Connect with us

আন্তর্জাতিক

খাসোগি হত্যাকান্ডে প্রিন্স সালমানকে দায়মুক্তি দিল যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

করোনায়

সৌদি আরবের শাসক পরিবারের কট্টর সমালোচক সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে দায়মুক্তি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন।

আজ শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে।

জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের একটি আদালতে মামলা চলছে। সেই মামলার অভিযুক্তদের তালিকা থেকে এখন প্রিন্স সালমানের নাম কেটে দেয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমনটিই জানানো হয়েছে, ক্রাউন প্রিন্স সালমান যেহেতু সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী সে কারণে যুক্তরাষ্ট্রে তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বিচার সম্ভব না।

২০১৮ সালে ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাসের ভেতর সৌদি ঘাতক দলের হাতে নিহত হন জামাল খাসোগি। হত্যার পর তার মরদেহ এসিড প্রয়োগ করে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের বিশ্বাস, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান নিজে এ হত্যাকাণ্ডের হুকুম দিয়েছিলেন।

এদিকে প্রিন্স সালমানকে দায়মুক্তি দেয়ার পর এর সমালোচনা করেছেন জামাল খাসোগির বাগদত্তা হাতিস চেঙ্গিজ। তিনি টুইটে বলেছেন, জামাল আজ আবারও মারা গেল। আমরা ভেবেছিলাম যুক্তরাষ্ট্রে হয়ত বিচারের আশার আলো দেখব। কিন্তু আবারও অর্থই জিতল। এটি সেই বিশ্ব যেটি জামাল জানে না এবং আমি…!

Advertisement

প্রিন্স সালমানকে দায়মুক্তি দেয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল এক বিবৃতিতে বলেছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই আইনগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের আইনজীবী বলেছেন, বাইডেন প্রশাসন দেখেছে যে, বিবাদী বিন সালমান, একটি বিদেশী সরকারের প্রধান, সে হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের বিচার ব্যবস্থায় বিচারের মুখোমুখি হওয়া থেকে মুক্ত তিনি।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের শাসক সালমান বিন আবদুল আজিজ রাষ্ট্রীয় ডিক্রির মাধ্যমে প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বানান।

জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার ঘটনা শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছিলেন প্রিন্স সালমান। যদিও পরবর্তীতে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি জানতেন।

সাংবাদিক জামাল খাসোগি সৌদি আরবের শাসকগোষ্ঠীর তীব্র সমালোচক ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টে এ নিয়ে কলাম লিখতেন। ২০১৮ সালে বাগদত্তা হাতিস চেঙ্গিজকে বিয়ে করা সংক্রান্ত কাগজ আনতে সৌদি দূতাবাসে গিয়েছিলেন জামাল। এরপর আর কখনোই সেখান থেকে বের হতে পারেননি তিনি।

Advertisement

এশিয়া

১১ ধর্ষককে মুক্তি না দিতে আদালতে বিলকিসের আবেদন

Published

on

করোনায়

গণধর্ষকদের মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিলকিস বানো। বিলকিসের ধর্ষকদের আগাম মুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য গেলো মে মাসে শীর্ষ আদালত গুজরাট সরকারকে প্রয়োজনীয় অনুমতি দেয়।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের কাছে এই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছেন বিলকিস।

জানা গেছে, ১৯৯২ সালের সাজা মকুফ করার নিয়মের আওতায় ধর্ষকদের মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। চলতি বছরের মে মাসের সেই সিদ্ধান্তের জেরেই আগস্ট মাসে ১১ জন ধর্ষকদের মুক্তি দেয় গুজরাট সরকার। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজি জানিয়ে আবেদন করেছেন বিলকিস। প্রসঙ্গত, সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য একাধিক আবেদন জমা পড়েছে শীর্ষ আদালতে। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও এই আবেদন জানিয়েছিলেন।

এই এগারো জনের সাজা মকুফ করার সপক্ষে শীর্ষ আদালতে গুজরাট সরকারের পক্ষে যুক্তি দেয়া হয়েছিল যে, তারা জেলে ‘ভাল আচরণ’ করত। সুপ্রিম কোর্টে গুজরাট সরকারের কৌঁসুলি হলফনামা দিয়ে জানান, দোষী সাব্যস্ত হওয়া এগারো জন চোদ্দ বছর জেল খেটেছে। তা ছাড়া জেলের ভেতর তারা ভালো ব্যবহার করত। তাই তাদের ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে গুজরাটে গ‌োধরা-পরবর্তী দাঙ্গার সময় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিলকিসকে গণধর্ষণ করেন এই এগারো জন। বিলকিসের মেয়ে-সহ পরিবারের ৭ জনকে তার চোখের সামনেই খুন করা হয়। এ মামলায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।

Advertisement

ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের কাছে এই মামলার শুনানির আবেদন করেছেন বিলকিসের আইনজীবী। চন্দ্রচূড় জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই এই বিষয় নিয়ে একটি মামলার শুনানি চলছে। একই বেঞ্চে এক সঙ্গে দুটি মামলার শুনানি করা যায় কিনা, সেই বিষয়টি ভেবে দেখবেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গোধরা হিংসার সময়ে অন্ত্বসত্ত্বা বিলকিসকে গণধর্ষণ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের খুনের অভিযোগে ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

গুজরাট সরকারের নির্দেশে ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়ার পরেই দেশজুড়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে, ধর্ষকদের কার্যত বীরের সম্মান দিয়ে বরণ করা হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে। তারপরেই গুজরাট সরকারের কাছে হলফনামা তলব করে শীর্ষ আদালত। তবে সাধারণ মানুষের অধিকাংশই চান, সিদ্ধান্ত বদল করুক গুজরাট সরকার। ফের জেলে বন্দি করা হোক অপরাধীদের।

পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

এশিয়া

বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় : ভার্মা

Published

on

করোনায়

প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য একটি নীতি থাকায় বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। বললেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

আজ বুধবার (৩০ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য ভারতের একটি নীতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়। যেকোনো বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায় বাংলাদেশ।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ভারতের খুব ভালো বন্ধু। এই অঞ্চলে সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ ও ভারত একসঙ্গে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, বাংলাদেশ কখনোই সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয়নি।

Advertisement

তিনি বলেন, সন্ত্রাসের কোনো ধর্ম ও সীমানা নেই। আওয়ামী লীগ কখনো সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয় না এবং বাংলাদেশের মাটিকে কখনোই এই উদ্দেশে ব্যবহার করতে দেয় না।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত সব সমস্যার সমাধান করতে পারে।

তিনি ভারতীয় ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশের ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহবান জানান।

প্রণয় ভার্মা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বৈঠকে শেখ হাসিনা এবং ভার্মা উভয়ই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সহজতর করার জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (সিইপিএ) নিয়েও আলোচনা করেন।

Advertisement

প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা দেবে।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সমগ্র জীবন দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর উৎসর্গ অনুসরণ করে তিনি নিজেও দেশের মানুষের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করছেন।

এ সময় অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

 

Advertisement
পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

এশিয়া

চীনের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিনের মৃত্যু

Published

on

করোনায়

বিশ্ব পরিমণ্ডলে অন্যতম এক বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে চীনের আবির্ভূত হওয়ার পেছনে অনবদ্য অবদান রাখা দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন মারা গেছেন।

আজ বুধবার (৩০ নভেম্বর) ৯৬ বছর বয়সে চীনের সাবেক এই নেতা মারা গেছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া বলেছে, বুধবার স্থানীয় সময় বেলা সোয়া ১২টায় মারা গেছেন জিয়াং। দীর্ঘদিন ধরে প্রাণঘাতী লিউকেমিয়াসহ একাধিক জটিল রোগে ভোগার পর সাংহাই শহরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

দেশটির ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি, সংসদ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং সামরিক বাহিনী সাবেক এই নেতার মৃত্যুর ঘোষণা দিয়ে চীনা জনগণের কাছে একটি চিঠি প্রকাশ করেছে। চিঠিতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলা হয়েছে, কমরেড জিয়াং জেমিনের মৃত্যু আমাদের পার্টি, সামরিক বাহিনী এবং আমাদের সব জাতিগোষ্ঠীর জনগণের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

এতে জিয়াং জেমিনকে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন একজন অসামান্য নেতা, মহান মার্কসবাদী, রাষ্ট্রনায়ক, সমর কৌশলবিদ, কূটনীতিক এবং দীর্ঘ পরীক্ষিত কমিউনিস্ট যোদ্ধা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

Advertisement

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিয়াং জেমিনের মৃত্যুতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান অফিস, সরকারি বিভিন্ন ভবন ও বিশ্বজুড়ে চীনা দূতাবাস ও কনস্যুলেটে চীনের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি বলছে, জিয়াংয়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ব্যবস্থাপনা কমিটির এই আদেশ বুধবার থেকে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার তারিখ পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। তবে দেশটির সাবেক এই নেতার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার তারিখ এখনও ঘোষণা দেয়া হয়নি।

১৯৮৯ সালে গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের ওপর রক্তাক্ত তিয়ানআনমেন অভিযানের কিছুদিন পর জিয়াংকে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই ঘটনার পর চীনের পরবর্তী কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা থেকে মুক্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক মেরামত এবং নজিরবিহীন অর্থনৈতিক উত্থানের তত্ত্বাবধান করেন তিনি।

ইতিহাস সৃষ্টিকারী পরিবর্তনের মাধ্যমে চীনকে দেখেছেন জিয়াং; যার মধ্যে রয়েছে বাজার-ভিত্তিক সংস্কার ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন, ১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে হংকংয়ের প্রত্যাবর্তন এবং ২০০১ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) বেইজিংয়ের প্রবেশ।

তবে জিয়াং নেতৃত্বাধীন চীনের তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে দেশে ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। বাইরের বিশ্বের জন্য চীন উন্মুক্ত হলেও দেশে ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে অভিযানের জেরে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছিল জিয়াংয়ের সরকার।

Advertisement

সেই সময় মানবাধিকারকর্মী, শ্রমিক নেতা এবং গণতন্ত্রপন্থী কর্মীদের কারাবন্দি করে জিয়াং নেতৃত্বাধীন চীনা সরকার। দেশটির আধ্যাত্মিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে আসা ‘ফালুন গং’কেও নিষিদ্ধ করা হয়; এই গোষ্ঠীকে তখন কমিউনিস্ট পার্টির একচেটিয়া ক্ষমতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হতো।

প্রায় ১৩ বছর ধরে চীনের রাষ্ট্রপ্রধান এবং কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করলেও জিয়াং কখনোই তার দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত ছিলেন না। বরং পার্টির ভিন্ন ভিন্ন বিভিন্ন মতাবলম্বীদের জন্য একজন দক্ষ প্রশাসক এবং আপোসকারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি।

২০০২ সালে হু জিনতাওয়ের নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টিতে ব্যাপক পরিবর্তনের পর জিয়াং তার ক্ষমতার শিখরে পৌঁছান বলে মনে করা হয়। দীর্ঘ সময়ের জন্য তিনি দলটিতে শক্তিশালী ব্যক্তি হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রাখেন। দলের নেতাকর্মীদের মাঝে দ্য সিনিয়র (ঝাংঝে) নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

২০০৪ সালে সরকারি উপাধি ত্যাগ করলেও ২০১২ সালে ক্ষমতায় আসা বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উত্থানের পেছনে ক্রীড়ানক হিসেবে কাজ করেন জিয়াং। জিয়াংয়ের অর্থনৈতিক উদারীকরণ এবং কঠোর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের মিশ্রণে এখনও আটকে আছেন শি জিনপিং।

প্রাথমিকভাবে ক্রান্তিকালীন নেতা হিসাবে দেখা হতো জিয়াংকে। যিনি দল ও দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা দেং জিয়াওপিংয়ের ম্যান্ডেটে কাজ করেছিলেন। দেশটির সংস্কারকামী নেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন জিয়াং।

Advertisement

তার ক্ষমতার ১৩ বছরে চীনের শীর্ষ পদ অর্থাৎ কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি দলটিতে পুঁজিবাদীদের স্বাগত জানিয়েছিলেন। এছাড়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় বেইজিংয়ের যোগদানের পর বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে চীনের উত্থানের পথ দেখান তিনি।

চীনের বিশ্ব শক্তি হয়ে ওঠার পেছনে অসামান্য ভূমিকা রাখা জিয়াংকে তার শেষ সময়গুলোতে বেশ বিবর্ণই দেখা গেছে। কিছুটা আড়ালে চলে যাওয়া চীনা এই নেতাকে সর্বশেষ ২০১৯ সালে বেইজিংয়ের তিয়ানআনমেন গেটে বর্তমান ও সাবেক নেতাদের সাথে কমিউনিস্ট পার্টির ক্ষমতায় আরোহণের ৭০তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে দেখা যায়।

পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

করোনায় করোনায়
করোনা ভাইরাস2 hours ago

দেশে করোনায় শনাক্ত ১৮

সবশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেলো ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যায় নি। এ সময়ে নতুন করে ১৮ জনের...

জিএম কাদের জিএম কাদের
আইন-বিচার4 hours ago

জি এম কাদের জাপার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ আগামী সোমবার পর্যন্ত স্থগিত...

করোনায় করোনায়
অপরাধ5 hours ago

আয়াতের খণ্ডিত পা দুটি উদ্ধার

চট্টগ্রামের ইপিজেডে ৫ বছরের শিশু আলীনা ইসলাম আয়াতকে হত্যার পর ছয় টুকরা করা শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতের খণ্ডিত পা দুটি...

করোনায় করোনায়
জাতীয়5 hours ago

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রেন সাময়িকভাবে বন্ধ

পদ্মাসেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা থেকে গেন্ডারিয়া অংশে ৩টি পৃথক রেল লাইনের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। কাজটি দ্রুত সম্পন্ন...

করোনায় করোনায়
আইন-বিচার6 hours ago

রাজধানীতে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

নগরীর বাড্ডায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে আসামি শিপনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও ২০ হাজার টাকা...

করোনায় করোনায়
অপরাধ7 hours ago

জঙ্গি ছিনতাইকাণ্ডে আরও এক পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

ঢাকার প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের চোখে-মুখে স্প্রে করে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় পুলিশের আরও এক সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত...

করোনায় করোনায়
জাতীয়7 hours ago

বিএনপির নেতাকর্মীদের স্বাচ্ছন্দের ব্যবস্থা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১০ ডিসেম্বরের বিএনপির সমাবেশে খালেদা জিয়া যোগ দিলে আদালত ব্যবস্থা নেবেন। সমাবেশের নামে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করলে ভুল করবে। বিএনপির...

ইসলামী ব্যাংকের ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ কাণ্ডে যা বললেন হাইকোর্ট ইসলামী ব্যাংকের ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ কাণ্ডে যা বললেন হাইকোর্ট
আইন-বিচার8 hours ago

ইসলামী ব্যাংকের ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ কাণ্ডে যা বললেন হাইকোর্ট

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) থেকে ভুয়া ঠিকানা ও কাগুজে কোম্পানির নাম ব্যবহার করে কয়েক হাজার কোটি টাকা উত্তোলন এবং...

করোনায় করোনায়
অপরাধ8 hours ago

আয়াত হত্যা: আরও ৭ দিনের রিমান্ডে আবির

চট্টগ্রামের ইপিজেডে ৫ বছরের শিশু আলীনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণের পর হত্যায় মামলায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি আবির আলীর আরও ৭ দিনের...

করোনায় করোনায়
অপরাধ8 hours ago

মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৮

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযানে মাদক বিক্রি ও...

Advertisement

আর্কাইভ

করোনায়
ক্রিকেট30 mins ago

টানা দুই ম্যাচ পরিত্যাক্ত, ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জিতলো কিউইরা

করোনায়
এশিয়া1 hour ago

১১ ধর্ষককে মুক্তি না দিতে আদালতে বিলকিসের আবেদন

করোনায়
শিশু স্বাস্থ্য1 hour ago

এই প্রথম জোড়া মেরুদণ্ডের দুই শিশুকে আলাদা করবে বিএসএমএমইউ

করোনায়
ফুটবল1 hour ago

আজ বাঁচামরার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা দলে যারা খেলবেন

করোনায়
নিউজ2 hours ago

ডিআরইউর নব-নির্বাচিত সভাপতি নোমানী, সাধারণ সম্পাদক সোহেল

করোনায়
এশিয়া2 hours ago

বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় : ভার্মা

করোনায়
করোনা ভাইরাস2 hours ago

দেশে করোনায় শনাক্ত ১৮

করোনায়
চাকরির খবর2 hours ago

৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

করোনায়
বলিউড2 hours ago

মালাইকা বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা! যা বললেন অর্জুন

করোনায়
এশিয়া3 hours ago

চীনের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিনের মৃত্যু

করোনায়
জাতীয়7 hours ago

বিএনপির নেতাকর্মীদের স্বাচ্ছন্দের ব্যবস্থা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনায়
জাতীয়23 hours ago

সীমান্তে নিরাপত্তায় যৌথ টহল দেবে বিজিবি-বিজিপি

করোনায়
জাতীয়2 days ago

সরকারকে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে সংশোধনী অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা

করোনায়
রংপুর2 days ago

পা দিয়ে লিখে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে সেই মানিক

সতর্ক
আওয়ামী লীগ4 days ago

বিএনপির সম্মেলন নিয়ে অফিসিয়ালি কিছু আসেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনায়
জাতীয়4 days ago

খেতে খেতে চীনের প্রধানমন্ত্রীকে টানেলের প্রস্তাবটা দেই: প্রধানমন্ত্রী

করোনায়
জাতীয়5 days ago

ময়দার বস্তায় আটা বিক্রি

করোনায়
বলিউড6 days ago

উরফি এবার মদের গ্লাস দিয়ে শরীর ঢাকলেন

করোনায়
জাতীয়6 days ago

‘রাজনীতি করতে চাই না, রাজনীতিবীদদের সহযোগিতা চাই’

করোনায়
জাতীয়1 week ago

বিশ্বকাপে আমাদের টিম নেই এটা আসলে কষ্ট দেয় : প্রধানমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত