‘খুব শিগগিরই’ মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় রণতরী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ঘিরে চাপ বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে ওয়াশিংটন।
হোয়াইট হাউসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প জানান, ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে শিগগিরই মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দেবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের সামরিক শক্তি প্রস্তুত রাখতে দ্বিধা করবে না। তবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
একই সঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে দেন, তেহরান সমঝোতায় না এলে পরিস্থিতি তাদের জন্য কঠিন হবে। তিনি আরও বলেন, ইরানে সরকার পরিবর্তন হলে সেটিই হবে সবচেয়ে ভালো ঘটনা।
এদিকে অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ইতোমধ্যে জোরদার হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগে সেখানে পাঠানো হয়েছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন, নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ার, যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমান।
ওয়াশিংটনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পরই ট্রাম্পের এ ঘোষণা আসে। নেতানিয়াহু একটি “ভালো চুক্তি”র আশার কথা বললেও স্পষ্ট করেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে কোনো সমঝোতা গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে তেহরান প্রকাশ্যে এ ধরনের চাপ প্রত্যাখ্যান করেছে।
উল্লেখ্য, গেল বছরের জুনে ইসরাইল ও ইরান ১২ দিনের সংঘাতে জড়ায়। সে সময় যুক্তরাষ্ট্র স্বল্প সময়ের জন্য অংশ নিয়ে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’। সেই ঘটনার পর থেকেই অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
এমএ//