বাবার নির্দেশে আয়েশাকে হত্যা করে চাচা, নেপথ্যে পরকীয়া
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে নিখোঁজের ৪৩ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রী আয়েশার (১১) বস্তাবন্দি রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে আয়েশার বাবা বাবুল প্যাদা (৪৮) ও চাচা রুবেল প্যাদাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বোন সাথি আক্তার রুবেল প্যাদাকে প্রধান আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। আজ ৬ জানুয়ারি বাবুল প্যাদাকে আদালতে তোলার কথা রয়েছে।
রুবেলের জবানবন্দির বরাতে পুলিশ জানায়, নিহত আয়েশার সমবয়সী এক মেয়ের সঙ্গে তার পিতা বাবুলের নিয়মিত অবৈধ সম্পর্ক ছিলো। বিষয়টি আয়েশা জানতে পেরে বোন ও প্রবাসী মাকে জানায়। এতে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়।
বাবুল নিজের সম্মান বাঁচাতে মেয়ে আয়েশাকে মেরে ফেলতে চাচতো ভাই রুবেল প্যাদাকে বলেন। এ জন্য রুবেলকে তিনি বেশ কিছু টাকাও দেন। টাকার বিনিময়ে গত ২ জানুয়ারি বিকেলে বাবুল প্যাদার সাহায্য নিয়ে রুবেল ঘরে ঢুকে আয়েশাকে গলাটিপে হত্যা করে। এর আগে আয়েশাকে ধর্ষণ করে রুবেল।
হত্যার পরে লাশ লুকাতে না পেরে তড়িঘড়ি করে, বস্তাবন্দী লাশ রান্নাঘরের বারান্দায় রেখে যান তারা।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল হত্যা ও ধর্ষ্ণের দায় স্বিকার করলেও। আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে কেবল হত্যার দায় স্বিকার করেছেন।
এমন ঘটনায় হতভম্ব হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।
আই/এ