রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে হোঁচট খেলো বার্সালোনা
অবশেষে থামলো অপ্রতিরোধ্য বার্সেলোনার জয়রথ। হ্যান্সি ফ্লিকের অধীনে টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে ২-১ গোলে হার মানে কাতালান জায়ান্টরা। ১০ জনের দল নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই করে জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা। এই হারে লা লিগার শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ব্যবধান কমে দাঁড়াল মাত্র ১ পয়েন্টে।
নতুন কোচ পেলেগ্রিনো মাতারাজ্জোর অধীনে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে রিয়াল সোসিয়েদাদ। ম্যাচের প্রথম ৩০ সেকেন্ডেই মিকেল ওয়ারজাবলের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। অপরদিকে ফারমিন লোপেজের দূরপাল্লার শটও দানি ওলমোর ফাউলের জন্য গোল হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। লামিন ইয়ামাল ডান দিক থেকে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ গড়ে তুললেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা মেলেনি। শেষ পর্যন্ত গনসালো গুয়েদেসের নিখুঁত ক্রসে ম্যাচের ৩২ মিনিটে চোখধাঁধানো ভলিতে গোল করে সোসিয়েদাদকে এগিয়ে দেন ওয়ারজাবল।
বিরতির পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বার্সেলোনা। একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে সোসিয়েদাদ গোলরক্ষক অ্যালেক্স রেমিরো দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। তবে ৭০ মিনিটে ইয়ামালের ক্রসে হেড করে সমতা ফেরান মার্কাস রাশফোর্ড। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। এক মিনিটের মধ্যেই গনসালো গুয়েদেস গোল করে আবারও স্বাগতিকদের লিড এনে দেন।
ম্যাচের শেষদিকে কার্লোস সোলার লাল কার্ড দেখলে ১০ জনে পরিণত হয় সোসিয়েদাদ। সংখ্যাগত সুবিধা নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চাপ বাড়ায় বার্সা। যোগ করা সময়ে রাশফোর্ডের নেওয়া কর্নার কিক পোস্টে লেগে ফিরে এলে আর সমতায় ফেরা হয়নি তাদের।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও ভাগ্যের পরিণতির কথা উল্লেখ করেন বার্সা কোচ হ্যান্সি ফ্লিক। তিনি বলেন, ‘আমি ছেলেদের বলেছি আমরা ভালো খেলেছি। কিন্তু আজ ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল না। কিছু দিন এমনই আসে, যখন হারের নির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় না। আজ তেমনই একটি দিন ছিল।’
এসএইচ//