ফুটবল

মারাত্মক ট্যাকলে পা ভাঙল কানাডার ফুটবলারের

কানাডার জন্য দিনটি হতে পারত নিখাদ আনন্দ ও গৌরবের। চার দশক আগে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলটি অবশেষে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রথম জয়ের স্বাদ পেল। কিন্তু প্রতিপক্ষ কাতারের মিডফিল্ডার আসিম মাদিবো এক ভয়াবহ ও মারাত্মক ট্যাকলের শিকার হয়ে পা ভেঙে গেছে কানাডার তারকা মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনের। এই চোটের পর কার্যত শেষ হয়ে গেছে তার বিশ্বকাপ যাত্রা।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে ঘটে দুঃখজনক ঘটনাটি। ৩-০ গোলে এগিয়ে থাকা কানাডা বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর ২৪ বছর বয়সী মিডফিল্ডার কোনেকে বিপজ্জনক ট্যাকলে আঘাত করেন কাতারের আসিম মাদিবো।

সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই মারাত্মক ছিল ইসমাইল কোনের ব্যথার চিৎকার গ্যালারি থেকেও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল। চোটের ভয়াবহতা বুঝতে পেরে মাদিবো নিজেও মাথায় হাত দিয়ে স্তব্ধ হয়ে যান।

চিকিৎসকরা দ্রুত মাঠে ছুটে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর স্ট্রেচারে করে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন কোনে। তাকে সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

রেফারি আসিম মাদিবোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

কোনের বদলি খেলোয়াড় নাথান সালিবা মাঠে নেমেই দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে গোল করে ব্যবধান ৪-০ করেন। গোল করার পর সালিবা উদযাপনে মেতে না উঠে হাসপাতালে থাকা সতীর্থ ইসমাইল কোনের নাম লেখা জার্সি উঁচিয়ে ধরেন।

কানাডিয়ান প্লেয়ারদের দাবি, ম্যাচে পাত্তাই না পেয়ে কাতার ফুটবলারদের চরম হতাশা থেকেই এমন নোংরা ও বিপজ্জনক ট্যাকল এসেছে।

কোচ জেসি মার্শ জানান, ম্যাচ শেষে কাতারের আসিম মাদিবো কানাডার ড্রেসিংরুমে গিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছেন।

এর আগে প্রথমার্ধে তাজন বুকাননকে ফাউল করে লাল কার্ড পান হোমাদ আল আমিন। ফলে শেষ পর্যন্ত ৯ জনের দল নিয়েই ম্যাচ শেষ করতে হয় কাতারকে।

আর/আই 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন