Connect with us

রেসিপি

বাসি রুটি দিয়েই নতুন কিছু…

Avatar of author

Published

on

রুটি

অনেকেই আছেন যারা রাতে রুটি খান। সব সময় তো আর হিসাব করে রুটি বানানো যায় না। দেখা যায় যতটুকু প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি রুটি বানানো হয়েছে। ফলে কিছু রুটি বাসি হয়ে যায়। আবার বাইরে কোথাও খেয়ে এলে ঘরে তৈরি রুটিগুলি পড়েই থাকে। বাসি হয়ে গিয়েছে বলে এত পরিশ্রম করে তৈরি করা রুটিগুলি ফেলে না দিয়ে বরং ওই রুটিগুলি দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন নতুন কোনও খাবার। আজ তাই রইল বাসি রুটি থেকে তৈরি করা নতুন কিছু খাবারের রেসিপি-

রুটি-রোল

ফ্রাইপ্যানে সামান্য অলিভ অয়েল নিয়ে তাতে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এবার লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে ক্যাপসিকাম,গাজর, সেদ্ধ চিকেন দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। স্বাদ আরও বাড়াতে চাইলে মেয়োনিজ দিতে পারেন।

রুটি

এবার রুটির দু’পাশে সামান্য মাখন লাগিয়ে নিন। বানিয়ে রাখা মিশ্রণটি রুটির মাঝে রাখুন। টমেটো সস ছড়িয়ে দিন। রুটিটি একভাঁজ করে প্যানে সেকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে রুটি ট্যাকোস।

রুটি নুডলস

বাসি রুটি দিয়েই বানিয়ে নিতে পারেন চটজলদি নুডলস। পাঁচ-ছ’টা রুটি নিয়ে সরু সরু করে কেটে নিন। এবার কড়াইতে সামান্য তেল নিয়ে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি দিয়ে হালকা ভেজে নিন। ক্যাপসিকাম, গাজর, সেদ্ধ চিকেন দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। পরিমাণ মতো লবণ ও গোলমরিচ দিন। টমেটো সস, চিলি সস, ভিনিগার ও সয়া সস দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার রুটিগুলি দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। স্বাদ আরও বাড়াতে ডিম ভাজাও দিতে পারেন।

রুটির কোপ্তা

ছানা, মাংসের কোপ্তা তো খেয়েছেন। কিন্তু রুটির কোপ্তার কথা কি জানতেন? এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই না বলবেন। বাসি রুটি দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন এই খাবারটি। নতুন এই রেসিপিটি বানাতে সেদ্ধ আলু, বিনস, গাজর এবং পছন্দ অনুযায়ী আরও কিছু সব্জি সিদ্ধ করে ভাল করে মেখে নিন।

Advertisement

রুটি

এবার বাসি রুটির টুকরোগুলি পানিতে ভাল করে ধুয়ে সব্জির ওই মিশ্রণটির মধ্যে দিয়ে দিন। এবার একসঙ্গে সবগুলি মেখে ডোবা তেলে ভেজে নিলেই তৈরি রুটির কোপ্তা।

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

রেসিপি

চিকেন টিকিয়া তৈরির রেসিপি

Published

on

চিকেন খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। মুরগি দিয়ে কত রকমের মজাদার খাবার যে তৈরি হয় রসনাবিলাসী বাঙালিদের হেঁসেলে! সাধারণত বিফ কিংবা মাটন দিয়ে টিকিয়া বানানো হয়। কিন্তু চিকেন দিয়েও খুব সহজ রেসিপিতে মজাদার টিকিয়া বানিয়ে নেয়া যায়! যারা কাবাব, টিক্কা বা কাটলেট জাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করে, তাদের জন্য রইল চিকেন টিকিয়া বানানোর পুরো রেসিপি।
উপকরণ
মুরগির বুকের মাংস বা চিকেন ব্রেস্ট পিস- ৫০০ গ্রাম
ছোলার ডাল- ১/২ কাপ
আদা বাটা- ১ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুঁচি- ১ টেবিল চামচ
কাঁচামরিচ কুঁচি- ১ চা চামচ
গোলমরিচের গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
ডিম- ১টি
গরম মসলার গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
লবণ- স্বাদ অনুযায়ী
তেল- ভাজার জন্য
প্রস্তুত প্রণালী
১. প্রথমে সামান্য পানি দিয়ে ছোলার ডাল সেদ্ধ করে নিতে হবে। আর মুরগির বুকের মাংস মিহি কিমা করে নিন।
২. এবার একটি প্যানে তেল দিয়ে গরম করে তাতে লবণ, চিকেন কিমা, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা গুঁড়ো ও গরম মসলার গুঁড়ো দিয়ে দিন।
৩. সব মসলার সাথে মুরগির মাংসের কিমা খুব ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। চিকেন কিমা সেদ্ধ হয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিন।
৪. মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে এতে সেদ্ধ করে রাখা ছোলার ডাল মিশিয়ে দিন।
৫. তারপর একে একে পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচামরিচ কুঁচি ও গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।
৬. একটি ডিম ফাটিয়ে নিয়ে চিকেনের মিশ্রণে যোগ করুন। সব উপকরণ একসাথে চটকিয়ে নিতে হবে।
৭. এবার হাতের তালুতে একটু তেল মেখে চিকেনের এই মিশ্রণ থেকে একটু করে নিয়ে টিকিয়ার আকারে শেইপ দিয়ে দিন। আপনার পছন্দ অনুযায়ী ছোট বা মাঝারী আকারে টিকিয়ার শেইপ করে নিবেন।
৮. অন্যদিকে একটি প্যানে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে আসলে টিকিয়াগুলো আস্তে আস্তে এতে ছেড়ে দিন।
৯. চিকেন টিকিয়াগুলো ডীপফ্রাই করতে পারেন অর্থাৎ ডুবো তেলে ভাজতে পারেন। আবার অল্প তেল দিয়েও ফ্রাই করে নিতে পারেন।
১০. মাঝারী আঁচে টিকিয়াগুলো ভেজে নিন। একপাশ ভাজা হয়ে গেলে সাবধানে উলটিয়ে দিন।
১১. যেহেতু ছোলার ডাল ও মুরগির কিমা আগেই সেদ্ধ করে নেওয়া, তাই খুব বেশি সময় ধরে ভাজার দরকার নেই! গোল্ডেন কালার হয়ে গেলেই তেল থেকে নামিয়ে কিচেন টিস্যুতে রাখুন।
ব্যস, চিকেন টিকিয়া তৈরি হয়ে গেলো! পোলাও, খিচুড়ি বা গরম গরম ভাতের সাথে এটি দারুণ মানিয়ে যাবে। আবার বিকালে স্ন্যাকস হিসাবেও পছন্দের সসের সাথে পরিবেশন করতে পারবেন সুস্বাদু এই আইটেমটি।
জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রেসিপি

নবাবী সেমাাই রেসিপি

Published

on

নবাবী

আমরা সবাই কম বেশি সেমাইয়ের সঙ্গে পরিচিত। আমরা সবাই-ই সেমাই রান্না করতে জানি। কিন্তু আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম নওয়াবি সেমাই-এর রেসিপি। এটা এতটাই মজাদার যে, খেয়ে মনে হবে, আপনি যেন কোনো রাজাদের বাড়িতে রাজ ভোজনে আছেন! তাহলে চলুন যেনে নেই কী করে এই স্পেশাল নওয়াবি সেমাই-টি তৈরি করতে হয়।

উপকরণ

২ টেবিল চামচ ঘি

২ প্যাকেট লাচ্ছা সেমাই (প্রতি প্যাকেট ১৮০ গ্রাম করে)

১ কাপ চিনি

Advertisement

৩ টেবিল চামচ গুঁড়া দুধ

কাজু ও পেস্তা বাদাম ক্রাশ করা ১ টেবিল চামচ

ক্রিম তৈরির জন্য-

১ লিটার দুধ

১ কাপ কনডেন্স মিল্ক

Advertisement

১/২ কাপ গুঁড়া দুধ

১/২ কাপ ডানো অথবা নেসলে ক্রিম (সুপারশপে পেয়ে যাবেন)

৪ টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার

প্রণালী

(১) একটি ফ্রাই প্যানে ঘি দিন। ঘি একটু গরম হয়ে এলে লাচ্ছা সেমাইটি নেড়েচেড়ে হালকা করে ভেঁজে নিন। কিছুটা ভাঁজা হয়ে গেলে চিনি দিয়ে দিন এবং ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

Advertisement

চিনি ভালো করে মিশে যাওয়ার পর গুঁড়া দুধ দিয়ে ৬-৭ মিনিট নাড়াচাড়া করে রান্না করতে হবে। সেমাইয়ের রঙটি হালকা বাদামি হয়ে এলে নামিয়ে রাখুন।

(২) এরপর ক্রিম তৈরি করার পালা। ১ লিটার দুধকে জ্বালিয়ে ১/২ লিটার করে নিতে হবে। এখন চুলায় মিডিয়াম আঁচে এই দুধের মধ্যে দিয়ে দিন কনডেন্স মিল্ক এবং গুঁড়া দুধ।

ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর ক্রিম দিয়ে ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে, কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে হ্যান্ড বিটার দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে স্মুথ করে ফেলুন। ১০ মিনিট পর্যন্ত রান্না করতে থাকুন যা একটি ঘন ক্রিমে পরিনত হবে।

(৩) এখন ভেঁজে রাখা সেমাইগুলো একটি সারভিং ডিসে ১/৪ ভাগ ছড়িয়ে তুলে নিন। এরপর পুরো সেমাইটির উপরে সব ক্রিমগুলো আলতোভাবে ঢেলে দিন। এখন ৪-৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।

ঠাণ্ডা হয়ে আসলে বাকি সেমাইটুকু হাত দিয়ে উপরে ভালোভাবে ছড়িয়ে দিন। এখন এর উপরে কাজু ও পেস্তা বাদাম সুন্দর করে ছড়িয়ে দিন।তৈরি হয়ে গেল মজাদার নওয়াবি সেমাই। উপভোগ করুন সবাই মিলে।

Advertisement

 

কেএস/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রেসিপি

লাউয়ের চারটি রকমারি রেসিপি

Published

on

লাউ

পেট ঠান্ডা রাখতে লাউয়ের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু অনেকেই লাউ খেতে চান না। তাই একঘেয়ে লাউয়ের রান্না না করে এবার বরং কিছু অন্যরকম ট্রাই করুন। যদিও রন্ধন পটিয়সীদের ভালোই জানা যে ঠাকুমা-দিদিমাদের আমলে লাউয়ের কতরকম পদ দিয়ে খাওয়া হত। তাই ঝটপট জেনে নিন কিছু রেসিপি।

 

ছোলার ডাল দিয়ে লাউ ঘন্ট

উপকরণ

ঘণ্টর মতো কুচো করে কাটা লাউ ভাপিয়ে নেয়া

Advertisement

১ কাপ সেদ্ধ ছোলার ডাল

২ টেবিল চামচ সাদা তেল

২ টি তেজপাতা

২ টি শুকনো মরিচ

১ চা চামচ গোটা জিরা

Advertisement

১ টেবিল চামচ আদা, কাঁচা মরিচ বাটা

১ চা চামচ হলুদগুঁড়ো

গরমমশলা ১ চাচামচ

স্বাদ মত লবণ-চিনি

প্রণালী

Advertisement

একটা পাত্রে তেল গরম করে তেজপাতা, শুকনো মরিচ ও জিরে ফোড়ন দিয়ে নিতে হবে। এবার এতে ডাল দিয়ে আদা ও কাঁচা মরিচ বাটা, হলুদ, লবণ দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন। এতে সামান্য পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। এবার লাউ দিয়ে মিশিয়ে নিন। মাখো মাখো হয়ে এলে উপর দিয়ে গরম মশলা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।

 

লাউ কুমড়ো বড়ি ঘন্ট

উপকরণ

১ টি গোটা লাউ কুচি করা

Advertisement

একফালি বড় সাইজের কুমড়ো (ডুমো করে কাটা)

৬-৭ টা ডালের বড়ি

১ চা চামচ রাঁধুনি, জিরে

১ চা চামচ কাঁচা মরিচ কুচি

১ চা চামচ হলুদগুঁড়ো

Advertisement

৩-৪ টেবিল চামচ নারকেল কোরা

স্বাদ অনুযায়ী লবণ-চিনি

প্রয়োজন অনুযায়ী তেল

প্রণালী

কড়ায় তেল গরম করে ডালের বড়িগুলো ভেজে তুলে রাখুন। এবার ওই তেলেই রাধুনি ও জিরে, কাঁচা মরিচ ফোড়ন দিন। এতে কুচি করে কেটে রাখা লাউ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন। এবার এতে ডুমো করে কাটা কুমড়ো দিয়ে লবণ ও হলুদ দিয়ে আবার নেড়ে ঢেকে দিন। বেশি ঘাটবেন না এতে লাউ-কুমড়ো দুটোই গলে যাবে। মিনিট পাঁচেক বাদে ঢাকা তুলে দেখুন জল ছাড়ছে কিনা। চেরা কাঁচা মরিচ দিয়ে আবার একবার নেড়ে ঢেকে দিয়ে ঢিমে আঁচে রান্না করুন। নামানোর আগে বড়িভাজা ছড়িয়ে ভালো করে মিশিয়ে করে ঘন্টর সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার উপর থেকে নারকেল কোড়া ছড়িয়ে দিন। ব্যস, তৈরি লাউ-কুমড়োর ঘণ্ট।

Advertisement

 

চিংড়ি দিয়ে লাউশাক ভর্তা

উপকরণ

লাউ শাক ১ আঁটি

খোসা ছাড়ানো ছোট চিংড়ি এককাপের তিনভাগের একভাগ

Advertisement

পিঁয়াজ ১টি মাঝারি আকারের (মোটা করে কাটা)

রসুন ৩ কোয়া (মোটা করে কাটা)

কাঁচা মরিচ ৭-৮টি বা স্বাদ অনুযায়ী

লবণ স্বাদমতো

তেল অল্প

Advertisement

প্রণালী

আঁশ আর ডাটা বাদ দিয়ে লাউশাক বেছে নিতে হবে। চিংড়ি মাছ লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। প্যানে বেশ কিছুটা পানি দিয়ে তাতে অল্প লবণ দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে শাকগুলো ছেড়ে দিতে হবে। মিনিট দুই তিনেক রেখেই গরম পানি থেকে উঠিয়ে ফেলুন। তারপর প্যানে তেল দিয়ে লবণ মাখানো চিংড়ি, পেঁয়াজ-রসুন, কাঁচা মরিচ দিয়ে ভেজে তুলে রেখে, সেই তেলেই বেশি আঁচে শাক আর প্রয়োজন মতো লবণ দিয়ে ভাজা ভাজা করতে হবে যাতে পানি না থাকে। এবার সব ভাজা উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে শিলপাটা বা মিক্সারে পিষে নিলেই ভর্তা একদম রেডি।

 

লাউয়ের হালুয়া

উপকরণ

Advertisement

কুচনো লাউ

কুচনো গাজর

মিল্কমেড

চিনির গুঁড়ো

ঘি

Advertisement

গোটা দারচিনি

সাদা তেল

এলাচ

দারচিনি গুঁড়ো

অল্প লবণ

Advertisement

প্রণালী

ননস্টিক কড়াইতে অল্প সাদা তেল দিয়ে, তাতে গোটা দারচিনি আর এলাচ ফোড়ন দিন। তারপর গাজর আর লাউ দিন। একটু ঘি, গুঁড়ো চিনি আর মিল্কমেড দিয়ে কম আঁচে নাড়তে থাকুন। নাড়তে নাড়তে যখন পানি একদম কমে যাবে ওপরে দারচিনির গুঁড়ো ও চেরির টুকরো দিয়ে পরিবেশন করুন। শেষপাতে দারুণ লাগবে খেতে।

 

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত