যারা ট্রল করেছে তারা পরীক্ষার্থী না, ট্রল করে দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন,যে যত ট্রলই করেন না কেন, যে যত অপবাদই দেন না কেন, সঠিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করতে পারবেন না। শিক্ষা ভাবনাকে বাদ দিয়ে যারা উচ্ছৃঙ্খল কথা বলে সমাজকে উসকানি দিতে চায়, এই তরুণ প্রজন্ম তাদের ব্যর্থ করে দেবে।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন ও নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাকে নিয়ে যারা ট্রল করলো, তারা কেউ পরীক্ষার্থী না। সিটি কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, ভিকারুননিসার মতো প্রতিষ্ঠানের কাউকে দেখিনি আন্দোলন করতে। এইভাবে আন্দোলন করে মিসগাইডেড করে কী একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলো। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা এসেছি, এই জাতিকে সুশিক্ষিত করার দায়িত্ব পেয়েছি।
তিনি বলেন, ‘সিটি কলেজের এক মেয়ে আমাকে প্রশ্ন করে বলে, “স্যার বৃষ্টির মধ্যে পরীক্ষা দিলেন?” আমি বললাম, “হ্যাঁ, আমি জানি, বৃষ্টি হয়েছে। সেটা নিয়ে আমি চিন্তিত।” সেই সঙ্গে আমি এটাও বললাম, “আমার মেয়ে তানজিদা। ওর মাথায় বৃষ্টির পানি পড়লে জ্বর আসে, ফার্মের মুরগির মতো। তোমাদেরও জ্বর আসে কিনা? সেজন্য আমি খুব উদ্বিগ্ন। কিন্তু কী করা যাবে? আমাদের তো সবার সঙ্গে কথা বলে পরীক্ষা নিতে হয়।” কিন্তু শিক্ষার্থীরা এ কথার একটা ন্যারেটিভ দাঁড় করালো। তারা এই ন্যারেটিভকে নেগেটিভে নিয়ে গেলো। এভাবে জাতি যদি অর্ধকানা হয়ে যায়, তাহলে তো আমাদের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি জনসংখ্যা বাড়ছে এবং বাংলাদেশের জনগণ সকলেই শিক্ষায় বিনিয়োগ করছে। আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে যেই ভিশন নিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এডুকেশন সেক্টরকে তুলে ধরার করার জন্য কাজ করছেন,তাতে সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন পৃথিবীতে বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব। পৃথিবীর সবাই আসবে এই জায়গায়।
প্রসঙ্গত, হিসাববিজ্ঞান ও আইনবিভাগে ৪০ জন করে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করলো নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের।