Connect with us

বলিউড

সোনাক্ষী সিনহার বিয়ে ঠিক, এবার উরফির পালা!

Avatar of author

Published

on

ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব উরফি জাভেদ। সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহার বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক। সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে ২৩ জুন বিয়ের পিড়িতে বসবেন বলিউড ডিভা। পাত্র দীর্ঘদিনের বয়ফ্রেন্ড জাহির ইকবাল। এবার বলিপাড়ায় আরেকজনের বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি হচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ার পরিচিত মুখ উরফি জাভেদ। সম্প্রতি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ওরহান অবত্রমানি  ওরফে ‘ওরি’র সঙ্গে একটি ভাইরাল ভিডিও ওই গুঞ্জনকে আরো বেগবান করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্রায়ই সরগরম থাকে উরফি জাভেদ ও ওরিকে নিয়ে। দু’জনের ব্যতিক্রমী সাজ ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনার শেষ নেই। এই দুই নেট-প্রভাবী যদি প্রেমের সম্পর্কে জড়ান বা বিয়ে করেন তা হলে কেমন হয়? এই জল্পনা অবশ্য উসকে দিয়েছেন স্বয়ং উরফি ও ওরি।

শুক্রবার রাতে ছবিশিকারিদের ক্যামেরায় একসঙ্গে ধরা পড়েন তারা। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে বেশ কিছু ছবি তোলেন উরফি ও ওরি। একসময় ওরির গাল ছুঁয়ে যায় উরফির ঠোঁট। তাদের এই রসায়ন দেখেই ছবিশিকারিদের একজন জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনারা কি বিয়ে করবেন?’ সেই উত্তরে অসম্মতি জানাননি ওরি বা উরফি কেউই।

বরং এক প্রকার সম্মতি জানিয়ে ওরি বলেন, ‘কেন করবনা! উরফিকে কে বিয়ে করতে চাইবে না!’ এই পুরো ঘটনার ভিডিও এই মুহূর্তে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উরফি আর ওরির জুটি মনে ধরেছে নেটাগরিকদেরও।

নেটিজেনদের একজন মন্তব্য করেন, ‘এদের দু’জনকে একসঙ্গে দেখে খুব ভাল লাগছে। দু’জনকে খুব মানিয়েছে।’ আর একজনের মন্তব্য, ‘সত্যিই ঈশ্বর সকলের জন্য একজন সঙ্গী ঠিক করে রাখে। এই হল সেরা জুটি।’

Advertisement

এর আগেও ছবিশিকারিদের ক্যামেরায় একসঙ্গে ধরা পড়েছেন উরফি ও ওরি। ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবেই দু’জন পরিচিত। বলিউডের তারকা সন্তান অনন্যা পাণ্ডে, সুহানা খানদের সঙ্গে প্রায়ই পার্টি করতেও দেখা যায় ওরি-উরফিকে।

কে এই ওরি?

বলিউডে যেকোনো পার্টি হোক কিংবা বিয়ে বাড়ি অথবা জন্মদিন-ওরি ছাড়া যেন অনুষ্ঠান অসম্পূর্ণ। বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গেই পোজ দিয়ে ছবি তুলতে দেখা যায় তাকে। বলা যায়, ওরি এখন তারকাদের চোখের মণি।

জাহ্নবী কাপুর, সুহানা খান থেকে সারা আলি খান, অনন্যা পান্ডে থেকে দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ, সালমান খানের মতো তারকাদের পাশেও দেখা গেছে এই উঠতি তারকাকে।

ছবিতে অভিনয় না করলেও ওরির সাথে ছবি নেই, এমন তারকা খুঁজে পাওয়া যাবে না। সংবাদ প্রতিদিন, আনন্দবাজারসহ একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, তারকাদের সাথে ছবি তুলেই ওরি লাখ লাখ রুপি উপার্জন করেন! আর সেই অর্থের পরিমাণ হয়ে ওঠে দৈনিক ২০-৩০ লাখ রুপি থেকে ৫০ লাখ রুপি।

Advertisement

ভারতীয় গণমাধ্যম ‍এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, লিঙ্কডইন প্রোফাইল অনুসারে ওরি মুম্বাইয়ের একজন সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারপারসন অফিসের বিশেষ প্রকল্প ব্যবস্থাপক।  ওরি নিউইয়র্কের পার্সনস স্কুল অফ ডিজাইন থেকে ফাইন আর্টস এবং কমিউনিকেশন ডিজাইনে স্নাতক করেছেন। ইনস্টাগ্রামে চার লাখেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে তার।

এমআর//

Advertisement

বলিউড

অবশেষে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্ট

Published

on

এ যেনো এক স্বপ্নের বিয়ে। এমন রাজকীয় বিয়ের সাক্ষী নিকট অতীতে হয়নি গোটা ভারত। রাজনীতি থেকে গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রি এবং বিশ্বের বড় বড় ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন বিয়ের অনুষ্ঠানে। গেল ১২ জুলাই, শুক্রবার অনন্ত আম্বানির সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন রাধিকা মার্চেন্ট।

বলিউড থেকে শুরু করে পশ্চিমা বিনোদন জগতের সবাই বিয়ের অনুষ্ঠান আলোকিত করেন। এ দিন ছাদনাতলায় যাওয়ার আগে দাদা ধীরুভাই আম্বানির থেকে আশীর্বাদ নেন অনন্ত । পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতি-রেওয়াজ মেনে আম্বানি ছেলে ‘শেহেরাবন্দি’ অনুষ্ঠান পালন করেন। দাদা-বউদি আকাশ-শ্লোক এবং বোন-জামাই ইশা-আনন্দ সকলেই অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে আগত অতিথিদের আপ্যায়ণে কড়া নজর রেখেছিলেন।

অনন্ত-রাধিকার বিয়ের থিম ছিল ‘অ্যান অড টু বারাণসী। যা উৎসর্গ করা হয়েছে বারাণসীকে। বিয়ের থিমের সঙ্গে মিলিয়ে গোলাপি পোশাকে সেজেছিলো আম্বানি পরিবার। অতিথি আপ্যায়ণে বিশেষ মেন্যুর ব্যবস্থা ছিলো। অনন্তের মা নীতা আম্বানির প্রিয় বারাণসী স্ট্রিট ফুড প্রাধান্য পেয়েছিলো নৈশভোজের তালিকায়। এলাহি বারাণসী স্পেশাল চাট, মিষ্টি, লস্যি, চা, খারি, পান এবং মুখসুদ্ধির মতো নানান পদ ছিল। সোনার মঙ্গল প্রদীপ হাতে ছেলের বরযাত্রীতে দেখা গিয়েছে নীতা আম্বানিকে। গেল দেড় বছর ধরে অনন্ত-রাধিকার স্বপ্নের বিয়ের প্রস্তুতি নিয়েছিল আম্বানি পরিবার। কখনও দেশে কখনও বিদেশে তারকাখচিত পার্টির ঝলক দেখেছে নেট দুনিয়া। এবার জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন অনন্ত-রাধিকা।

এসআই/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বলিউড

ঢাকা মাতাবেন রাহাত ফাতেহ আলী খান

Published

on

গুণী তারকাদের আগমনে বার বার মুখরিত হয়ে ওঠে রাজধানী। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রাহাত ফাতেহ আলী খান। আগামী ২০ জুলাই ঢাকায় আসবেন এই গুনী সংগীতশিল্পী।

ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ই-কমার্স সাইট বাই হেয়ার নাউ (বিএইচএন) নিশ্চিত করেছে ফাতেহ আলী খান আসার বিষয়টি।

ওই পোস্টে জানানো হয় , আগামী ২০ জুলাই ২০২৪-এ রাহাত ফাতেহ আলী খানের মায়াবী সুরে মুগ্ধ হতে চলে আসুন। রাহাত ফাতেহ আলী খানের একটি ভিডিও জুড়ে দেয়া হয়েছে ওই স্ট্যাটাসের সঙ্গে। সেখানে প্রি-রেজিস্টেশনের জন্য যোগ করা হয়েছে ইভেন্ট লিঙ্ক। তার গান উপভোগ করতে চাইলে প্রি-রেজিস্টেশন করতে হবে। পরে টিকিট মূল্য ও ভেন্যু জানিয়ে দেয়া হবে।

এর আগেও ব্যাপক সফলতা রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটির। গেলো মাসে বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপালকে দিয়ে রাজধানীতে একটি আয়োজন করেছিল তারা। সংগীতশিল্পী লাকী আলীকেও ঢাকায় এনেছিল তারা।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় ও সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া গায়ক রাহাত ফাতেহ আলী খান । বলিউডেও বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে মুসলিম সুফি হিসেবে ভক্তিমুলক গান গাইতেন। ওস্তাদ নুসরাত ফাতেহ আলী খানের ভাস্তে রাহাত ফাতেহ আলী খান এবং ওস্তাদ ফররুখ ফাতেহ আলী খানের পুত্র।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বলিউড

হার্দিক-নাতাশার সম্পর্ক নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন দম্পতির ঘনিষ্ঠ বন্ধু

Published

on

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের একেবারে শেষ ওভারে হার্দিক পান্ডিয়ার বোলিং মন জয় করে নিয়েছে তাঁর সমালোচকদেরও। কিন্তু তাঁর পারিবারিক অশান্তি কি মিটেছে? ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী নাতাশা স্ট্যাঙ্কোভিচের সঙ্গে টানাপড়েন যেন থামছেই না এই ক্রিকেটারের।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারকা দম্পতির এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছেন, হয়তো নাতাশা-হার্দিকের সম্পর্কের ফাটল মেরামত হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। সেক্ষেত্রে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দেশের জয় কোনো বিশেষ ভূমিকা নিতে পারছে না। ওই বন্ধু জানিয়েছেন, ‘সম্পর্ক সম্ভবত শেষ।’

তাঁর দাবি, নাতাশা এবং হার্দিক তাদের মান-অভিমানের পালা মিটিয়ে একত্রিত হওয়ার মতো অবস্থায় নেই। ফলে এটা স্পষ্ট যে, হার্দিক ও তার স্ত্রী নিজেদের সম্পর্ক শুধরে নিতে রাজি নন। সামাজিকমাধ্যমে তাদের বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কিছুদিন আগে। ইতিমধ্যেই হার্দিক ও নাতাশা তাদের সামাজিকমাধ্যম থেকে একে অপরের সমস্ত ছবি মুছে দিয়েছেন। বিশ্বকাপ জয়ের পর হার্দিকের উদ্দেশে একটি শুভেচ্ছাবার্তাও জানাননি নাতাশা।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপ জয়ের পর ফোনে কাঁদতে দেখা গিয়েছে হার্দিককে। তখন অনুমান করা হয়েছিল, স্ত্রীর সঙ্গেই আনন্দাশ্রু ভাগ করে নিচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেটার। কিন্তু ঘনিষ্ঠ মহল থেকে যে ধরনের কথা শোনা যাচ্ছে তাতে এই সম্ভাবনা ক্ষীণ হচ্ছে। দম্পতির ওই বন্ধু অবশ্য শেষ পর্যন্ত বলেছেন, ‘কেউ জানে না ভবিষ্যতে কী ঘটবে। কিন্তু বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে হার্দিক এবং নাতাশার সম্পর্ক ঠিক হওয়ার আশা নেই। সম্ভবত, এটা শেষ হয়ে গিয়েছে।’

২০২০ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন নাতাশা এবং হার্দিক, ২০২৩ সালে রাজস্থানের উদয়পুরে বিয়ের জমকালো অনুষ্ঠান হয়েছিল। হিন্দু এবং খ্রিস্টান মতে বিয়ে করেছিলেন এই দম্পতি।

Advertisement

এসআই/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত