জাতীয়

দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের ওপর ভিত্তি করেই বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে

কারো চাপে পড়ে নয় বরং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের ওপর ভিত্তি করেই বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহাদী আমিন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের সফর শেষে দেশে ফিরে তিনি এসব কথা বলেন। 

ড. মাহাদী আমিন বলেন, এটা চাপিয়ে দেওয়ার কোনো কিছু নয়‌, দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে বেশ আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তবে এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। কিন্তু দুই পক্ষের এবং দুই দেশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এখানে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সেটি করা হয়েছে।

ড. মাহদী আমিন আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ভেতরে স্ট্র্যাটেজিক সিভিল নিউক্লিয়ার কোঅপারেশন নিয়েও একটি মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং সাইন করা হয়েছে এবং এই সফরে শুধু যুক্তরাষ্ট্র না কিংবা শুধু জাতিসংঘ না প্রধানমন্ত্রী কিন্তু ১১ টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থ এবং জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করেছেন। 

তিনি বলেন, দেশের জ্বালানি ও রোহিঙ্গা এবং অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যে দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলেছেন সেখানে জ্বালানি নিরাপত্তা কীভাবে উনারা সহযোগিতা করবেন সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং একসঙ্গে কাজের মাধ্যমে সমাধান করতে পারেন সেগুলো নিয়ে কথা বলেছেন। এছাড়া যারা মানবাধিকার এবং বাস্তুচ্চুত মানুষদেরকে নিয়ে কাজ করেন তাদের সংগঠন এবং দেশের সঙ্গে আলোচনায় রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সবাই বাংলাদেশের সঙ্গে থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন। 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী খুব স্বল্পকালীন সফরে বহু বছর পর বাংলাদেশ থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন সরকার প্রধান এদেশকে বিশ্ব দরবারে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং যেভাবে তিনি উনার সে ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি সেগুলো ইনশাআল্লাহ বাস্তবায়ন হবে। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই সফরে তিনি শুধু বাংলাদেশের কথাই বলেননি তিনি বিশ্ব শান্তির কথা বলেছেন, তিনি সেখানে বলেছেন কীভাবে আমরা ফিলিস্তিনে শান্তি দেখতে চাই এবং এটি শুধু কথা না সেটা আমরা দেখেছি উনার বক্তব্যের পর যখন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দিচ্ছিলেন বাংলাদেশ সেখান থেকে ওয়াকআউট করেছে। 

 

আর/আই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন