বিএনপি

বিএনপি ১৮ কোটি মানুষের হাতকে কর্মমুখী করবে : সালাহউদ্দিন আহমদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কক্সবাজার১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং দীর্ঘদিনের অপশাসন থেকে জাতি মুক্তি পাবে। জনগণের রায়ে বিএনপি ক্ষমতায় এলে উন্নয়নের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি হাতকে কর্মের হাতে পরিণত করা হবেইনশাআল্লাহ।

 

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন মাঠে ধানের শীষ প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “পতিত ফ্যাসিবাদের রাণী শেখ হাসিনা আমাকে গুম করে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেছিল। পরে একটি দেশে পাচারও করা হয়। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমত, আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি সেই মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে এসেছি। অথচ আজ সেই হাসিনা তীব্র ছাত্রজনতার গণরোষের মুখে পড়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, “নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী একটি দল বেকার ভাতা, ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিষয় বোঝেই না। জনগণের দল বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এসেছে। উন্নয়নের ৩১ দফা জাতির সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। অথচ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী একটি দলের রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো পরিকল্পনাই নেই। তারা বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার অবাস্তব স্বপ্ন দেখছে।

 নিজ সংসদীয় এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন,বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শহিদদের স্বপ্নের একটি সাম্যভিত্তিক, মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।

এর আগে দুপুরে কক্সবাজার১ আসনের চকরিয়া উপজেলার দুর্গম বমুবিলছড়ি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যারা এখনো আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল, তাদের বলছিস্বাধীনতাপন্থী শক্তির পাশে থাকুন। আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি। তারা দেশকে ভারতের করদ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। গণঅভ্যুত্থানের মুখে তারা পালিয়ে গিয়ে ভারতের দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, যারা আগে আওয়ামী লীগ করতেন, তারা নিশ্চয়ই এখন তাদের ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস স্থাপন করবেন।

 

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন