদের দারিদ্রসীমার নিচে থাকতে বাধ্য করেছিল। ফলে প্রথমে স্বাধিকার আন্দোলন এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা-সংগ্রামের মধ্যদিয়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করি। বর্তমানে আওয়ামী লীগ আবার ডিভাইড অ্যান্ড রুলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। তারা সমাজকে বিভক্ত করেছে। শাষক শ্রেণি এই দেশকে ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক সম্পত্তি মনে করে। তারা আইনের ঊর্ধ্বে এবং পছন্দ মতো আইন তৈরি করে।
আজ শনিবার দুপুরে গাজীপুরের সাগরসৈকত কনভেনশন হলে গাজীপুর জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, শাসক শ্রেণির কাছে প্রথম শ্রেণির নাগরিক হচ্ছে পিউর আওয়ামী লীগ ও তাদের লাঠিয়াল বাহিনী। সরকারের কাছে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হচ্ছে ভেজাল আওয়ামী লীগ। আর তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক হচ্ছি আমরা সাধারণ জনগণ। বাংলাদেশে আমাদের কোনো অধিকার নেই? আমাদের সন্তানদের চাকরি পাওয়ার অধিকার নেই? আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই? প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকদের সার্ভ করার জন্য যে প্রশাসন দরকার তার জন্য অনুপযুক্ত মানুষকেও বসিয়ে দিতে চায় সরকার। আর এজন্যই কোটা পদ্ধতি সৃষ্টি করা হয়েছে। যেহেতু সংবিধান কোটা পদ্ধতি সমর্থন করেনা- তাই, আশঙ্কায় আছি আইনের বাস্তবায়ন কিভাবে করা হয় তা দেখার জন্য। আমরা আশাবাদী হতে চায়। বৈষম্য বিরোধী এই আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হচ্ছে আমাদের জাতীয় শহীদ মিনার। আমাদের শহীদ মিনার হচ্ছে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আত্মাহুতির প্রতীক।

Advertisement

এসময় গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরো বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থা ভালো নয়। শুধু আওয়ামী লীগ ছাড়া সবাই এই কথার সাথে একমত। দেশের সাধারণ মানুষ অর্থের অভাবে ডিমও খেতে পারছে না। সাধারণ মানুষ অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে আর অন্যদিকে মানুষের আয় কমছে। ডলারের সাথে আমাদের টাকার অবমূল্যায়ন হচ্ছে। আগে এক ডলারে আমদানী পণ্য ৭০ থেকে ৮০ টাকায় কেনা যেতো, এখন সেই পণ্য কিনতে ১২৫ থেকে ১৫০ টাকা খরচ হচ্ছে। জিনিস পত্রের দাম বাড়ছে তাই মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমছে। ডলার সংকটের কারনে আমদানী কমিয়ে আনা হয়েছে। রফতানি ও প্রবাসী আয় কমছে, তাই আমাদের রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। তাই সারাবিশ্ব বলছে এই দেশের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করা যাবে না। বিদেশীদের যারা ব্যবসা করছে তারা ব্যবসা করতে পারছে না, তাই বিদেশী বিনিয়োগও কমে গেছে। বাজারে জীবন রক্ষাকারী ইনসুলিন পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে ভেজাল অসুধে সয়লাব। অসুধের কাঁচামাল আসছে না, তাই ভেজাল অসুধে কয়েকটি বাচ্চা মারা গেছে। সাধারণ মানুষের জীবন ঝুকির মধ্যে পড়েছে। ভেজাল এনেস্থেশিয়া দেয়া হচ্ছে। সরকার তার দায়িত্ব পালন করছে না। এখন আইএমএফ থেকে যে টাকা এসেছে তাতে কিছু সময়ের জন্য আমাদের রিজার্ভ বাড়বে।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত