রাজধানীর ১৯ মোড়ে এআই ক্যামেরা, দেড় হাজার ট্রাফিক মামলা
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বর্তমানে রাজধানীর ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এআই-ভিত্তিক ট্রাফিক ক্যামেরা চালু রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁও ট্রাফিকের ডিসি কার্যালয়ে আয়োজিত তেজগাঁও বিভাগের লেক রোডে এআই ক্যামেরার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, এর আগে ১৫টি ইন্টারসেকশনে এআই ক্যামেরা ছিল, আজ আরও চারটি যুক্ত হওয়ায় মোট ১৯টি ইন্টারসেকশনে এই প্রযুক্তি চালু হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জংশনেও এআই ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।
কমিশনার জানান, এআই ক্যামেরা ব্যবহার করে এ পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার ট্রাফিক মামলা করা হয়েছে। প্রতিটি মামলার জরিমানার পরিমাণ আলাদা হওয়ায় মোট আদায়ের হালনাগাদ তথ্য ট্রাফিক বিভাগের কাছে রয়েছে।
এআইভিত্তিক ট্রাফিক প্রসিকিউশন সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার জানান, ক্যামেরায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত হলে শুধু মোবাইলে বার্তা পাঠানো হয় না, ডাকযোগেও সংশ্লিষ্ট গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের ঠিকানায় প্রসিকিউশনের নোটিশ পাঠানো হয়। পাশাপাশি ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের নির্ধারিত নম্বর থেকে এসএমএস পাঠানো হয়। এ ছাড়া প্রসিকিউশনের তথ্য ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।
গাড়ি বিক্রির পরও মালিকানা হস্তান্তর না হওয়ায় প্রসিকিউশনের নোটিশ আগের মালিকের কাছে যাচ্ছে - এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার জানায়, এ পর্যন্ত প্রায় ৩৮ হাজার সমন ইস্যু করা হয়েছে।
এছাড়াও রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জবাবে তিনি জানান, এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে রাজধানীর সড়ক থেকে সব ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি জানান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডিএমপি একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে ডিএমপি। সমন্বিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ৎ
অনুষ্ঠানে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার আনিসুর রহমানসহ ডিএমপি ও তেজগাঁও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পি/ডি