Connect with us

ফিচার

গোপন কুঠুরিই ফাঁস করে কুখ্যাত জোড়া সিরিয়াল কিলারের কীর্তি

Avatar of অনন্যা চৈতী

Published

on

নৌযান

অবলীলায় একের পর এক খুন এবং ধর্ষণ করেছেন তারা। মারার আগে চালিয়েছেন অকথ্য অত্যাচার। আমেরিকার কুখ্যাত এই ২ সিরিয়াল কিলারের কাহিনি শুনে আজও শিউরে ওঠেন অনেকে। নাম তাদের লিওনার্দ লেক এবং চার্লস এনজি। তাদের শিকার হয়েছিলেন মহিলা, পুরুষ এমনকি শিশুরাও। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে খুনগুলি করেছেন তারা।

১৯৮৫ সালে এই সিরিয়াল কিলার জুটিকে ধরে ফেলে পুলিশ। ধরা পড়ার পর কারাগারে লিওনার্ড আত্মহত্যা করেন। তার সঙ্গী এখনও জীবিত রয়েছেন। তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। অন্তত ১১ জনকে খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে লিওনার্দ এবং চার্লসের বিরুদ্ধে ।

১৯৪৫ সালে আমেরিকায় জন্মেছিলেন লিওনার্দ। ছোটবেলা থেকেই তার বিকৃত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। অভিযোগ আছে নিজের বোনদের নগ্ন করিয়ে ছবি তুলতেন তিনি।

বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর লিওনার্দ মানুষ হয়েছেন নানীর কাছে। নানী তার বিকৃত চাহিদার কথা জেনেও কিছু না বলে প্রশ্রয় দিয়েছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। ফলে ছোট থেকেই মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে অপরাধ প্রবণতা।

লিওনার্দের কিছু কিছু স্বভাব দেখে ছোট থেকেই তার মধ্যেকার খুনি সত্তার পরিচয় পাওয়া গিয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি ছোটবেলায় ইঁদুর বা ওই জাতীয় ছোট প্রাণীদের ধরে ধরে মারতেন। তারপর তাদের শরীরে অ্যাসিড ঢেলে পুড়িয়ে দিতেন।

Advertisement

এক সময় স্যানফ্র্যান্সিস্কোতে বিয়ে করে থিতু হলেন লিওনার্দ। দিব্যি সংসার করছিলেন। কিন্তু  হঠাৎ এক দিন  তার স্ত্রী জানতে পারেন, লুকিয়ে লুকিয়ে তার সঙ্গে সঙ্গমের ভিডিও করেন লিওনার্দ। স্ত্রীর অনুমতি না নিয়েই তাকে নিয়ে পর্ন ভিডিও বানান। এসব জানতে পেরে লিওনার্দকে ছেড়ে চলে যান তার স্ত্রী।

বিবাহবিচ্ছেদের পর ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলে চলে আসেন লিওনার্দ। সেখানে আবরও বিয়ে করেন তিনি। দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গেও একই আচরণ করতেন লিওনার্দ। তবে এ ক্ষেত্রে পেয়েছিলেন প্রশ্রয়। সঙ্গমের ভিডিও বানাতে বাধা দেননি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। দীর্ঘ ৮ বছর নির্বিঘ্নে সংসার করেন তারা।

কিন্তু শুধু সঙ্গমের ভিডিও বানিয়ে শান্ত থাকতে পারেননি লিওনার্দ। এই সময় তার দেখা হয় চার্লসের সঙ্গে। চার্লস হংকংয়ের বাসিন্দা। এক সময় সেনাবাহিনীতে যুদ্ধও করেছেন। নিজের মানসিকতার সঙ্গে চার্লসের হুবহু মিল খুঁজে পান তিনি। ফলে বন্ধুত্ব হতে সময় লাগেনি। যুদ্ধ চলাকালীন চার্লস একটি গোপন বাঙ্কার তৈরি করেছিলেন। পরমাণু হামলার আশঙ্কায় আগেভাগে সুরক্ষার ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন তিনি। এই গোপন কুঠুরিই হয়ে ওঠে অপরাধী যুগলের ‘স্বর্গরাজ্য’।

১৯৮৩ সালেই ‘শিকার’ শুরু করেন লিওনার্দ এবং চার্লস। মূলত মহিলাদের ধরে ওই কুঠুরিতে নিয়ে যেতেন তারা। সেখানে প্রথমে চলত অকথ্য অত্যাচার। মহিলাদের ধর্ষণ ও নানা ভাবে যৌন হেনস্থা করার সময় ভিডিও বানাতেন দুই বন্ধু।

মহিলাদের অপহরণের সময় কোনও পুরুষ বাধা দিলে বা কোনও শিশু তাদের কীর্তির সাক্ষী থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তাদেরও খুন করতেন লিওনার্দরা। তাদের হাত থেকে রেহাই পেতেন না কেউ।

Advertisement

তদন্তকারীদের দাবি, মহিলাদের ধর্ষণের পর নানা রকম বিকৃত যৌনক্রিয়ায় সামিল হতে বাধ্য করতেন এই সিরিয়াল কিলার যুগল। গোপন কুঠুরিতে চলত তাদের ‘যৌন খেলা’। তদন্ত করতে গিয়ে ওই কুঠুরির মধ্যেকার ভিডিওগুলি হাতে পেয়েছিল পুলিশ। একটি ভিডিওতে এক মহিলার উদ্দেশে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘‘তুমিও বাকিদের মতো তারস্বরে চেঁচাতে পারো। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হবে না।’’

কুঠুরিতে গিয়ে প্রচুর মানুষের হাড়গোড় এবং কঙ্কাল পায় পুলিশ। ঠিক কত জনকে তারা খুন করেছিলেন, তা অজানাই থেকে গিয়েছে। কারণ সব খুনের প্রমাণ মেলেনি। তবে তদন্তকারীরা মনে করেন, খুনের সংখ্যা ২৫ ছাড়াতে পারে।

শুধু খুন নয়, মেরে ফেলার পর মৃত পুরুষ কিংবা মহিলার পরিচয়পত্র হাতিয়ে নিতেন লিওনার্দ এবং চার্লস। তা ব্যবহার করে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিতেন। অন্যান্য কাজেও ব্যবহার করতেন ওই পরিচয়পত্রগুলি। তা করতে গিয়েই এক সময় ধরা পড়েন তারা।

১৯৮৫ সালে একটি দোকানে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েন চার্লস। তাকে বাঁচাতে গিয়ে বিপাকে পড়েন লিওনার্দও। পুলিশকে এমন একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স তিনি দেখান, যে ব্যক্তি দীর্ঘ দিন ধরে নিখোঁজ। এতেই সন্দেহ হয় পুলিশের।

লিওনার্দের কাছ থেকে সাইলেন্সার লাগানো একটি বন্দুকও উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন কুঠুরিতে হানা দিয়ে হাড়গোড় খুঁজে পান তদন্তকারীরা। ফাঁস হয় ২ বন্ধুর কীর্তি।

Advertisement

গ্রেপ্তারের পর জেলেই আত্মঘাতী হন লিওনার্দ। চার্লসকে ১৯৯৯ সালে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টেও সেই সাজা বহাল রাখা হয়েছে। শীঘ্রই তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

সূত্র: ক্রিমিনাল মাইন্ডস উইকি

ফিচার

বিয়ের আগে কীভাবে ত্বক উজ্জ্বল করবেন জানেন কি!

Published

on

নৌযান

বিয়ে হতে আর মাত্র এক মাস বাকি। হাতে নেই সময়। প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তার মধ্যেই ত্বকের যত্ন বিশেষ ভাবে জরুরি। অনেকেই বিয়ের কিছু দিন আগে ত্বকে নানা রকম বিউটি ট্রিটমেন্ট করিয়ে থাকেন। যা আপনার ত্বকে নেতিবাচক প্রভাবের ঝুঁকি বেশ কিছুটা বাড়িয়ে তোলে। তাই ভরসা ঘরোয়া উপায়ে থাকাটাই শ্রেয়। বেশ কিছু সহজ ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিন্তু উজ্জ্বল ত্বক পেতে পারেন অনায়াসেই।

  • শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখুন। তা শুধুমাত্র ত্বক কোমল রাখে তা-ই নয়, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ব্রণ থেকেও দূরে রাখে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকে প্যারাবেনমুক্ত ও টক্সিন মুক্ত ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
  • ত্বক উজ্জ্বল রাখুন ভিতর থেকে। খাদ্যতালিকায় বেশি করে ফল ও শাকসব্জি যোগ করুন। চিনি ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। স্যালাড আপনার অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে তোলে, যা আপনার ত্বকে কোমলতা ও উজ্জ্বলতা এনে দেয়।
  • সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ত্বকের বিপর্যয় ডেকে আনে। নিয়ে আসে হাইপারপিগমেন্টেশন, বলিরেখা ও রুক্ষতা। তাই বাইরে যাওয়ার আগে ন্যূনতম এসপিএফ ৩০ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়। যেহেতু সানস্ক্রিন সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক হয় না, তাই অবশ্যই তা প্যারাবেনমুক্ত ও টক্সিন মুক্ত কি না দেখে নিতে হবে।
  • ত্বকের যত্নের জন্য বাজারে অজস্র পণ্য রয়েছে। কিন্তু সেগুলির মধ্যে থাকা রাসায়নিক উপাদান উল্টে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রাকৃতিক বা আয়ুর্বেদিক জিনিস ব্যবহার করুন। বিভিন্ন সংস্থা এই ধরনের ফেসপ্যাক, ফেসওয়াশ, ময়শ্চারাইজার নিয়ে এসেছে সাজ মহলে। এগুলি মূলত হলুদ, কেশর, মুলতানি মাটির মতো নানা প্রাকৃতিক বা ভেষজ উপাদানে তৈরি।
  • নিয়মিত শরীরচর্চা করা জরুরি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য। গালের ফোলা ভাব কমাতে তা সাহায্য করে। নিয়মিত শরীরচর্চা করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে এবং এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসরণ করে যা ত্বকের প্রদাহ কমায়। ত্বক হয়ে ওঠে মোলায়েম।
  • শুধু মুখের যত্ন নয়, সারা শরীরেরই যত্ন নিন। স্নানের সময়ে এক্সফোলিয়েশন করুন এবং পরে ময়শ্চারাইজার দিন ভাল ভাবে। বডি মাস্ক ব্যবহার করুন মাঝে মধ্যে। এতে ত্বক মসৃণ থাকবে। আর বিয়েতে লো কাট, ব্যাকলেস ও স্লিভলেস পোশাকে নজর কাড়ুন নিশ্চিন্তে।
পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

ফিচার

ব্রাজিল রসগোল্লা, আর্জেন্টিনা সন্দেশ!

Published

on

রসগোল্লা

ফুটবল জ্বরে আক্রান্ত এখন গোটা বিশ্ব। প্রিয় দলের জার্সি, পতাকা থেকে খেলোয়ারদের ছবি, দেদার বিকোচ্ছে সবকিছু। আর এবার বিশ্বকাপের আঁচ এসে পড়ল মিষ্টির দোকানেও। ব্রাজিল রসগোল্লা থেকে আর্জেন্টিনা সন্দেশ। ছানার বিশ্বকাপ থেকে মেসি-রোনাল্ডোর আদলে তৈরি মিষ্টি থরে থরে সাজানো আছে মিষ্টির শোকেসে। খেলা যত এগোবে মিষ্টির বৈচিত্র‌ ততই বাড়বে। জানিয়েছেন কলকাতার অভিজাত মিষ্টির বিক্রেতারা।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম প্রতিদিন’র এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

মিষ্টি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, নিত‌্য নতুন আইডিয়াতে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে মূলত বিক্রি বাড়ে কারণ, সেই সময় প্রিয় দল জিতলে মিষ্টি বিক্রি শুরু হয়। ফলে প্রচুর বিক্রি হয় বিশ্বকাপ স্পেশাল মিষ্টি। যে দলের খেলা থাকে সেই দলের পতাকার রঙে রসগোল্লা, সন্দেশ তৈরি করেন দোকানদাররাও।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) মেসি এবং রোনাল্ডোর ক্ষীরের সন্দেশ তৈরি করেছে কলকাতার অভিজাত মিষ্টির দোকান বলরাম মল্লিক এবং রাধারমন মল্লিক। তাছাড়াও সেখানে ব্রাজিল, জার্মানি, আর্জেন্টিনা-সহ বিভিন্ন দেশের পতাকার রঙে তৈরি হয়েছে সন্দেশ।

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, আরও ভাবনা চলছে নতুন কী বানানো যায় তা নিয়ে। বানানো হয়েছে বিশ্বকাপ সন্দেশও। মেসি, রোনাল্ডোর সন্দেশ শুধু ভবানীপুরের দোকানেই পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন দেশের পতাকার রঙে সন্দেশ বানানো হয়েছে বিশ্বকাপ উপলক্ষে। আরও নিত‌্যনতুন মিষ্টি তৈরি হবে। বিশ্বকাপ সন্দেশ বানিয়েছে মিঠাইও।

Advertisement

২২ নভেম্বর থেকে হিন্দুস্তান সুইটসও নেমেছে বিশ্বকাপের আসরে। ফুটবলের মাধ‌্যমে সমস্ত দেশকে একসঙ্গে বাধা হচ্ছে। কলকাতার মিষ্টি বিক্রেতারা মনে করেন সম্প্রীতির বার্তা দেয়া হবে এই মিষ্টির মাধ‌্যমে।

হাওড়ার ব‌্যাতাই মিষ্টান্ন ভাণ্ডার অবশ‌্য বিশ্বকাপ উপলক্ষে অনেক ধরনের মিষ্টিই নিয়ে আসবে তবে তা আরও কিছুদিন পর থেকে। একটা ছোট আর একটা বড় ওয়ার্ল্ড কাপ সন্দেশ বানানো হচ্ছে তাদের দোকানে। ছোটটার দাম ৪০ টাকা। আর বড়টার ২৫০ টাকা। আরও কিছুদিন পর থেকে বিশ্বকাপ খেলা বাকি দেশের জার্সির রংয়ের রসগোল্লাও বানানো হবে। যেগুলোর দাম হবে ১৫ টাকা। বিশ্বকাপ যত শেষের দিকে যায় ততই বাড়ে এসব মিষ্টির চাহিদা।

পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

ফিচার

বিশ্বকাপ আসরে মুফতাহর চমক!

Published

on

নৌযান

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসরে চমকের কমতি রাখেনি কাতার। তবে নাম করা সব তারকাদের পেছনে ফেলে সব আলো কেড়ে নিলো এক তরুণ। বিশ্বখ্যাত হলিউড তারকা মরগ্যান ফ্রিম্যানের সঙ্গে উদ্বোধনী মঞ্চে দুহাতে ভর করে প্রবেশ করেন গনিম মোহাম্মদ আল মুফতাহ।

বিশ্বকাপ উদ্বোধনীতে পবিত্র কুরআনের সুরা হুজরাতের ১৩ নম্বর আয়াত খুব সুন্দরভাবে তেলোয়াত করে সবাইকে মুগ্ধ করেন তিনি। পরনে ছিলো কাতারের ঐতিহ্যবাহী পোশাক।

কোমর থেকে শরীরের নিচের অংশ নেই তার! সেই গনিম আল মুফতাহ আলো ছড়ালেন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে!

বিশ্বকাপের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশে কেন থাকলেন মুফতাহ?

মুফতাহ মধ্যপ্রাচ্যের এক জনপ্রিয় মুখ। তার উঠে আসার গল্প অনেকের জন্যই প্রেরণার। জটিল “কোডাল রিগ্রেশন সিনড্রোম” রোগে আক্রান্ত তিনি। এই বিরল রোগে আক্রান্ত হলে মানুষের নিম্নাংশের মেরুদণ্ডের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলো তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

Advertisement

তবে সব প্রতিকূলতা জয় করেছেন এ ২০ বছর বয়সি এই তরুণ। কিন্তু হাল ছাড়েননি মুফতাহ ও তার পরিবার। পেয়েছেন ফলও। সব প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে মুফতা কাতারের জনপ্রিয় ইউটিউবার, জনপ্রিয় মটিভেশনাল স্পিকার এবং মানবসেবী।

২০১৮ সালে টেড এক্স কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে একটি বক্তৃতার মাধ্যমে আলোচনায় আসেন মুফতাহ। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান। ইনস্টাগ্রামে এক মিলিয়নেরও বেশি অনুসারী আছে মুফতার।

পা নেই তবুও থেমে থাকেনি তার পথচলা। মুফতাহ একটি সেচ্ছাসেবী সংস্থা গঠন করেছেন। তার মতো যারা পায়ে চলতে পারেন না, তাদেরকে সংস্থাটি থেকে হুইল চেয়ার দেয়া হয়।

মানবদরদী কাজের জন্য তাকে ২০১৪ সালে কুয়েতের আমীর শেখ সাবা আল আহমেদ আল সাবা তাকে শান্তির দূত নামে অবিহিত করেন।

পড়াশোনাতেও এগিয়ে আসছে এই মুফতাহ। ইংল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

Advertisement

এবার বিশ্বকাপে ফিফার শুভেচ্ছা দূত মনোনীত করা হয় তাকে। বিশ্বকাপের উদ্বোধনীর শুরু অংশেও থাকলেন তিনি।

মরগ্যান ফ্রিম্যানের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে বললেন, ‘আশা-শান্তির ও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা।’

মুফতাহ কাতারের সর্বকনিষ্ঠ উদ্যেক্তাও। তিনি ঘারিসা আইসক্রিম প্রতিষ্ঠা করেছেন। কাতারে এর ৬টি শাখা রয়েছে। সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলে এই ব্যবসা ছড়িয়ে দিতে চান তিনি।

তার প্রিয় খেলা সাতার, প্যারা সাইকেলিং, স্কুবা ড্রাইভিং, ফুটবল, হাইকিং এবং স্কেটবোর্ডিং।

স্কুলে হাতে জুতা করে ফুটবল খেলতেন তিনি। স্বাভাবিক বন্ধুদের সাথে পাল্লা দিয়ে খেলেছেন মুফতাহ। স্বপ্ন দেখেন একদিন প্যারা অলিম্পিকে খেলার।

Advertisement

সবাইকে চমকে দিয়ে আরবের সবচেয়ে বড় পাহাড় জাবেল শামসের চূড়ায় উঠেছেন তিনি।

ভবিষ্যতে কাতারে প্রধানমন্ত্রী হতে চান গনিম মোহাম্মদ আল মুফতাহ।

এই তরুন প্রমাণ করেছেন ছুটে চলার জন্য পা জরুরি নয়। জরুরি অদম্য মনোবল। সেই মনোবল আর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থাকলে পাহাড়-পর্বতও জয় করা যায়।

 

Advertisement
পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

নৌযান নৌযান
জাতীয়38 mins ago

নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের সঙ্গে বৈঠক শেষে নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ সোমবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে...

নৌযান নৌযান
আইন-বিচার1 hour ago

স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন সারিকা

যৌতুকের দাবিতে মারধরের অভিযোগে স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ রাহীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মডেল, অভিনেত্রী ও উপস্থাপিকা সারিকা সাবরিন। আজ...

নৌযান নৌযান
বাংলাদেশ4 hours ago

ফের পেছালো শিক্ষক নিয়োগের ফল

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল আজ সোমবার (২৮ নভেম্বর) প্রকাশ করার কথা থাকলেও তা পেছানো হয়েছে। আগামী...

নৌযান নৌযান
আইন-বিচার4 hours ago

প্রেমের ফাঁদে নগ্ন ভিডিও করে প্রেমিকের চাঁদা দাবি

নোয়াখালী সদরে প্রেমের ফাঁদে কলেজছাত্রীর (১৮) নগ্ন ভিডিও করে চাঁদা দাবির ঘটনায় প্রেমিকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (২৭...

নৌযান নৌযান
শিক্ষা6 hours ago

৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় সারা দেশের ২ হাজার ৯৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শতভাগ। আর ৫০টি...

নৌযান নৌযান
অপরাধ8 hours ago

মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৪০

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযানে মাদক বিক্রি ও...

নৌযান নৌযান
জাতীয়10 hours ago

‘শান্তিরক্ষা মিশনে নারীরা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে’

আমাদের দেশের মেয়েরা শান্তিরক্ষা মিশনে বিশাল ভূমিকা পালন করছে। জাতিসংঘ কর্তৃক পরিচালিত বিশ্বব্যাপি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সেনা, নৌ, বিমান এবং...

নৌযান নৌযান
জাতীয়1 day ago

তৃতীয়বারের মতো সরকারকে ইসির চিঠি

জাতীয় নির্বাচন সংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) সংশোধনী বিলের অগ্রগতি জানতে আবারও সরকারকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নিয়ে...

নৌযান নৌযান
আইন-বিচার1 day ago

জঙ্গি ছিনতাইয়ে আত্মসমর্পণের পর রিমান্ডে ঈদী আমিন

ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের চোখে স্প্রে করে প্রকাশক দীপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি ছিনিয়ে নেয়ার...

নৌযান নৌযান
আইন-বিচার1 day ago

স্ত্রী হত্যায় ১৭ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূ বিবি ফাতেমা আক্তার পলিকে (২২) হত্যার দীর্ঘ ১৭ বছর পর তার স্বামী মঈন উদ্দিনের (৪২) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন...

Advertisement

আর্কাইভ

নৌযান
আওয়ামী লীগ2 days ago

বিএনপির সম্মেলন নিয়ে অফিসিয়ালি কিছু আসেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নৌযান
জাতীয়2 days ago

খেতে খেতে চীনের প্রধানমন্ত্রীকে টানেলের প্রস্তাবটা দেই: প্রধানমন্ত্রী

নৌযান
জাতীয়3 days ago

ময়দার বস্তায় আটা বিক্রি

নৌযান
বলিউড4 days ago

উরফি এবার মদের গ্লাস দিয়ে শরীর ঢাকলেন

নৌযান
জাতীয়4 days ago

‘রাজনীতি করতে চাই না, রাজনীতিবীদদের সহযোগিতা চাই’

নৌযান
জাতীয়5 days ago

বিশ্বকাপে আমাদের টিম নেই এটা আসলে কষ্ট দেয় : প্রধানমন্ত্রী

হত্যা
অপরাধ5 days ago

প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে নানাকে হত্যা

নৌযান
বিএনপি5 days ago

‘আদালত থেকে জঙ্গি ছিনতাই সরকারের নতুন নাটক’

নৌযান
শিক্ষা6 days ago

অভিন্ন গ্রেডিং পদ্ধতি মানছে না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

নৌযান
ফুটবল1 week ago

‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ টি-শার্ট কাতার মাঠে

সর্বাধিক পঠিত