Connect with us

শিক্ষা

১৫ বছর পর কলেজে ফিরলেন শাহেদুল খবির

Avatar of author

Published

on

কলেজে

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের একজন প্রভাবশালী পরিচালককে বদলি করা হয়েছে। অধিদপ্তরের দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তি কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরীকে ঢাকার বিজ্ঞান কলেজে বদলি করা হয়েছে।

বুধবার (৫ জুন) তাকে বদলির আদেশ দেয়া হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সেটি প্রকাশ করা হয়েছে।

শিক্ষা ক্যাডারে চাউর রয়েছে, এই ক্যাডারে শাহেদুল খবিরের চেয়ে বড় প্রভাবশালী কর্মকর্তা দ্বিতীয়জন কেউ নেই। তিনি বর্তমানে শিক্ষা ক্যাডারের সংগঠন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার সমিতির বর্তমান সভাপতি। আগামী ৯ জুন এ সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে তিনি আবার সভাপতি প্রার্থী। নির্বাচনে ঠিক তিনদিন আগে তাকে বদলি করায় সবাই এটি নিয়ে কানাঘুষা করছেন। তবে ঠিক কী কারণে তাকে বদলি করা হয়েছে, এ ব্যাপারে কেউ অফিসিয়াল বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

শাহেদুল খবির চৌধুরী সর্বশেষ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হওয়ার দৌড়েছিলেন। শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা বলছেন, তিনি শিক্ষা প্রশাসনের দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তি হিসেবে আসন্ন সমিতির নির্বাচনে নানাভাবে প্রভাব বিস্তার করছিলেন। অন্য প্যানেলগুলো শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেলের কাছে অভিযোগ করার পর তদন্ত করে এর প্রমাণ মেলায় তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে শিক্ষা অধিদপ্তর, পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, মাদ্রাসা অধিদপ্তর, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর নিউ ডিগ্রি কলেজ, নায়েম ও কয়েকটি কলেজের প্রধানদের প্রভাবিত করা হচ্ছিল।

Advertisement

শাহেদুল খবির চৌধুরী বর্তমান সরকারের শুরু থেকে অর্থাৎ, ২০০৯ সাল থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এবং মাউশি অধিদপ্তরে চাকরি করছেন। গেলো সাড়ে ১৫ বছরে একদিনের জন্যও তিনি সরকারি কোনো কলেজে চাকরি করেননি। তিনি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে স্কুল পরিদর্শক, পরে সচিব ছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি মাউশি অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) হিসেবে পদায়ন পান।

তার বিরুদ্ধে মাউশির একটি নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

কেএস/

Advertisement

শিক্ষা

অনুমোদন পেলো নতুন যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

Published

on

দেশে নতুন করে আরও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ‘জাস্টিস আবু জাফর সিদ্দিকী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়টি হবে কুষ্টিয়ায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় গেলো রোববার (৭ জুলাই) মোট ২২টি শর্তে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দিয়ে আদেশ জারি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান নার্গিস আফরোজকে চিঠি দিয়েছে, তা জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টিকে দেয়া শর্তের মধ্যে আছে সাময়িক অনুমতির মেয়াদ হবে সাত বছর, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন থাকতে হবে। ন্যূনতম তিনটি অনুষদ এবং এসব অনুষদের অধীন কমপক্ষে ছয়টি বিভাগ থাকতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে সংরক্ষিত তহবিলে কমপক্ষে দেড় কোটি টাকা যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে জমা থাকতে হবে। এ রকমভাবে মোট ২২টি শর্ত মানতে হবে।

উল্লেখ্য, এটি নিয়ে দেশে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১১৫টিতে। দেশে ১৯৯২ সাল থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া শুরু হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানো ও শিক্ষার্থীদের বিদেশে চলে যাওয়া নিরুৎসাহিত করা। শুরুর দিকে বেশ ভালো ছিল। এমনকি শুরুর দিকের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই মূলত এখনো ভালো করছে। কিছু নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ও ভালো করছে। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। এমন কি কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা খুবই খারাপ, যা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একাধিক তদন্ত প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

পছন্দের কলেজ পাননি প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী

Published

on

শিক্ষার্থী

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির তৃতীয় ও শেষ ধাপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলের জরিপে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ পাওয়া ৭০০ শিক্ষার্থী কোথাও ভর্তি হতে পারেনি। এছাড়া কলেজ ভর্তির সুযোগ পাননি প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশের পর এমন তথ্য উঠে আসে। এদিকে শনিবার বিষয়টি নিয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানায়, যারা আবেদন করেও কলেজ পায়নি তাদের জন্য এবার এনালগ (সরাসরি) পদ্ধতিতে ভর্তির সুযোগ দেয়া হবে ।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জানান, ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী তিন ধাপে আবেদন নেয়ার কথা ছিল। তিন ধাপ শেষেও ১২ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী কলেজ বরাদ্দ পাননি। তার মধ্যে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ৭০০ জনের মতো রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এর বিপরীতে কলেজে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে ২৫ লাখের মতো। অর্থাৎ সব শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও ৮ লাখের বেশি আসন ফাঁকা থাকার কথা। এরপরেও শিক্ষার্থীদের ভর্তিবঞ্চিত হওয়ার কারণ পছন্দের কলেজ না পাওয়া।

ভর্তি তথ্যানুযায়ী, তিন ধাপে আবেদনের পর ফল প্রকাশ, নিশ্চায়ন ও মাইগ্রেশন শেষে ১৫ জুলাই থেকে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে যা চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে আগামী ৩০ জুলাই সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে।

Advertisement

 

কেএস/

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

মাধ্যমিকের ৩৬ শিক্ষক-কর্মচারীকে শোকজ

Published

on

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাধ্যমিকের ৩৬ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে ছুটি ছাড়া বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় শোকজ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।

গেলো বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে মাউশি অধিদফতরের সহকারী পরিচালক জিয়াউল হায়দার হেনরীর স্বাক্ষর করা এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত পরিদর্শনের প্রতিবেদন (মার্চ, ২০২৪ মাসের) মাউশি অধিদফতরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং থেকে মাধ্যমিক উইংয়ে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে নিজ নিজ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে স্কুলে অনুপস্থিত থাকার স্পষ্ট কারণ উল্লেখ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাধ্যমিক স্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় এই ৩৬ জনকে প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত পাওয়া যায়।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত