Connect with us

পরামর্শ

যুগলরা পরস্পর টান অনুভব না করলে তারা কী করতে পারে?

Published

on

টান

যুগলরা যখন পরস্পর আবেগীয় কোন টান অনুভব করে না তখন আসলে তারা কী করতে পারে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু কিছু বিবাহিত দম্পতি মানসিক ও শারীরিকভাবে পরস্পর এতো বেশি বিচ্ছিন্ন অনুভব করে যে, তা সম্পর্কের ক্ষেত্রে সত্যিকারের তালাকের চেয়ে বেশি ক্ষতি করে।

সারা বিশ্বে যুগলরা শোয়ার ঘরে দূরত্ব তৈরি হওয়া নিয়ে কথা বলা এড়িয়ে চলে, যদিও ওই যুগল এবং বৃহত্তর পরিবারের ক্ষেত্রে এই অবস্থা বাস্তবিক পক্ষে তালাকের চেয়ে বেশি ক্ষতি করে।

বিবিসি এ ধরণেরই কিছু যুগলের সাথে যারা “আবেগ শূন্যতা” অনুভব করছেন তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছে এবং থেরাপিস্টদের সাথে এর সমাধানের বিষয়ে জানতে চেয়েছে।

টান

বৈবাহিক আবেগ শূন্যতা
“সত্যি করে বলতে গেলে আমি আসলে বলতে পারবো না যে আমি বিবাহিত নাকি তালাক প্রাপ্ত,” বলছিলেন কামাল (এখানে তার আসল নাম দেয়া হয়নি)। লন্ডনের টেলিযোগাযোগ বিষয়ক কনসালটেন্ট তার স্ত্রী থুরায়ার সাথে ২০ বছর ধরে সংসার করছেন এবং তাদের দুটি ছেলে রয়েছে যাদের বয়সও ২০ বছরের কাছাকাছি।

Advertisement

৪৬ বছর বয়সী কামাল একজন সক্রিয় সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক যার ফেসবুকে শত শত ফলোয়ার রয়েছে। তবে নিজের স্ত্রীর সাথে তার সম্পর্কের বিষয়ে বলতে বলায় তিনি জানান যে, “এতে অনেকটা মন্দা চলছে: প্রগাঢ় ভালবাসা থেকে এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে পরিণত হয়েছে। ঠিক যেমনটা কাজের জায়গায় দুই জন সহকর্মী একে অপরের প্রতি অনুভব করে”।

“এটা শুরু হয় যখন আমাদের প্রথম ছেলে জন্মগ্রহণ করে তখন। মনে হতো যে আবেগ এবং যৌন আকর্ষণ জানালা দিয়ে পালিয়ে গেছে। এর পর থেকে এরকমই চলছে,” তিনি বলেন।

“সে যখন আলাদা ঘুমাতে চাইতো তখন আমি নানা অজুহাত খুঁজতাম, এমনকি আমাদের ছেলের জন্মের কয়েক মাস পরেও। আমি বলতে থাকতাম যে এটা হয়তো হরমোন বা প্রসব পরবর্তী মেজাজ পরিবর্তনের কারণে হয়েছে।”

“আমি অনেক বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলেছি, বিশেষ করে তখন, যখন এটা বেশ সময় ধরে চলছিল। আমাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর, সে হয়তো আমাদের মধ্যে আর কোন ধরণের আবেগময় বা যৌন সম্পর্ক চাইতো না।”

কামাল স্মৃতিচারণ করে বলেন কিভাবে একদিন তার স্ত্রী তাকে বলেছিল, “বাচ্চাদের মতো আচরণ বন্ধ করো” যখন সে বলেছিল যে তার রোমান্স দরকার।

Advertisement

“যখনই আমি তার কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতাম, সে বলতো আমার একজন বাবার মতো আচরণ করা উচিত।”

“থুরায়া মনে করে যে সে একজন আদর্শ স্ত্রী কারণ সে বাচ্চাদের ও বাসার খেয়াল রাখে এবং পুরো পরিবারকে আঁকড়ে রাখে। আমার মনে হয় একজন মা এবং একজন গৃহিণী হিসেবে সে খুব ভাল করছে কিন্তু সেটা সে পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।”

রোমান্স কি দীর্ঘস্থায়ী হয়?

টান

কামালের হতাশা শিগগিরই বাড়তে থাকে। সে নিজেকে অনাকাঙ্ক্ষিত মনে করে এবং দূরে সরে যেতে শুরু করে। সে বাড়ি ফিরে এসে নিজের ঘরে আরাম করতো এবং ফেসবুকের শত শত বন্ধুর সাথে ভার্চুয়াল জগতে সময় কাটাতো।

তাদের মধ্যে নারী অনুরাগীর সংখ্যা কম ছিল না যারা তার চিন্তাকে পছন্দ করতো। সে মাঝে মাঝে তার সঙ্গীতের যন্ত্র বাজিয়ে তা ফেসবুক পেইজে পোস্ট করতো। যখন অনেক বেশি “লাইক” আসা শুরু করলো তখন সে “আবার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে শুরু করলো”।

Advertisement

“যা লাইক এবং কমেন্ট দিয়ে শুরু হয়েছিল তা ধীরে ধীরে “রোমান্টিক এবং যৌন সম্পর্কে” পরিণত হতে শুরু করলো,” কামাল বলেন।

“আমার বিয়েটা প্রাণহীন এবং আমি আবেগিয়ভাবে মৃত অনুভব করার সময় যখন আমার প্রতি আকর্ষণীয় নারীরা আগ্রহ দেখাতো, তখন তা উপেক্ষা করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়তো।”

অনেক সময় অসুখী যুগলরা সামাজিক মাধ্যমের দিকে ঝুকে পড়ে

কামাল নিশ্চিত যে, সে শুধু একা এ ধরণের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে না: “মানুষ হয়তো আমায় নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করবে, আমিই একমাত্র নই। আমার মতো আরো অনেকেই আছে- আমার পরিচিত জনদের মাঝেই তাদের সংখ্যা কম নয়।”

সে একটি দ্বৈত জীবন গড়ে নিয়েছে, একদিকে সে একজন “আদর্শ বাবা এবং স্বামী” অন্যদিকে সে ছুটির সময়ে “তার ভালবাসার” সাথে দেখা করে।

Advertisement

কোন ধরণের অজুহাত না টেনে, সমাজবিজ্ঞানী হামিদ আল হাশিমি মনে করেন কামাল যদি তার “স্ত্রীর সাথে খোলাখুলি আলোচনা করতো যে সে কি চায়” তাহলে সেটি তার জন্য বেশি ভাল হতো।

সমঝোতা হতে পারে মূল উপায়

“গুরুত্ব দেয়া না হলে পরিস্থিতি কোথায় যেতে পারে সে বিষয়ে তার স্ত্রীকে জানানো উচিত ছিল,” আল-হাশিমি বলেন।

“সব সময়ই সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে মাঝামাঝি একটি জায়গা ঠিক করে নেয়া; যা উভয় পক্ষের জন্যই সমঝোতার জায়গা, যা ভুল এবং ক্রমবর্ধমান একাকীত্ববোধকে কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।”

আল-হাশিমি জোর দিয় বলেন যে, উভয় পক্ষেরই দোষ রয়েছে।”স্ত্রীরও উচিত নয় বৈবাহিক জীবনের আবেগময় এবং যৌন বিষয়টিকে উপেক্ষা করা- যা খুবই স্বাভাবিক বিষয় এবং যা ভালবাসা ধরে রাখার জন্য জরুরী।”

Advertisement

থেরাপিস্ট এবং কাউন্সিলর আমাল আল হামিদ মনে করেন, “আমাদের যা করার ছিল তার সবই করেছি- এধরণের কথা বলা বন্ধ করতে হবে।”

“অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে নিজে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রবণতা কারো জন্যই সুফল বয়ে আনে না,” তিনি বলেন।

এর পরিবর্তে তিনি ভাল জিনিস নিয়ে ভাবার পরামর্শ দেন, যেমন আগের স্মৃতি এমন সময় যখন তারা এক সাথে কাজ করে কোন প্রতিবন্ধকতা পার করেছিল।”

“প্রত্যেকেরই সম্পর্ক ভাল করার জন্য পদক্ষেপ নেয়া উচিত। কারণ ইতিবাচকতা সংক্রামক,” তিনি বলেন।

মনোবিজ্ঞানী আমাল আল হামিদ মনে করেন, দাম্পত্য সম্পর্ক উন্নয়ন শুরু হতে পারে সাধারণ কিছু বিষয় দিয়ে যেমন ধন্যবাদ দেয়া কিংবা রাগ দেখানোর পরিবর্তে হেসে দেয়া

Advertisement

অপরাধ বোধ
মিত্রা এবং রুস্তম-চল্লিশের কোটায় থাকা ইরানের দম্পতি। ২০০৫ সাল থেকে বার্মিংহামে তাদের দুই মেয়ের সাথে বাস করেন তারা।

দশ বছর আগে জরায়ুর ক্যান্সারের সাথে সাথে স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা নেন মিত্রা। যার কারণে একটি স্তন, ডিম্বাশয় এবং জরায়ু হারাতে হয় তাকে। এ অবস্থাকে তাকে গভীরভাবে আঘাত করে তাকে শক্তিহীন এবং বিষণ্ণতায় ডুবিয়ে দিয়েছিল।

অস্ত্রোপচার তার জীবন ফিরিয়ে দিলেও তার যৌন জীবন শেষ করে দিয়েছিল, তিনি বলেন, “এখন আমার একমাত্র স্বস্তি শুধু আমার দুই মেয়ে।”

যখন তার স্বামী অন্য কোথায় ভালবাসা খুঁজতে শুরু করে তখন সে এটা বিশ্বাসই করতে পারেনি।যখন সে জানতে পারে যে তার স্বামী কী করছে, তখন সে স্বামীকে তার এবং অন্য নারীর মধ্যে যেকোন একজনকে বেছে নিতে বলে। সে তাকেই বেছে নেয় কারণ “সে জানতো যে সে যদি অন্য নারীকে বেছে নেয় তাহলে তাকে তার মেয়েদেরকেও হারাতে হবে।”

দাম্পত্য বিষয়ে কাউন্সেলিংকে অনেক যুগল কঠিন মনে করতে পারে

Advertisement

“যদি আর কোন উপায় থাকতো তাহলে শেষ পর্যন্ত আমি তার পাশে থাকতাম। কারণ বিয়ে ভাল এবং খারাপ-উভয় সময়ের জন্যই। পুরুষদের হয়তো আরো কম স্বার্থপর হতে শিখতে হবে,” সে বলে।

এখনো, মিত্রা তার স্বামীর চাহিদা মেটাতে পারে না এবং বলে যে এর জন্য সে অপরাধবোধে ভোগে।

“সে আমাকে ত্যাগ করবে আমি সেটাও মানতে পারবো না। নারী হিসেবে আমি অনাকাঙ্ক্ষিত অনুভব করা সহ্য করতে পারবো না।”

এখন, বই পড়ার মধ্যেই রুস্তম তার সান্ত্বনা খোজার চেষ্টা করে। “কাজ ছাড়া সে অন্য তেমন কিছুই করে না। সে সব সময়ই চুপ থাকে। এমনকি তার মেয়েরাও বলে যে, সে বিরক্তিকর,” মিত্রা বলে।

বৈবাহিক কাউন্সেলিংয়ের মারাত্মক প্রয়োজন থাকলেও, এশিয়া এবং পশ্চিমা সম্প্রদায়ের মানুষেরা সেটা নিতে চায় না।

Advertisement

বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে নিজেদের দায়িত্বের কারণেও অনেক অসন্তুষ্ট থাকতে পারে

অর্থনৈতিক সহায়তা
২৯ বছর বয়সী সামার ২০১৫ সালে সিরিয়া থেকে তুরস্কে আসে যেখানে “শরণার্থীর জীবন বিশেষ করে নারী শরণার্থী যাদেরকে প্রায়ই হয়রানির মুখে পড়তে হয়” তার অবসান করতে সে একজন তুর্কি পুরুষকে বিয়ে করে।

সে মনে করেছিল যে, বিয়েই হচ্ছে “একমাত্র পরিশীলিত সমাধান”। কিন্তু সে বিস্ময়ের মুখে পড়ে যখন সে জানতে পারে যে তার স্বামীর পরিবার ও সামাজিক অবস্থা তার নিজের তুলনায় অনেক আলাদা।

সে বলে, “আমার পুরো জীবন বাচ্চাদের খেয়াল রাখা, রান্না করা, পরিষ্কার করা এবং তার(স্বামীর) চাহিদা পূরণেই কেটে যাবে।”

এমন একজনকে ব্যক্তিকে যে নিজের অনুমতি ছাড়া “নারী প্রতিবেশীদের সাথেও দেখা করতে যেতে দেয় না” বিয়ে করার একমাত্র কারণ ছিল আর্থিক সহায়তা, যা তার দুই সন্তানকে দেখাশোনার জন্য জরুরী।

Advertisement

“যদি আমার অন্য কোন উপায় থাকতো তাহলে তার সাথে আমি একদিনও থাকতাম না। আমার পরিবারের সাথে থাকার সময় আমার সাথে কেউ এমন ব্যবহার করেনি। আমার মতামত, মর্যাদা, অনুভূতির কোন মূল্য নেই এখানে। সে যা চায় তা হলো ইচ্ছানুযায়ী যৌন চাহিদা পূরণ করা।”

গোপনে বিবাহিত
ইরবিলের রৌজ বলেন, তার ৬০ বছর বয়সী বাবা, ৪৭ বছর বয়সী মায়ের সাথে কয়েক দশক ধরে ঘুমায়নি।

তার মা জানে যে, তার বাবা “গোপনে অন্য নারীকে বিয়ে করেছে,” কিন্তু পুরো বিষয়টিই সে ঢেকে রাখতে চায়। যদি এটি জানাজানি হয় তাহলে তিনি এ নিয়ে কানাঘুষা সামাল দিতে পারবেন না।

“আমার বাবা একজন ধনী মানুষ এবং এ কারণেই ৩০ বছর বয়সী একজন তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে। আমার মা বলিষ্ঠ চরিত্রের এবং আর্থিকভাবে স্বাধীন, কিন্তু সম্মান রক্ষার জন্য তিনি এ নিয়ে কথা বলতে চান না বা তালাক চান না। তিনি তার সম্মান বজায় রাখতে চান,” রৌজ বলেন।

বছরের পর বছর ধরে তার মা মানসিক যাতনা সহ্য করে গেছে কিন্তু সে এটি গোপন রাখে কারণ সে নিজেকে দুর্বল দেখাতে চান না, রৌজ বলেন। তিনি দেখান যে, তিনি ভাল আছেন এবং সুখী। কিন্তু বাস্তবে সে অনেক দুঃখী।

Advertisement

একই সম্পর্কের মধ্যে দুই জনেরও বেশি মানুষ জড়িত থাকতে পারে

তার মা এ বিষয়ে আইনি সহায়তা নিতেও রাজি হয়নি কারণ সে তার স্বামীর বিয়েকে গোপন রাখতে চায়।

ফিরে আসার সম্ভাব্য উপায়
কাউন্সিলর আল হামিদ মনে করেন, সম্পর্ক ভাল করতে হলে দুজনেরই সেটি সারিয়ে তোলার জন্য প্রবল ইচ্ছা থাকাটাই একমাত্র উপায়।

“যদি তাদের মধ্যে একজনও অন্য জনকে কোণঠাসা করে ফেলেন, আপত্তি তোলেন, তাহলে সেটি শুধু খারাপই হবে। তাদের খোলামেলা কথা বলতে হবে এবং সেসময় শব্দ চয়ন সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। তা নাহলে তারা পুরো পুরি বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।”

সামাজিক গবেষক ড. হামিদ আল-হাশেমি মনে করেন, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব দুজনেরই এবং এটি যদি ব্যর্থ হয় তাহলে তার দায়ভারও দুজনকেই নিতে হবে।

Advertisement

আল-হামিদ বলেন, অনেক সময় এক পক্ষ শুধু সব কিছু ঠিক করতে চায় কিন্তু অন্য পক্ষ আগের মতোই থাকে এবং পরিবর্তনের যেকোন প্রচেষ্টাকেই ব্যর্থ করে দেয়।

যেকোন সমস্যা কাটিয়ে উঠতে, দুই পক্ষকেই শিখতে হবে যে কিভাবে কোন ঘটনা বাড়তে না দেয়া যায়।

তাদের প্রায়ই কথা বলতে হবে, আপত্তিকর কোন শব্দ বলা যাবে না, বলেন আল হামিদ।

এমন আচরণ সব সময়ই পরিবর্তন আনতে সহায়তা করে, তিনি বলেন।

“যদি স্বামী তার স্ত্রীকে কোন উপহার দিয়ে অবাক করে না দেয় তাহলে সে কাজটি স্ত্রীকেই প্রথমে শুরু করতে হবে। সবসময় পদক্ষেপের জন্য বসে না থেকে তা শুরু করে দিলে সেটি অনেক বেশি কার্যকর হয়,” তিনি বলেন।

Advertisement

“সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে কখনোই হাল ছেড়ে দেয়া যাবে না, চেষ্টা করে যেতে হবে,” তিনি বলেন

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক করুন

রিপ্লাই দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জাতীয়

টান টান
ক্যাম্পাস10 hours ago

ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী...

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
জাতীয়11 hours ago

দেশ বিরোধী সংবাদ প্রচার বন্ধে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন সংবাদের মাধ্যমে দেশ বিরোধী সংবাদ প্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা বন্ধের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ১৯১টি অনলাইন নিউজ পোর্টালের...

টান টান
জাতীয়11 hours ago

প্রধানমন্ত্রী ২ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রেল (এমআরটি লাইন-১) নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা...

টান টান
জাতীয়11 hours ago

দেশে রাখার ক্ষেত্রে রোহিঙ্গারা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে: র‌্যাব ডিজি

মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গারা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা সন্ত্রাসী ও জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। ভুয়া পাসপোর্টে বিদেশ পালিয়ে...

টান টান
আওয়ামী লীগ12 hours ago

সিপিডি একটি রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে : আব্দুর রাজ্জাক

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) একটা রাজনৈতিক শক্তিকে তারা ক্ষমতায় আনতে চাচ্ছে বা তাদের অংশীদার তারা অনেকটা। সিপিডি একটি রাজনৈতিক...

টান টান
অপরাধ12 hours ago

বিদ্যালয়ে দুই শিক্ষকের মধ্যে মারামারি

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রধান শিক্ষক ইমরান...

টান টান
করোনা ভাইরাস13 hours ago

দেশে করোনায় শানাক্ত ১১ জন

সবশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেলো ২৪ ঘণ্টায় কারও মৃত্যু হয়নি। এ সময়ে নতুন করে ১১ জনের দেহে...

টান টান
বাংলাদেশ13 hours ago

ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দিতে যা প্রয়োজন সব আয়োজন করেছি: ইসি

বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ছয় আসনে সকাল সাড়ে ৮টায় উপ-নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হয়েছে। এই ছয় আসনের ভোট ব্যালটে হচ্ছে না। সব...

টান টান
অপরাধ13 hours ago

পাকিস্তানে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৩২, আহত ১৪৭ জন

পাকিস্তানে পেশোয়ারের পুলিশ লাইন্স এলাকায় একটি মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে দেশটির নিষিদ্ধঘোষিত সশস্ত্রগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান। সোমবার (৩০ জানুয়ারি)...

টান টান
আইন-বিচার17 hours ago

টাকা আত্মসাত : ওয়াসার এমডিসহ ৪জনের প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এর ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ...

Advertisement

আর্কাইভ

টান
ক্যাম্পাস9 hours ago

জবি সাংবাদিক সমিতির বার্ষিক পঞ্জিকার মোড়ক উন্মোচন

টান
ক্রিকেট9 hours ago

জয়ের ধারা অব্যাহত ম্যাশ বাহিনীর

টান
ফুটবল9 hours ago

আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুটি ‘এল ক্লাসিকো’

টান
ক্যাম্পাস10 hours ago

ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার

টান
ক্রিকেট10 hours ago

সিলেটে এসে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন পাপন

টান
ক্রিকেট11 hours ago

বিশ্বকাপের সেরা একাদশে বাংলাদেশের স্বর্ণা

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
জাতীয়11 hours ago

দেশ বিরোধী সংবাদ প্রচার বন্ধে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

টান
জাতীয়11 hours ago

প্রধানমন্ত্রী ২ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন

টান
জাতীয়11 hours ago

দেশে রাখার ক্ষেত্রে রোহিঙ্গারা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে: র‌্যাব ডিজি

টান
ক্রিকেট11 hours ago

খুলনার বিপক্ষে রানের পাহাড় ম্যাশদের

টান
বিএনপি11 hours ago

বিএনপির এ পদযাত্রা ‘গণতন্ত্রের’ জয়যাত্রা : মির্জা ফখরুল

বিএনপি
আওয়ামী লীগ13 hours ago

আওয়ামী লীগ কখনো পালিয়ে যায়নি : কাদের

টান
জাতীয়20 hours ago

গণতন্ত্র ছিল বলেই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

টান
ফুটবল1 day ago

গার্ডিয়ানের তালিকায় বর্ষসেরা ফুটবলার মেসি, শীর্ষে ব্রাজিলিয়ানরা

টান
রাজশাহী2 days ago

বগুড়ায় হিরো আলমের প্রচারে নায়িকা মুনমুন

টান
ফুটবল3 days ago

মার্টিনেজের আচরণের পর আইন পরিবর্তন যাচ্ছে ফিফা

টান
আওয়ামী লীগ3 days ago

বিএনপির সন্ত্রাসের কারণে নতুন প্রজন্ম রাজনীতি করতে চায় না: শেখ পরশ

টান
রাজনীতি3 days ago

পদত্যাগ করুন, অন্যথায় পালানোর পথ পাবেন না : মির্জা ফখরুল

টান
জাতীয়3 days ago

ভারত গরু না দিলেই কৃতজ্ঞ থাকবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

একাধিকবার
অপরাধ3 days ago

লাদেনের সঙ্গে ফখরুলের একাধিকবার দেখা হয়: ডিএমপি

সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক : সৈয়দ আশিক রহমান

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বেঙ্গল টেলিভিশন লিমিটেড , ৪৩৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৫
ফোন : 01878-184154, ই-মেইল : contact.bayannotv@gmail.com
© 2022 bayanno.tv