তরুণীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তের সহযোগী জনি (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। অপহরণের এক মাস পর অপহৃত তরুণীকেও উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার জনি উপজেলার চিথোলিয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে ঢাকার ভাটারা থানার বসুন্ধরা এলাকায় র্যাব অভিযান চালিয়ে জনিকে গ্রেপ্তার করে। আজ রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। মামলার প্রধান আসামি রনি (২২) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে নাবালিকা হওয়ায় পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রনি ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করে। গত ২০ জুলাই সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কোচিংয়ে যাওয়ার সময় একটি মাইক্রোবাসে তুলে তরুণীকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় তারা। সেখানে প্রধান আসামি রনি তাকে ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে গত ১০ আগস্ট কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
র্যাব আরও জানায়, উদ্ধার ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার জনিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার আসামীকে আদালতে সোপর্দসহ উদ্ধার ছাত্রীর বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এর আগে মামলার আসামি শামীম মিয়া ও ঝর্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মামলার প্রধান আসামি রনি ও রানা নামের দুইজন পলাতক রয়েছে। তাদেরকে ধরতে পুলিশ চেষ্টা করছে।
আই/এ