রাজনীতি

১৬ বছর পর জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে: মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে একটি ভালো ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এবার জনগণ প্রকৃত অর্থেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে এবং এই নির্বাচনে জালিয়াতির কোনো আশঙ্কা নেই। তবে কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জালিয়াতি করতে চাইলে ছাড় দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের ফারাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে যে সরকার দায়িত্বে আছে, তারা একটি নিরপেক্ষ সরকার। এই সরকার চায় একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবেন, তারাই সরকার গঠন করবেন এটাই তাদের উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে এবং সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করলে এবারের নির্বাচন হবে একটি ঐতিহাসিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। তবে একটি ধর্মভিত্তিক দল এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ এমনকি বানচাল পর্যন্ত করতে চাচ্ছে, তাদের আসন্ন পরাজয়ের কারণে। কিন্তু তাদের এই ধরনের ষড়যন্ত্র কখনই সফল হবে না ইনশাআল্লাহ।

জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করে বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, টেলিভিশন, অনলাইন ও পত্রিকায় জামায়াতের নেতারা এখন অনেক কথা বলছেন। কিন্তু তাদের আগে জিজ্ঞাসা করা উচিত দেশের স্বাধীনতার সময় তাদের ভূমিকা কী ছিল? ১৯৭১ সালে আপনারা কোথায় ছিলেন? কাদের পক্ষে কাজ করেছিলেন? একাত্তরে জামায়াতে ইসলাম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করেছিল। তারা পাকিস্তান বাহিনীর পক্ষ নিয়ে আমাদের স্বাধীনতা রোধ করার চেষ্টা করেছিল।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা যেমন ২৪-কে ভুলব না কারণ সেই সময় আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে পেয়েছি, ঠিক তেমনি ১৯৭১ সালকেও ভুলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা এই দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছি।

এসময় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন তুহিন, আকচা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সারোয়ার চৌধুরীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এমএ//

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন