দেশটি কোনো পরিবার বা কোনো ব্যক্তির একার না : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশটি কারও একার না। দেশটি যেমন কোনো সরকারের একার না, দেশটি যেমন কোনো রাজনৈতিক দলের একার না, দেশটি কোনো পরিবার বা কোনো ব্যক্তির একার না। দেশটি হচ্ছে লাখো-কোটি মানুষের।তাই এই দেশকে যদি গড়ে তুলতে হয়, তাহলে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে রাজধানীর জুরাইনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি যদি এই এলাকার মানুষ হয়ে থাকেন, আপনি চেষ্টা করবেন আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলার জন্য। কারণ আজকে যদি মনে করেন, আপনি যে আবর্জনাটা এখানে ফেলেন, এইটুকু আবর্জনা, এক কেজি, আধা কেজি আবর্জনা বা দুই কেজি আবর্জনা– কী হবে? কিন্তু আপনি চিন্তা করেন, এখানে যতগুলো মানুষ, এখানে কয়েক হাজার মানুষ আমরা জড়ো হয়েছি। প্রত্যেকে যদি ১ কেজি করে ময়লা একটা জায়গায় ফেলে, তাহলে কত কেজি ময়লা হবে? না হলে ১০ হাজার কেজি ময়লা হয়ে যাবে। মানে ১০ টন ময়লা।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মী তারাও তো মানুষ। তারা হয়ত গরিব মানুষ। তাদেরও পরিষ্কার করতে কষ্ট হয়। কিন্তু সবাই মিলে যদি চেষ্টা করা হয়, তাহলে আপনি নিজের শহরকে যেমন পরিষ্কার রাখতে পারবেন, সেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীও অল্পতেই জায়গাটাকে পরিষ্কার করে ফেলতে পারবে। ঠিক একইভাবে তারও কষ্ট কম হবে। আপনার সন্তানরা, আপনি নিজে, আপনার বাবা-মা, পরিবারের সদস্যরাও একটি পরিষ্কার ও সুন্দর পরিবেশের মধ্যে থাকতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, বিদেশের যে রাস্তাঘাট পরিষ্কার, এটা তো বাইরে থেকে কেউ এসে করে দিয়ে যায় না। যে দেশের রাস্তাঘাট পরিষ্কার, সে দেশের সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা যেমন পরিষ্কার করে, একইভাবে সে দেশের জনগণও কিন্তু যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে না। এখন আপনি সরকারের কেউ না।
তারেক রহমান বলেন, এই কাজটি করার জন্য কিন্তু সরকারের কেউ হওয়ার দরকার নেই। জনপ্রতিনিধি হওয়ার দরকার নেই। একজন নাগরিক হিসেবে আপনি এই কাজটি করতে পারেন। ময়লাটা আপনার পকেটে নিয়ে নেন। যদি টিস্যু পেপার থাকে, কিছু থাকে, ময়লা নেন। বাদাম খাবেন, তখন বাদামের খোসাটা এমনভাবে এক জায়গায় ফেলেন, যাতে জায়গাটা ময়লা না হয়।
আই/এ