Connect with us

ফিচার

৮০০ কোটি মানুষের মাইলফলক ছুঁয়েছে পৃথিবী

Published

on

স্বর্ণ

আজ ১৫ নভেস্বর। জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে একটি কাউন্টিং ঘড়ি এতদিন টিকটিক করে সেকেন্ড পেরিয়ে মিনিট আর ঘণ্টার হিসাব করছিল। আজ সব কাঁটা থেমে গেছে! মানব ইতিহাসে একটি বিশেষ দিন রচিত হয়েছে আজ। কারণ বিশ্বের জনসংখ্যা আজ ৮০০ কোটির মাইলফলক ছুঁয়েছে।

দিনটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ডে অব এইট বিলিয়ন’।

জাতিসংঘ আগেই জানিয়েছিল যে, আজ অর্থাৎ ১৫ নভেম্বর পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা ৮০০ কোটির ঘরে পৌঁছাবে! এই সংখ্যা ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটিতে পৌঁছাতে লেগেছে ১২ বছর।

এ মাইলফলকের বিষয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস একটি মাইলফলক বছরে পড়েছে। এটি আমাদের বৈচিত্র্য উদযাপন করার, মানবতাকে স্বীকৃতি দেয়ার এবং স্বাস্থ্যে চমৎকার অগ্রগতি উদযাপনের উপলক্ষ; যা গড় আয়ু বাড়িয়েছে, মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমিয়েছে।’

জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও ওষুধের উন্নতির কারণে মানুষের আয়ু বেড়ে যাওয়ায় জনসংখ্যা এ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

Advertisement

এছাড়া বেশ কিছু দেশের জন্মহারে উচ্চহারের কারণেও জনসংখ্যা এ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

অনুমান করা হয় যে, ১৮০৪ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা প্রথমবারের মতো ১০০ কোটিতে পৌঁছেছিল। এরপর ১২৩ বছর অর্থাৎ ১৯২৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে ২০০ কোটির ঘরে পৌঁছাতে। তারপর মাত্র ৩৩ বছরের মাথায় ১৯৬০ সালে মানুষের সংখ্যা হয় ৩০০ কোটি! সেই থেকে খুব দ্রুত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

এ খবরে অনেকেই বেশ উদ্বিগ্ন হচ্ছেন। তাদের প্রশ্ন, বাড়তি মানুষের চাপ সামলাতে পারবে কি আমাদের এই পৃথিবী?

বিপুল এই জনসংখ্যাকে বিশ্বের জন্য বোঝা নয়, বরং অপার সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে জাতিসংঘ।

সংস্থাটির জনসংখ্যা তহবিল ইউএনএফপিএ বলছে, ৮০০ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসেবে কাজে লাগাতে পারলে অসীম সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। তাই জনসংখ্যা ৮০০ কোটিতে পৌঁছানোর ব্যাপারটি মানুষের জন্য এবং এই পৃথিবীর জন্য এক মাইলফলক।

Advertisement

জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৬৬ শতাংশ কর্মক্ষম। কোনো দেশে যদি ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ কর্মক্ষম থাকে, তাহলে সে দেশকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনসংখ্যাতাত্ত্বিক লাভজনক অবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাংলাদেশে ২০০০ সাল থেকে এই অবস্থায় রয়েছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থা একটি দেশের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে অনুকূল বলে গণ্য হয়। এই অবস্থা কোনো দেশে হাজার বছরে একবারই আসে। এটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে তা দেশের অর্থনীতির জন্য আশীর্বাদ হবে। চীন ও জাপান ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে। তবে আমাদের দেশে এ বিষয়ে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ৮০০ কোটি জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ লোক বাস করছে এশিয়ার দুই দেশ ভারত ও চীনে। ভারতে ১৩৯ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার প্রায় চার গুণ এবং যুক্তরাজ্যের ২০ গুণের বেশি।
চীনের জনসংখ্যা ১৪১ কোটি। ভারতে প্রতিদিন ৮৬ হাজার শিশু জন্ম নিচ্ছে। অন্যদিকে চীনে দিনে জন্ম নিচ্ছে ৪৯ হাজার ৪০০ শিশু। এই হার অব্যাহত থাকলে ২০২৩ সালে ভারত হবে বিশ্বের শীর্ষ জনসংখ্যার দেশ। ২০৬০ সালে দেশটির জনসংখ্যা হবে ১৬৫ কোটি।

গার্ডিয়ান বলছে, এখন থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার বৃদ্ধির অর্ধেকের বেশি ঘটবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, মিসর, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, তানজানিয়া ও ভারতে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২ দশমিক ২ শতাংশ বাংলাদেশে রয়েছে। এটি বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম জনবহুল দেশ এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৭ কোটি ১০ লাখ।

সর্বশেষ ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনার হিসাব মতে, বাংলাদেশের জনসংখ্যাও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। গত এক দশকে দেশে জনসংখ্যা বেড়েছে ২ কোটি ১১ লাখ। বাড়ছে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যাও।

Advertisement

 

ফিচার

ব্রাজিল রসগোল্লা, আর্জেন্টিনা সন্দেশ!

Published

on

রসগোল্লা

ফুটবল জ্বরে আক্রান্ত এখন গোটা বিশ্ব। প্রিয় দলের জার্সি, পতাকা থেকে খেলোয়ারদের ছবি, দেদার বিকোচ্ছে সবকিছু। আর এবার বিশ্বকাপের আঁচ এসে পড়ল মিষ্টির দোকানেও। ব্রাজিল রসগোল্লা থেকে আর্জেন্টিনা সন্দেশ। ছানার বিশ্বকাপ থেকে মেসি-রোনাল্ডোর আদলে তৈরি মিষ্টি থরে থরে সাজানো আছে মিষ্টির শোকেসে। খেলা যত এগোবে মিষ্টির বৈচিত্র‌ ততই বাড়বে। জানিয়েছেন কলকাতার অভিজাত মিষ্টির বিক্রেতারা।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম প্রতিদিন’র এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

মিষ্টি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, নিত‌্য নতুন আইডিয়াতে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে মূলত বিক্রি বাড়ে কারণ, সেই সময় প্রিয় দল জিতলে মিষ্টি বিক্রি শুরু হয়। ফলে প্রচুর বিক্রি হয় বিশ্বকাপ স্পেশাল মিষ্টি। যে দলের খেলা থাকে সেই দলের পতাকার রঙে রসগোল্লা, সন্দেশ তৈরি করেন দোকানদাররাও।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) মেসি এবং রোনাল্ডোর ক্ষীরের সন্দেশ তৈরি করেছে কলকাতার অভিজাত মিষ্টির দোকান বলরাম মল্লিক এবং রাধারমন মল্লিক। তাছাড়াও সেখানে ব্রাজিল, জার্মানি, আর্জেন্টিনা-সহ বিভিন্ন দেশের পতাকার রঙে তৈরি হয়েছে সন্দেশ।

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, আরও ভাবনা চলছে নতুন কী বানানো যায় তা নিয়ে। বানানো হয়েছে বিশ্বকাপ সন্দেশও। মেসি, রোনাল্ডোর সন্দেশ শুধু ভবানীপুরের দোকানেই পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন দেশের পতাকার রঙে সন্দেশ বানানো হয়েছে বিশ্বকাপ উপলক্ষে। আরও নিত‌্যনতুন মিষ্টি তৈরি হবে। বিশ্বকাপ সন্দেশ বানিয়েছে মিঠাইও।

Advertisement

২২ নভেম্বর থেকে হিন্দুস্তান সুইটসও নেমেছে বিশ্বকাপের আসরে। ফুটবলের মাধ‌্যমে সমস্ত দেশকে একসঙ্গে বাধা হচ্ছে। কলকাতার মিষ্টি বিক্রেতারা মনে করেন সম্প্রীতির বার্তা দেয়া হবে এই মিষ্টির মাধ‌্যমে।

হাওড়ার ব‌্যাতাই মিষ্টান্ন ভাণ্ডার অবশ‌্য বিশ্বকাপ উপলক্ষে অনেক ধরনের মিষ্টিই নিয়ে আসবে তবে তা আরও কিছুদিন পর থেকে। একটা ছোট আর একটা বড় ওয়ার্ল্ড কাপ সন্দেশ বানানো হচ্ছে তাদের দোকানে। ছোটটার দাম ৪০ টাকা। আর বড়টার ২৫০ টাকা। আরও কিছুদিন পর থেকে বিশ্বকাপ খেলা বাকি দেশের জার্সির রংয়ের রসগোল্লাও বানানো হবে। যেগুলোর দাম হবে ১৫ টাকা। বিশ্বকাপ যত শেষের দিকে যায় ততই বাড়ে এসব মিষ্টির চাহিদা।

পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

ফিচার

বিশ্বকাপ আসরে মুফতাহর চমক!

Published

on

স্বর্ণ

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসরে চমকের কমতি রাখেনি কাতার। তবে নাম করা সব তারকাদের পেছনে ফেলে সব আলো কেড়ে নিলো এক তরুণ। বিশ্বখ্যাত হলিউড তারকা মরগ্যান ফ্রিম্যানের সঙ্গে উদ্বোধনী মঞ্চে দুহাতে ভর করে প্রবেশ করেন গনিম মোহাম্মদ আল মুফতাহ।

বিশ্বকাপ উদ্বোধনীতে পবিত্র কুরআনের সুরা হুজরাতের ১৩ নম্বর আয়াত খুব সুন্দরভাবে তেলোয়াত করে সবাইকে মুগ্ধ করেন তিনি। পরনে ছিলো কাতারের ঐতিহ্যবাহী পোশাক।

কোমর থেকে শরীরের নিচের অংশ নেই তার! সেই গনিম আল মুফতাহ আলো ছড়ালেন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে!

বিশ্বকাপের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশে কেন থাকলেন মুফতাহ?

মুফতাহ মধ্যপ্রাচ্যের এক জনপ্রিয় মুখ। তার উঠে আসার গল্প অনেকের জন্যই প্রেরণার। জটিল “কোডাল রিগ্রেশন সিনড্রোম” রোগে আক্রান্ত তিনি। এই বিরল রোগে আক্রান্ত হলে মানুষের নিম্নাংশের মেরুদণ্ডের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলো তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

Advertisement

তবে সব প্রতিকূলতা জয় করেছেন এ ২০ বছর বয়সি এই তরুণ। কিন্তু হাল ছাড়েননি মুফতাহ ও তার পরিবার। পেয়েছেন ফলও। সব প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে মুফতা কাতারের জনপ্রিয় ইউটিউবার, জনপ্রিয় মটিভেশনাল স্পিকার এবং মানবসেবী।

২০১৮ সালে টেড এক্স কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে একটি বক্তৃতার মাধ্যমে আলোচনায় আসেন মুফতাহ। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান। ইনস্টাগ্রামে এক মিলিয়নেরও বেশি অনুসারী আছে মুফতার।

পা নেই তবুও থেমে থাকেনি তার পথচলা। মুফতাহ একটি সেচ্ছাসেবী সংস্থা গঠন করেছেন। তার মতো যারা পায়ে চলতে পারেন না, তাদেরকে সংস্থাটি থেকে হুইল চেয়ার দেয়া হয়।

মানবদরদী কাজের জন্য তাকে ২০১৪ সালে কুয়েতের আমীর শেখ সাবা আল আহমেদ আল সাবা তাকে শান্তির দূত নামে অবিহিত করেন।

পড়াশোনাতেও এগিয়ে আসছে এই মুফতাহ। ইংল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

Advertisement

এবার বিশ্বকাপে ফিফার শুভেচ্ছা দূত মনোনীত করা হয় তাকে। বিশ্বকাপের উদ্বোধনীর শুরু অংশেও থাকলেন তিনি।

মরগ্যান ফ্রিম্যানের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে বললেন, ‘আশা-শান্তির ও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা।’

মুফতাহ কাতারের সর্বকনিষ্ঠ উদ্যেক্তাও। তিনি ঘারিসা আইসক্রিম প্রতিষ্ঠা করেছেন। কাতারে এর ৬টি শাখা রয়েছে। সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলে এই ব্যবসা ছড়িয়ে দিতে চান তিনি।

তার প্রিয় খেলা সাতার, প্যারা সাইকেলিং, স্কুবা ড্রাইভিং, ফুটবল, হাইকিং এবং স্কেটবোর্ডিং।

স্কুলে হাতে জুতা করে ফুটবল খেলতেন তিনি। স্বাভাবিক বন্ধুদের সাথে পাল্লা দিয়ে খেলেছেন মুফতাহ। স্বপ্ন দেখেন একদিন প্যারা অলিম্পিকে খেলার।

Advertisement

সবাইকে চমকে দিয়ে আরবের সবচেয়ে বড় পাহাড় জাবেল শামসের চূড়ায় উঠেছেন তিনি।

ভবিষ্যতে কাতারে প্রধানমন্ত্রী হতে চান গনিম মোহাম্মদ আল মুফতাহ।

এই তরুন প্রমাণ করেছেন ছুটে চলার জন্য পা জরুরি নয়। জরুরি অদম্য মনোবল। সেই মনোবল আর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থাকলে পাহাড়-পর্বতও জয় করা যায়।

 

Advertisement
পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

ফিচার

মাথা কেটে বের করে নেয়া হত ঘিলু!

Published

on

মাথা

৩ দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় ১০ হাজার মানসিক রোগীর দেহ থেকে মস্তিষ্ক হাতিয়ে নিয়েছেন ডেনমার্কের চিকিৎসকেরা। এমনকি, এ বিষয়ে ওই রোগীদের পরিবারের অনুমতি পর্যন্ত নেয়া হয়নি।

ডেনমার্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে মস্তিষ্কগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গোপন গুদামে সেগুলি বাক্সবন্দি করে রাখা হয়েছিল।

গত ১২-১৩ নভেম্বর আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন-এ ‘ওয়ার্ল্ড’স আনটোল্ড স্টোরিজ: দ্য ব্রেন কালেক্টরস’ নামে একটি তথ্যচিত্র  দেখানো হয়েছে। যার বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে গিয়েছে।

মাথা

দীর্ঘ দিন ধরেই মস্তিষ্ক সংগ্রহের বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষো চলছিল। তবে তা নিয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। সিএনএন-এ প্রচারিত তথ্যচিত্রে গোটা বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের দাবি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ৩৭ বছর ধরে গোপনে এ হেন সংগ্রহে লিপ্ত ছিলেন ড্যানিশ চিকিৎসকেরা। মূলত সিজোফ্রেনিয়া, মানসিক অবসাদে ভোগা রোগীদের হাসপাতালে মৃত্যুর পর সেখান থেকে তাদের মস্তিষ্ক সরানো হত।

Advertisement

সিএনএন জানিয়েছে, ডেনমার্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ধার হয়েছে কার্স্টেন আবিলট্রাপ নামে এক কমবয়সি রোগীর মস্তিষ্কও। কার্স্টেনের জন্ম হয়েছিল ১৯২৭ সালে। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

চিকিৎসার জন্য কার্স্টেনকে নেদারল্যান্ডসের একটি নবনির্মিত মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, মানসিক হাসপাতালে ভর্তির পরে তার মৃত্যু হলে কার্স্টেনের মস্তিষ্ক বিনা অনুমতিতে সরানো হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে মানসিক রোগ বা সমস্যা নিয়ে বিশেষ ওয়াকিবহাল ছিল না চিকিৎসক মহল। অভিযোগ আছে, সে সময় এরিক স্টর্মগ্রেন এবং লারুস আইনারসন নামে দু’জন তরুণ চিকিৎসক মানসিক রোগীদের মস্তিষ্ক হাতানোর ছক কষেছিলেন। ময়নাতদন্তের সময় তাদের মস্তিষ্ক সরিয়ে নিতেন তারা। এরপর তা গোপন জায়গায় জমা করে রাখতেন। যদিও কী উদ্দেশ্যে দুই চিকিৎসক এমন করতেন, তা জানা যায়নি।

ডেনমার্কের আর্থাস ইউনিভার্সিটির মেডিক্যাল সায়েন্সের ইতিহাসবিদ তথা পরামর্শদাতা টমাস আর্স্লেভ মনে করেন, ১৯৪৫ থেকে ’৮২ সাল পর্যন্ত সে দেশে যত মানসিক রোগী হাসপাতালে মারা গিয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকের মস্তিষ্ক হাতিয়ে নেয়া হয়েছিল। এবং গোটা বিষয়টি অন্ধকারে রাখা হয়েছিল ওই রোগীদের পরিবারের সদস্যদের থেকে।

সিএনএন-এর দাবি, ডেনমার্কের ইনস্টিটিউট অফ ব্রেন প্যাথোলজিতে এই কাণ্ডকারখানা চলত। ওই ইনস্টিটিউটটি আর্থাস শহরের রিসকভ সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

Advertisement

প্রায় ৫ বছর ধরে ও্ই তরুণ দুই চিকিৎসক এই ‘কুকীর্তি’ চালিয়ে যাওয়ার পর নাড এ লোরেনৎজেন নামে এক প্যাথোলজিস্ট ওই ইনস্টিউটের দায়িত্ব নেন। এর পরের ৩ দশক ধরে ওই চিকিৎসকদের অসমাপ্ত কাজ চালিয়ে যান নাড।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে ৯,৪৭৬টি মস্তিষ্ক গোপনে সংগ্রহ করা হয়েছিল। বিশ্বের কোথাও নাকি মস্তিষ্কের এত বড় সংগ্রহ নেই। এই কাজের জন্য অর্থ সাহায্যও পেতেন চিকিৎসকেরা। তবে তাতে ড্যানিশ প্রশাসন জড়িত কি না, তা জানা যায়নি।

২০১৮ সালে অর্থাভাবে ওই সংগ্রহটি অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।  সে সময় ওই ইনস্টিটিউটের প্যাথোলজিস্ট মার্টিন ডব্লিউ নিয়েলসন গোটা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের দাবি। অনেকের কাছেই মার্টিনের পরিচিতি হয়ে যায় ‘ব্রেন কালেক্টর’ নামে।

মস্তিষ্কগুলি অন্যত্র সরানোর সময় একটি নতুন পাত্রে সেগুলি ফর্মালডিহাইডে চুবিয়ে নিয়ে যাওয়া হত, যাতে তা অক্ষত থাকে। প্রতিটি পাত্রে গায়ে কালো কালিতে একটি নম্বর লিখে রাখা হত, যাতে ওই মস্তিষ্কগুলির কার, তা বোঝা যায়। এভাবেই ওই মস্তিষ্কগুলি কোন কোন রোগীর, তা জানা গিয়েছে। যদিও ১ নম্বর মস্তিষ্কটি কার, সে সম্পর্কে এখনও অন্ধকারে চিকিৎসক মহল।

ইনস্টিটিউট থেকে দক্ষিণ ডেনমার্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই মস্তিষ্কগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যদিও ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশ্যে আনেনি আমেরিকার সংবাদমাধ্যমটি।

Advertisement

মাথা

সিএনএন জানিয়েছে, ডেনমার্কের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ হাজার পাত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যাতে অন্তত সাড়ে ৫ হাজার ডিমেনশিয়া রোগীর মস্তিষ্ক ছিল। এ ছাড়া, বাকিগুলির মধ্যে বাই-পোলার রোগীর ৪০০টি এবং অবসাদে ভোগা ৩০০ জনের মস্তিষ্কও মিলেছে।

মস্তিষ্ক সংগ্রহের কাণ্ডকারখানা প্রকাশ্যে আসা মাত্রই বিশ্ব জুড়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে। এ হেন কর্মকাণ্ডের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। অনেকের দাবি, ওই মস্তিষ্কগুলি রোগীর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হোক। এমনকি, মৃতদের পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও তুলেছেন অনেকে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

ডেনিশ অ্যাসোসিয়েশন ফর মেন্টাল হেল্‌থ-এর ডিরেক্টর নাড কার্স্টেনসেন বলেন, ‘‘এই বিপুল সংখ্যক মস্তিষ্ক নিয়ে কী করা হবে, সে বিষয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। অনেকের দাবি, মস্তিষ্কগুলি হয় কবর দেওয়া হোক বা অন্য কোনও নৈতিক উপায়ে এই সংগ্রহকে নষ্ট করে দেওয়া হোক।’’

কার্স্টেনসেন আরও বলেন, ‘‘অনেকের দাবি, ইতিমধ্যেই বহু রোগীর ক্ষতি করা হয়ে গিয়েছে। ওই মস্তিষ্কগুলি যাতে গবেষণার কাজে লাগানো যেতে পারে, এবার অন্তত তা দেখা উচিত!’’

Advertisement
পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

স্বর্ণ স্বর্ণ
অপরাধ12 hours ago

যাত্রীবাহী বাস থেকে ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস থেকে প্রায় ৬৩৭ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এর বাজারমূল্য প্রায়...

স্বর্ণ স্বর্ণ
করোনা ভাইরাস13 hours ago

দেশে করোনায় শনাক্ত ২৩ জন

সবশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেলো ২৪ ঘণ্টায় কারও মৃত্যু  হয় নি। এ সময়ে নতুন করে ২৩ জনের...

খাবার খাবার
বাংলাদেশ14 hours ago

খালি পেটে খাওয়া যাবে যেসব খাবার

শরীরের ভাল-মন্দ নির্ভর করে খাওয়াদাওয়ার উপর। সারা বছর সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার জুড়ি মেলা ভার। শরীরের খেয়াল রাখতে বাইরের...

মির্জা ফখরুল মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশ14 hours ago

মির্জা ফখরুলদের বুকে বড় জ্বালা: কাদের

শেখ হাসিনা না থাকলে পদ্মা সেতু হতো না। আজ কর্ণফুলী টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে। এটাও হতো না। এসব দেখে বিএনপি...

স্বর্ণ স্বর্ণ
জাতীয়14 hours ago

ধর্মের দোহাই দিয়ে অনেকে নারীর অগ্রযাত্রা রুখতে চায় : প্রধানমন্ত্রী

ধর্মের দোহাই দিয়ে অনেকে নারীর অগ্রযাত্রা রুখতে চায়। নারীদের পিছিয়ে রেখে চলা যাবে না, এই নীতিতে বিশ্বাসী সরকার। বললেন প্রধানমন্ত্রী...

স্বর্ণ স্বর্ণ
জাতীয়15 hours ago

আমাদের পর্যাপ্ত চিনি মজুত আছে: শিল্পমন্ত্রী

চিনির কোনো অভাব নাই। রমজানকে টার্গেট রেখে বাজারে পর্যাপ্ত চিনির মজুত আছে। তারপরও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয়া আছে আরও এক...

স্বর্ণ স্বর্ণ
জাতীয়16 hours ago

সময় হলে বাংলাদেশও অ্যাকশনে যাবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিদেশিদের হস্তক্ষেপে কোন রাষ্ট্ররই কল্যাণ হয়নি। এদেশের মানুষ যাকে মনে করবে তাকেই ভোট দেবেন। প্রয়োজন হলে বিদেশিদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া...

স্বর্ণ স্বর্ণ
জাতীয়18 hours ago

খেতে খেতে চীনের প্রধানমন্ত্রীকে টানেলের প্রস্তাবটা দেই: প্রধানমন্ত্রী

চীন সফরে আমি খেতে খেতে চীনের প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রস্তাবটা ফের দেই। তিনি খাওয়ার টেবিলেই রাজি হয়ে যান। আমাদের টিমের সদস্যরা...

অভিনেত্রী অভিনেত্রী
বলিউড1 day ago

৩ মাস পর অভিনেত্রী জানতে পারলেন তিনি অন্তঃসত্ত্বা 

মাত্র ১৭ বছর বয়সে অভিনয় জগতে পা রেখেছিলেন টলি কুইন শুভশ্রী মুখার্জি। এখন তিনি টলিপাড়ার একজন সফল অভিনেত্রী। পরিচালক রাজ...

স্বর্ণ স্বর্ণ
করোনা ভাইরাস2 days ago

দেশে করোনায় শনাক্ত ১৯ জন

সবশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেলো ২৪ ঘণ্টায় কারও মৃত্যু হয়নি । এ সময়ে নতুন করে ১৯ জনের...

Advertisement

আর্কাইভ

November 2022
MTWTFSS
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930 
স্বর্ণ
রংপুর8 hours ago

পুকুরে পড়ে দুই খালাতো ভাইয়ের মৃত্যু

স্বর্ণ
এশিয়া8 hours ago

মৃত ঘোষণার পর শেষকৃত্যের প্রস্তুতি চলছে, হাঠৎ জেগে উঠলেন মহিলা

স্বর্ণ
রূপচর্চা9 hours ago

উজ্জ্বল লাল শাড়িতে কাজল যেনো ২৫ এর তরুণী

স্বর্ণ
ফুটবল9 hours ago

পোল্যান্ড জিতে যাওয়ায় জটিল সমীকরণে আর্জেন্টিনার ‘সি গ্রুপ’

স্বর্ণ
বলিউড10 hours ago

নতুন সম্পর্কে সামান্থার সাবেক স্বামী!

স্বর্ণ
অপরাধ12 hours ago

যাত্রীবাহী বাস থেকে ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

স্বর্ণ
এশিয়া12 hours ago

কিছু না পরলেও সুন্দর দেখায় মেয়েদের : রামদেব

স্বর্ণ
চাকরির খবর12 hours ago

২৮ পদে নিয়োগ দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

স্বর্ণ
আওয়ামী লীগ12 hours ago

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হলেন রিমি

স্বর্ণ
বিএনপি12 hours ago

গেলো ১৫ বছরে আ.লীগ আমাদের সব অর্জন ধ্বংস করেছে : ফখরুল

স্বর্ণ
আওয়ামী লীগ17 hours ago

বিএনপির সম্মেলন নিয়ে অফিসিয়ালি কিছু আসেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বর্ণ
জাতীয়18 hours ago

খেতে খেতে চীনের প্রধানমন্ত্রীকে টানেলের প্রস্তাবটা দেই: প্রধানমন্ত্রী

স্বর্ণ
জাতীয়2 days ago

ময়দার বস্তায় আটা বিক্রি

স্বর্ণ
বলিউড3 days ago

উরফি এবার মদের গ্লাস দিয়ে শরীর ঢাকলেন

স্বর্ণ
জাতীয়3 days ago

‘রাজনীতি করতে চাই না, রাজনীতিবীদদের সহযোগিতা চাই’

স্বর্ণ
জাতীয়3 days ago

বিশ্বকাপে আমাদের টিম নেই এটা আসলে কষ্ট দেয় : প্রধানমন্ত্রী

হত্যা
অপরাধ4 days ago

প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে নানাকে হত্যা

স্বর্ণ
বিএনপি4 days ago

‘আদালত থেকে জঙ্গি ছিনতাই সরকারের নতুন নাটক’

স্বর্ণ
শিক্ষা5 days ago

অভিন্ন গ্রেডিং পদ্ধতি মানছে না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

স্বর্ণ
ফুটবল7 days ago

‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ টি-শার্ট কাতার মাঠে

সর্বাধিক পঠিত