তিন সন্তানের জননীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় নিজ ঘর থেকে তিন সন্তানের জননীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিহত নারীর স্বামী পলাতক রয়েছে। নিহত নারীর নাম মহিমা বেগম (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের শহিদুল ইসলাম বাবলুর স্ত্রী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের বানিয়ারভিটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠে স্থানীয়রা ঘরের ভেতরে মহিমা বেগমের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তাঁর স্বামী শহিদুল ইসলাম বাবলুকে ঘরে পাওয়া যায়নি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, নিহত নারীর গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময়ে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রকাশ্য কোনো বিরোধ ছিল না। তাঁরা দুজনেই মাছের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং পারিবারিকভাবে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন। তবে ঘটনার পর থেকেই স্বামীর কোনো খোঁজ না পাওয়ায় বিষয়টি সন্দেহজনক হয়ে উঠেছে।
ওসি আব্দুল্লা হিল জামান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহত নারীর স্বামী পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্তের আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।' এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
আই/এ