Connect with us

বিনোদন

কি আছে মুকেশ কন্যার ১০ হাজার ঘণ্টায় তৈরি শাড়িতে!

Avatar of author

Published

on

শাড়ি

ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মেয়ে খুব ফ্যাশন সচেতন। তাকে মিট গালায় উপস্থিত হতে দেখা যায়। ২০১৭ সাল থেকে তিনি এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। এবারও ইশা সেখানে উপস্থিত হয়েছেন; তার গায়ে ছিল অসাধারণ শাড়ি।  রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর ইশার শাড়ি সবার নজর কাড়ে। তার ‘দ্য গার্ডেন অব টাইম’ থিমের শাড়িটি তৈরি করতে ১০ হাজার ঘণ্টা সময় লেগেছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, মে মাসের প্রথম সোমবার নিউইয়র্ক শহর ছিল তারকাখচিত। ফ্যাশনের সবচেয়ে বড় রাতে আলিয়া ভাট থেকে জেনিফার লোপেজ, কিম কার্দাশিয়ান থেকে ইশা আম্বানি, তারকাদের কেতাদুরস্ত পোশাক এখন টক অব দ্য ইন্টারনেট।

দ্য মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টের রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য রাহুল মিশ্রর ডিজাইন করা গোল্ডেন শাড়ি গাউন বেছে নেন ইশা। যাতে হ্যান্ড-এমব্রয়ডারি। যেন কোনো ফুলের স্বর্গরাজ্য সেটি। আর ফুলের বাগানে খেলা করে বেড়াচ্ছে প্রজাপতি ও ড্রাগনফ্লাই। মেট গালার জন্য এটাই ডিজাইনার রাহুল মিশ্রের প্রথম কাজ।

ইশার স্টাইলিস্ট অনিতা শ্রফ আদজানিয়া জানান, প্রকৃতির জীবনচক্রকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ইশার পোশাকে, যা করা হয়েছে হ্যান্ড এমব্রয়ডারির মাধ্যমে। শাড়ি গাউনটির কাজ করতে ১০ হাজার ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। এতে রয়েছে নকশি, জরদৌসি ও অ্যাপ্লিকের কাজ।

আম্বানিকন্যা শাড়ির সঙ্গে মানানসই একটি জেড ক্লাচ ব্যাগ, ট্র্যাডিশনাল পদ্ম শেপের ব্রেসলেট, তোতা পাখির মতো দেখতে কানের দুল এবং একটি ফুলের জিজাইনের চোকার নেন।

Advertisement

আর মেকআপ হিসাবে ইশাকে দেখা গেছে মোটা ভ্রু, গালে রুজ, ব্রোঞ্জার এবং গোলাপি লিপস্টিকে। আই মেকআপে প্রাধান্য পেয়েছে সোনালি রঙ। ব্যবহার করা হয়েছে বেশ গাঢ় করে মাস্কারা।

ফিরে মুকেশ আম্বানি এবং নীতা আম্বানির মেয়ে ইশা আম্বানি প্রায় প্রতি বছরই উপস্থিত থাকেন মেট গালাতে। ২০১৭ সালে ডেবিউ করেছিলেন তিনি; ছিলেন ২০১৯ সালেও। ২০২৩ সালে তাকে দেখা গিয়েছিল নেপালি-আমেরিকান ফ্যাশন ডিজাইনার প্রবাল গুরুংয়ের সাটিন কালো শাড়ি-গাউন। ২০১৯ সালেও ইশাকে সাজিয়েছিলেন প্রবাল গুরুং-ই। সেবার ডিপ নেকলাইনের একটি লাইল্যাক গাউন পরেন তিনি। আর ২০১৭ সালে মেট গালায় ইশা ডেবিউ করেন খ্রিস্টান ডিওর গাউনে।

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কাজের পাশাপাশি ইশা ব্যস্ত থাকেন তার দুই সন্তানকে নিয়েও। ২০২২-এর ১৯ নভেম্বর ইশা আম্বানি ও তার স্বামী আনন্দ পিরামলের জীবনে আসে তাদের যমজ সন্তান কৃষ্ণা এবং আদিয়া।

কেএস/

Advertisement
Advertisement

বলিউড

দ্বিতীয় হানিমুন উপভোগ করছেন সোনাক্ষী-জাহির

Published

on

গেল ২৩ জুন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বলিউডের আলোচিত জুটি সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। ধর্মীয় আচারহীন বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের বেশ কয়েকজন তারকা এবং দম্পতির আত্মীয় পরিজন।

তাদের বিয়ের পর থেকেই চারিদিকে নানা ধরনের খবর। প্রথমে শর্ট ট্রিপ আর এবার জমিয়ে দ্বিতীয় মধুচন্দ্রিমা। সোনাক্ষী ইনস্টাগ্রামে এই বিশেষ ভ্রমণের কিছু ছবিও শেয়ার করেছেন।  যেখানে তাকে সুইমিং পুলের কাছে বেশ আনন্দে মেতে থাকতেও দেখা গিয়েছে। তার ভক্তেরা মাঝেমধ্যেই এই বিয়ে নিয়ে নানা মন্তব্য করলেও, মধুচন্দ্রিমার ছবি দেখার জন্য যে সকলে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে একথা বলা যায়।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সোনাক্ষী তার মধুচন্দ্রিমার ছবি শেয়ার করে সোনাক্ষী লিখেছেন, ‘এখন আমাকে এখানে জাহির ইকবালের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, আমাদের দু’জনের আলাদা ফ্লাইট ছিল।’ একইসঙ্গে হাসির ইমোজিও দিয়েছেন তিনি। ভক্তেরা সোনাক্ষীর এই ছবিগুলোকে খুব পছন্দ করেছেন এবং তাঁর সুখী বিবাহিত জীবনের জন্য শুভেচ্ছাও জানাচ্ছেন।

বিয়ের পর ফিলিপিনসে দ্বিতীয় হানিমুন উপভোগ করেছেন সোনাক্ষী ও জাহির। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেসব মুহূর্ত তাদের ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করেও নিচ্ছেন।

সোনাক্ষী এবং জাহিরের এই ছবিগুলি দেখে এটা স্পষ্ট যে তারা তাদের বিবাহিত জীবন ভীষণভাবে উপভোগ করছেন এবং একে অপরের সঙ্গে প্রতিটি মুহূর্তকে উদযাপনের মাধ্যমে বিশেষ করে তুলছে।

Advertisement

এসআই/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বলিউড

ঊর্বশীর ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস!

Published

on

আবারও খবরের শিরোনামে বলিউড অভিনেত্রী ঊর্বশী রাউতেলা। অভিনেত্রীর একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে! আর এই ভিডিওটি ঘিরেই তৈরি হয়েছে নানা সমালোচনা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, স্নান করতে ওয়াশরুমে প্রবেশ করছেন অভিনেত্রী ঊর্বশী রাউতেলা। যা দেখে রীতিমতো আলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে অনলাইনে। অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত এমন মুহূর্ত প্রকাশ্যে আসায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে তাঁর অনুরাগী মহলে। রীতিমতো দুই ভাগে বিভক্ত অনলাইন। কারো মতে, এই ধরনের ভিডিও প্রকাশ করার মানেই হয় না। আবার কেউ কেউ বলছেন, এটি ফেক ভিডিও। ডিপফেকে তৈরি করা।

শুরুর দিকে ধারণা করা হচ্ছিল, কোনও সিনেমার দৃশ্যের অংশ এটি। কিন্তু পরবর্তীতে এই ভিডিওর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিয়েও চিন্তিত অনুরাগীরা যদি এটি ভিডিও ডিপফেক হয়। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি অভিনেত্রী।

সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ভারতীয় তারকা সাইবার ক্রাইমের শিকার হয়েছেন। ডিপফেক প্রযুক্তিতে তৈরি এসব ভিডিও বা ছবি ছড়িয়ে দেয়া হয় যা দেখে সাধারণ মানুষ একেবারে সত্যি বলে ভুল করেন। এর আগে এমন ফাঁদে পড়েছেন রাশমিকা মান্দানা, ক্যাটরিনা কাইফ, আলিয়া ভাট, কাজলের মতো একাধিক তারকা। লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ভিডিওতে ব্যবহার করা হয়েছিল আমির খানের মুখও। ধারণা করা হচ্ছে, এবার ঊর্বশী সেই চক্রেরই শিকার।

এসআই/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বলিউড

রিল বানাতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু নারী ইনফ্লুয়েন্সারের

Published

on

রিল বানাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন ভারতীয় এক নারী ইনফ্লুয়েন্সার। নাম আনভি কামদার। জানা গেছে, মহারাষ্ট্রের রায়গড়ের কাছে কুম্ভে জলপ্রপাতে সাত বন্ধুর সঙ্গে একটি ট্রিপে যান তিনি। বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে একটি ভিডিও বানানোর সময় জলপ্রপাতের ৩০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যান আনভি।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, নারী ইনফ্লুয়েন্সার আনভি গেল ১৬ জুলাই মহারাষ্ট্রের রায়গড়ের কাছে কুম্ভে জলপ্রপাতে সাত বন্ধুর সঙ্গে একটি ট্রিপে যান তিনি। ১৭ জুলাই সকালে একটি ভিডিও বানানোর সময় জলপ্রপাতের ৩০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যান তিনি। পরে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং তাদের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। কোস্ট গার্ড, কোলাদ উদ্ধারকারী দল এবং মহারাষ্ট্র রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের কর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সহায়তাও চাওয়া হয়েছিল।

এক উদ্ধারকারী কর্মী বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বুঝতে পারি যে, মেয়েটি প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ ফুট নিচে পড়ে গিয়েছে। এমন কি তার কাছে পৌঁছানোর পরও তাকে উঠিয়ে নিয়ে আসা কঠিন ছিল, কারণ সে আহত ছিল এবং প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। পরে একটি উল্লম্ব কপিকল ব্যবহার করে তাকে বের করা হয়েছে। ছয় ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর সেখান থেকে বের করে আনা হয় আনভিকে।

দ্রুত তাকে মানাগাঁও মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানেই মারা যান তিনি। জানা যায়, গুরুতর আঘাতের কারণে আনভির মৃত্যু হয়েছে ।

মুম্বাইয়ের বাসিন্দা আনভি ভ্রমণ পিপাষু এবং ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিত। বর্ষায় কুম্ভে জলপ্রপাতের সৌন্দর্য তুলে ধরার প্রয়াসে এই ভ্রমণে বের হোন তিনি। তবে তিনি হয়তো জানতেন না, এটাই জীবনের শেষ ভ্রমণ হতে যাচ্ছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন আনভি।

Advertisement

এসআই/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত