Connect with us

ফিচার

মাথা কেটে বের করে নেয়া হত ঘিলু!

Published

on

মাথা

৩ দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় ১০ হাজার মানসিক রোগীর দেহ থেকে মস্তিষ্ক হাতিয়ে নিয়েছেন ডেনমার্কের চিকিৎসকেরা। এমনকি, এ বিষয়ে ওই রোগীদের পরিবারের অনুমতি পর্যন্ত নেয়া হয়নি।

ডেনমার্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে মস্তিষ্কগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গোপন গুদামে সেগুলি বাক্সবন্দি করে রাখা হয়েছিল।

গত ১২-১৩ নভেম্বর আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন-এ ‘ওয়ার্ল্ড’স আনটোল্ড স্টোরিজ: দ্য ব্রেন কালেক্টরস’ নামে একটি তথ্যচিত্র  দেখানো হয়েছে। যার বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে গিয়েছে।

মাথা

দীর্ঘ দিন ধরেই মস্তিষ্ক সংগ্রহের বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষো চলছিল। তবে তা নিয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। সিএনএন-এ প্রচারিত তথ্যচিত্রে গোটা বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের দাবি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ৩৭ বছর ধরে গোপনে এ হেন সংগ্রহে লিপ্ত ছিলেন ড্যানিশ চিকিৎসকেরা। মূলত সিজোফ্রেনিয়া, মানসিক অবসাদে ভোগা রোগীদের হাসপাতালে মৃত্যুর পর সেখান থেকে তাদের মস্তিষ্ক সরানো হত।

Advertisement

সিএনএন জানিয়েছে, ডেনমার্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ধার হয়েছে কার্স্টেন আবিলট্রাপ নামে এক কমবয়সি রোগীর মস্তিষ্কও। কার্স্টেনের জন্ম হয়েছিল ১৯২৭ সালে। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

চিকিৎসার জন্য কার্স্টেনকে নেদারল্যান্ডসের একটি নবনির্মিত মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, মানসিক হাসপাতালে ভর্তির পরে তার মৃত্যু হলে কার্স্টেনের মস্তিষ্ক বিনা অনুমতিতে সরানো হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে মানসিক রোগ বা সমস্যা নিয়ে বিশেষ ওয়াকিবহাল ছিল না চিকিৎসক মহল। অভিযোগ আছে, সে সময় এরিক স্টর্মগ্রেন এবং লারুস আইনারসন নামে দু’জন তরুণ চিকিৎসক মানসিক রোগীদের মস্তিষ্ক হাতানোর ছক কষেছিলেন। ময়নাতদন্তের সময় তাদের মস্তিষ্ক সরিয়ে নিতেন তারা। এরপর তা গোপন জায়গায় জমা করে রাখতেন। যদিও কী উদ্দেশ্যে দুই চিকিৎসক এমন করতেন, তা জানা যায়নি।

ডেনমার্কের আর্থাস ইউনিভার্সিটির মেডিক্যাল সায়েন্সের ইতিহাসবিদ তথা পরামর্শদাতা টমাস আর্স্লেভ মনে করেন, ১৯৪৫ থেকে ’৮২ সাল পর্যন্ত সে দেশে যত মানসিক রোগী হাসপাতালে মারা গিয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকের মস্তিষ্ক হাতিয়ে নেয়া হয়েছিল। এবং গোটা বিষয়টি অন্ধকারে রাখা হয়েছিল ওই রোগীদের পরিবারের সদস্যদের থেকে।

সিএনএন-এর দাবি, ডেনমার্কের ইনস্টিটিউট অফ ব্রেন প্যাথোলজিতে এই কাণ্ডকারখানা চলত। ওই ইনস্টিটিউটটি আর্থাস শহরের রিসকভ সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

Advertisement

প্রায় ৫ বছর ধরে ও্ই তরুণ দুই চিকিৎসক এই ‘কুকীর্তি’ চালিয়ে যাওয়ার পর নাড এ লোরেনৎজেন নামে এক প্যাথোলজিস্ট ওই ইনস্টিউটের দায়িত্ব নেন। এর পরের ৩ দশক ধরে ওই চিকিৎসকদের অসমাপ্ত কাজ চালিয়ে যান নাড।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে ৯,৪৭৬টি মস্তিষ্ক গোপনে সংগ্রহ করা হয়েছিল। বিশ্বের কোথাও নাকি মস্তিষ্কের এত বড় সংগ্রহ নেই। এই কাজের জন্য অর্থ সাহায্যও পেতেন চিকিৎসকেরা। তবে তাতে ড্যানিশ প্রশাসন জড়িত কি না, তা জানা যায়নি।

২০১৮ সালে অর্থাভাবে ওই সংগ্রহটি অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।  সে সময় ওই ইনস্টিটিউটের প্যাথোলজিস্ট মার্টিন ডব্লিউ নিয়েলসন গোটা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের দাবি। অনেকের কাছেই মার্টিনের পরিচিতি হয়ে যায় ‘ব্রেন কালেক্টর’ নামে।

মস্তিষ্কগুলি অন্যত্র সরানোর সময় একটি নতুন পাত্রে সেগুলি ফর্মালডিহাইডে চুবিয়ে নিয়ে যাওয়া হত, যাতে তা অক্ষত থাকে। প্রতিটি পাত্রে গায়ে কালো কালিতে একটি নম্বর লিখে রাখা হত, যাতে ওই মস্তিষ্কগুলির কার, তা বোঝা যায়। এভাবেই ওই মস্তিষ্কগুলি কোন কোন রোগীর, তা জানা গিয়েছে। যদিও ১ নম্বর মস্তিষ্কটি কার, সে সম্পর্কে এখনও অন্ধকারে চিকিৎসক মহল।

ইনস্টিটিউট থেকে দক্ষিণ ডেনমার্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই মস্তিষ্কগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যদিও ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশ্যে আনেনি আমেরিকার সংবাদমাধ্যমটি।

Advertisement

মাথা

সিএনএন জানিয়েছে, ডেনমার্কের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ হাজার পাত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যাতে অন্তত সাড়ে ৫ হাজার ডিমেনশিয়া রোগীর মস্তিষ্ক ছিল। এ ছাড়া, বাকিগুলির মধ্যে বাই-পোলার রোগীর ৪০০টি এবং অবসাদে ভোগা ৩০০ জনের মস্তিষ্কও মিলেছে।

মস্তিষ্ক সংগ্রহের কাণ্ডকারখানা প্রকাশ্যে আসা মাত্রই বিশ্ব জুড়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে। এ হেন কর্মকাণ্ডের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। অনেকের দাবি, ওই মস্তিষ্কগুলি রোগীর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হোক। এমনকি, মৃতদের পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও তুলেছেন অনেকে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

ডেনিশ অ্যাসোসিয়েশন ফর মেন্টাল হেল্‌থ-এর ডিরেক্টর নাড কার্স্টেনসেন বলেন, ‘‘এই বিপুল সংখ্যক মস্তিষ্ক নিয়ে কী করা হবে, সে বিষয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। অনেকের দাবি, মস্তিষ্কগুলি হয় কবর দেওয়া হোক বা অন্য কোনও নৈতিক উপায়ে এই সংগ্রহকে নষ্ট করে দেওয়া হোক।’’

কার্স্টেনসেন আরও বলেন, ‘‘অনেকের দাবি, ইতিমধ্যেই বহু রোগীর ক্ষতি করা হয়ে গিয়েছে। ওই মস্তিষ্কগুলি যাতে গবেষণার কাজে লাগানো যেতে পারে, এবার অন্তত তা দেখা উচিত!’’

Advertisement
Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক করুন

রিপ্লাই দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফুটবল

বিছানা ছেড়ে ব্রাজিল ম্যাচে গ্যালারিতে নেইমার!

Published

on

ব্রাজিল

মাঠে যখন সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে রিচার্লিসনরা খেলছেন, এমন সময় হঠাৎই অবাক হয়ে যান গ্যালারির ব্রাজিলের সমর্থকরা। অনেকে তার সঙ্গে সেলফিও তোলেন।

গোড়ালিতে চোট পাওয়ার পর থেকে মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি। ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচেও নামার সম্ভাবনা কম। রয়েছেন হোটেলেই। অথচ সেই নেইমার কি না হোটেল ছেড়ে সোজা চলে গেলেন গ্যালারিতে। মাঠে যখন রিচার্লিসন, ভিনিসিয়াসরা খেলছেন তখন গ্যালারিতে বসে তিনি। নেইমারকে দেখে অবাক সেখানে উপস্থিত ব্রাজিলের সমর্থকরা। যদিও কিছুক্ষণ পরে ভুল ভাঙে সবার।

ব্যাপারটা কী হয়েছিল?

ব্যাপারটা হলো যিনি গ্যালারিতে ছিলেন তিনি আসল নেইমার নন। অবিকল তার মতো দেখতে। একবার দেখলে অনেকের পক্ষেই আলাদা করা কঠিন। গ্যালারিতে তাই তাকে দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন ব্রাজিলের সমর্থকরা। ভিড়ের মধ্যে থেকে রক্ষীরা সেই নকল নেইমারকে বের করে নিয়ে যান। শুধু গ্যালারিতে থাকা দর্শকরা নন, বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও নকল নেইমারকে চিনতে ভুল করে। তারাও তার ছবি দিয়ে জানায়, ব্রাজিল ম্যাচে গ্যালারিতে নেইমারকে দেখা গিয়েছে। পরে অবশ্য ভুল শুধরে নেয় তারা।

ব্রাজিল

এত কিছু যখন হচ্ছে, তখন নেইমার শুয়ে হোটেলের বিছানায়। জানা গিয়েছে, হোটেলের ঘরে নেইমারের ফিজিয়োথেরাপির সেশন ছিল। তাই দলের সঙ্গে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। হোটেলের ঘরে বসেই খেলা দেখার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। দলের তরফেও কোনও আপত্তি করা হয়নি। দলের প্রধান লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব নেইমারকে সুস্থ করে তোলা। সে কারণেই চিকিৎসকরা দিন রাত খাটছেন। বিছানায় শুয়ে টেলিভিশনে ব্রাজিলের খেলা দেখেছেন নেইমার। সেই ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

অবশ্য এই প্রথম নকল নেইমারকে দেখে চিনতে ভুল হয়েছে তা নয়, ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচের পরে কাতারের রাস্তায় তাকে দেখে নেইমার ভেবে বসে ফক্স স্পোর্টসের মতো নামী সংবাদমাধ্যম। নকল নেইমারের ছবি তুলে টুইট করে তারা জানায়, দোহার রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন নেইমার। পরে অবশ্য ভুল বুঝতে পারে তারা।

সূত্র: ডেইলি মেইল

পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

ফিচার

বিয়ের আগে কীভাবে ত্বক উজ্জ্বল করবেন জানেন কি!

Published

on

করোনায়

বিয়ে হতে আর মাত্র এক মাস বাকি। হাতে নেই সময়। প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তার মধ্যেই ত্বকের যত্ন বিশেষ ভাবে জরুরি। অনেকেই বিয়ের কিছু দিন আগে ত্বকে নানা রকম বিউটি ট্রিটমেন্ট করিয়ে থাকেন। যা আপনার ত্বকে নেতিবাচক প্রভাবের ঝুঁকি বেশ কিছুটা বাড়িয়ে তোলে। তাই ভরসা ঘরোয়া উপায়ে থাকাটাই শ্রেয়। বেশ কিছু সহজ ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিন্তু উজ্জ্বল ত্বক পেতে পারেন অনায়াসেই।

  • শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখুন। তা শুধুমাত্র ত্বক কোমল রাখে তা-ই নয়, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ব্রণ থেকেও দূরে রাখে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকে প্যারাবেনমুক্ত ও টক্সিন মুক্ত ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
  • ত্বক উজ্জ্বল রাখুন ভিতর থেকে। খাদ্যতালিকায় বেশি করে ফল ও শাকসব্জি যোগ করুন। চিনি ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। স্যালাড আপনার অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে তোলে, যা আপনার ত্বকে কোমলতা ও উজ্জ্বলতা এনে দেয়।
  • সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ত্বকের বিপর্যয় ডেকে আনে। নিয়ে আসে হাইপারপিগমেন্টেশন, বলিরেখা ও রুক্ষতা। তাই বাইরে যাওয়ার আগে ন্যূনতম এসপিএফ ৩০ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়। যেহেতু সানস্ক্রিন সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক হয় না, তাই অবশ্যই তা প্যারাবেনমুক্ত ও টক্সিন মুক্ত কি না দেখে নিতে হবে।
  • ত্বকের যত্নের জন্য বাজারে অজস্র পণ্য রয়েছে। কিন্তু সেগুলির মধ্যে থাকা রাসায়নিক উপাদান উল্টে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রাকৃতিক বা আয়ুর্বেদিক জিনিস ব্যবহার করুন। বিভিন্ন সংস্থা এই ধরনের ফেসপ্যাক, ফেসওয়াশ, ময়শ্চারাইজার নিয়ে এসেছে সাজ মহলে। এগুলি মূলত হলুদ, কেশর, মুলতানি মাটির মতো নানা প্রাকৃতিক বা ভেষজ উপাদানে তৈরি।
  • নিয়মিত শরীরচর্চা করা জরুরি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য। গালের ফোলা ভাব কমাতে তা সাহায্য করে। নিয়মিত শরীরচর্চা করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে এবং এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসরণ করে যা ত্বকের প্রদাহ কমায়। ত্বক হয়ে ওঠে মোলায়েম।
  • শুধু মুখের যত্ন নয়, সারা শরীরেরই যত্ন নিন। স্নানের সময়ে এক্সফোলিয়েশন করুন এবং পরে ময়শ্চারাইজার দিন ভাল ভাবে। বডি মাস্ক ব্যবহার করুন মাঝে মধ্যে। এতে ত্বক মসৃণ থাকবে। আর বিয়েতে লো কাট, ব্যাকলেস ও স্লিভলেস পোশাকে নজর কাড়ুন নিশ্চিন্তে।
পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

ফিচার

ব্রাজিল রসগোল্লা, আর্জেন্টিনা সন্দেশ!

Published

on

রসগোল্লা

ফুটবল জ্বরে আক্রান্ত এখন গোটা বিশ্ব। প্রিয় দলের জার্সি, পতাকা থেকে খেলোয়ারদের ছবি, দেদার বিকোচ্ছে সবকিছু। আর এবার বিশ্বকাপের আঁচ এসে পড়ল মিষ্টির দোকানেও। ব্রাজিল রসগোল্লা থেকে আর্জেন্টিনা সন্দেশ। ছানার বিশ্বকাপ থেকে মেসি-রোনাল্ডোর আদলে তৈরি মিষ্টি থরে থরে সাজানো আছে মিষ্টির শোকেসে। খেলা যত এগোবে মিষ্টির বৈচিত্র‌ ততই বাড়বে। জানিয়েছেন কলকাতার অভিজাত মিষ্টির বিক্রেতারা।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম প্রতিদিন’র এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

মিষ্টি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, নিত‌্য নতুন আইডিয়াতে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে মূলত বিক্রি বাড়ে কারণ, সেই সময় প্রিয় দল জিতলে মিষ্টি বিক্রি শুরু হয়। ফলে প্রচুর বিক্রি হয় বিশ্বকাপ স্পেশাল মিষ্টি। যে দলের খেলা থাকে সেই দলের পতাকার রঙে রসগোল্লা, সন্দেশ তৈরি করেন দোকানদাররাও।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) মেসি এবং রোনাল্ডোর ক্ষীরের সন্দেশ তৈরি করেছে কলকাতার অভিজাত মিষ্টির দোকান বলরাম মল্লিক এবং রাধারমন মল্লিক। তাছাড়াও সেখানে ব্রাজিল, জার্মানি, আর্জেন্টিনা-সহ বিভিন্ন দেশের পতাকার রঙে তৈরি হয়েছে সন্দেশ।

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, আরও ভাবনা চলছে নতুন কী বানানো যায় তা নিয়ে। বানানো হয়েছে বিশ্বকাপ সন্দেশও। মেসি, রোনাল্ডোর সন্দেশ শুধু ভবানীপুরের দোকানেই পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন দেশের পতাকার রঙে সন্দেশ বানানো হয়েছে বিশ্বকাপ উপলক্ষে। আরও নিত‌্যনতুন মিষ্টি তৈরি হবে। বিশ্বকাপ সন্দেশ বানিয়েছে মিঠাইও।

Advertisement

২২ নভেম্বর থেকে হিন্দুস্তান সুইটসও নেমেছে বিশ্বকাপের আসরে। ফুটবলের মাধ‌্যমে সমস্ত দেশকে একসঙ্গে বাধা হচ্ছে। কলকাতার মিষ্টি বিক্রেতারা মনে করেন সম্প্রীতির বার্তা দেয়া হবে এই মিষ্টির মাধ‌্যমে।

হাওড়ার ব‌্যাতাই মিষ্টান্ন ভাণ্ডার অবশ‌্য বিশ্বকাপ উপলক্ষে অনেক ধরনের মিষ্টিই নিয়ে আসবে তবে তা আরও কিছুদিন পর থেকে। একটা ছোট আর একটা বড় ওয়ার্ল্ড কাপ সন্দেশ বানানো হচ্ছে তাদের দোকানে। ছোটটার দাম ৪০ টাকা। আর বড়টার ২৫০ টাকা। আরও কিছুদিন পর থেকে বিশ্বকাপ খেলা বাকি দেশের জার্সির রংয়ের রসগোল্লাও বানানো হবে। যেগুলোর দাম হবে ১৫ টাকা। বিশ্বকাপ যত শেষের দিকে যায় ততই বাড়ে এসব মিষ্টির চাহিদা।

পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

করোনায় করোনায়
করোনা ভাইরাস20 mins ago

দেশে করোনায় শনাক্ত ১৮

সবশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেলো ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যায় নি। এ সময়ে নতুন করে ১৮ জনের...

জিএম কাদের জিএম কাদের
আইন-বিচার3 hours ago

জি এম কাদের জাপার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ আগামী সোমবার পর্যন্ত স্থগিত...

করোনায় করোনায়
অপরাধ4 hours ago

আয়াতের খণ্ডিত পা দুটি উদ্ধার

চট্টগ্রামের ইপিজেডে ৫ বছরের শিশু আলীনা ইসলাম আয়াতকে হত্যার পর ছয় টুকরা করা শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতের খণ্ডিত পা দুটি...

করোনায় করোনায়
জাতীয়4 hours ago

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রেন সাময়িকভাবে বন্ধ

পদ্মাসেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা থেকে গেন্ডারিয়া অংশে ৩টি পৃথক রেল লাইনের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। কাজটি দ্রুত সম্পন্ন...

করোনায় করোনায়
আইন-বিচার5 hours ago

রাজধানীতে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

নগরীর বাড্ডায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে আসামি শিপনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও ২০ হাজার টাকা...

করোনায় করোনায়
অপরাধ5 hours ago

জঙ্গি ছিনতাইকাণ্ডে আরও এক পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

ঢাকার প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের চোখে-মুখে স্প্রে করে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় পুলিশের আরও এক সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত...

করোনায় করোনায়
জাতীয়5 hours ago

বিএনপির নেতাকর্মীদের স্বাচ্ছন্দের ব্যবস্থা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১০ ডিসেম্বরের বিএনপির সমাবেশে খালেদা জিয়া যোগ দিলে আদালত ব্যবস্থা নেবেন। সমাবেশের নামে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করলে ভুল করবে। বিএনপির...

ইসলামী ব্যাংকের ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ কাণ্ডে যা বললেন হাইকোর্ট ইসলামী ব্যাংকের ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ কাণ্ডে যা বললেন হাইকোর্ট
আইন-বিচার7 hours ago

ইসলামী ব্যাংকের ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ কাণ্ডে যা বললেন হাইকোর্ট

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) থেকে ভুয়া ঠিকানা ও কাগুজে কোম্পানির নাম ব্যবহার করে কয়েক হাজার কোটি টাকা উত্তোলন এবং...

করোনায় করোনায়
অপরাধ7 hours ago

আয়াত হত্যা: আরও ৭ দিনের রিমান্ডে আবির

চট্টগ্রামের ইপিজেডে ৫ বছরের শিশু আলীনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণের পর হত্যায় মামলায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি আবির আলীর আরও ৭ দিনের...

করোনায় করোনায়
অপরাধ7 hours ago

মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৮

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযানে মাদক বিক্রি ও...

Advertisement

আর্কাইভ

করোনায়
নিউজ11 mins ago

ডিআরইউর নব-নির্বাচিত সভাপতি নোমানী, সাধারণ সম্পাদক সোহেল

করোনায়
এশিয়া17 mins ago

বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় : ভার্মা

করোনায়
করোনা ভাইরাস20 mins ago

দেশে করোনায় শনাক্ত ১৮

করোনায়
চাকরির খবর24 mins ago

৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

করোনায়
বলিউড47 mins ago

মালাইকা অন্তঃসত্ত্বা, যা বললেন অর্জুন

করোনায়
এশিয়া1 hour ago

চীনের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিনের মৃত্যু

করোনায়
অন্যান্য1 hour ago

সাড়ে ৪৮ হাজার বছরের পুরনো জম্বি ভাইরাস ফিরে এলো

করোনায়
চট্টগ্রাম2 hours ago

বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটির বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

করোনায়
চট্টগ্রাম2 hours ago

শিশু ধর্ষণচেষ্টায় বৃদ্ধের ১০ বছরের কারাদণ্ড

কৃতি শ্যানন
বলিউড2 hours ago

প্রেমের গুঞ্জনে সরব হলেন কৃতি শ্যানন

করোনায়
জাতীয়5 hours ago

বিএনপির নেতাকর্মীদের স্বাচ্ছন্দের ব্যবস্থা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনায়
জাতীয়21 hours ago

সীমান্তে নিরাপত্তায় যৌথ টহল দেবে বিজিবি-বিজিপি

করোনায়
জাতীয়2 days ago

সরকারকে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে সংশোধনী অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা

করোনায়
রংপুর2 days ago

পা দিয়ে লিখে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে সেই মানিক

সতর্ক
আওয়ামী লীগ4 days ago

বিএনপির সম্মেলন নিয়ে অফিসিয়ালি কিছু আসেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনায়
জাতীয়4 days ago

খেতে খেতে চীনের প্রধানমন্ত্রীকে টানেলের প্রস্তাবটা দেই: প্রধানমন্ত্রী

করোনায়
জাতীয়5 days ago

ময়দার বস্তায় আটা বিক্রি

করোনায়
বলিউড6 days ago

উরফি এবার মদের গ্লাস দিয়ে শরীর ঢাকলেন

করোনায়
জাতীয়6 days ago

‘রাজনীতি করতে চাই না, রাজনীতিবীদদের সহযোগিতা চাই’

করোনায়
জাতীয়7 days ago

বিশ্বকাপে আমাদের টিম নেই এটা আসলে কষ্ট দেয় : প্রধানমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত