বিএনপি

নারীদের নিরাপত্তা ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’ : জাইমা রহমান

ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেছেন, দেশের মোট জনসংখ্যার ৫১ শতাংশ নারী। নারীদের নিরাপত্তা নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটিতাদের কথা বলার অধিকার, নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ভাবতে হবে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বনানীতে ডিওএইচএস খেলার মাঠে বিএনপি আয়োজিত তরুণ ভোটারদের সঙ্গে চায়ের আড্ডায় তিনি এ কথা বলেন।

আড্ডায় অংশ নেওয়া তরুণীরা  জাইমা রহমানকে জানান, নারীরা বিভিন্নভাবে সাইবার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তবে প্রতিকার পাওয়ার হার কম।

জাইমা রহমান বলেন, সব পক্ষের সদিচ্ছা থাকলে সাইবার বুলিংকমানো সম্ভব। এ ধরনের ঘটনা ঘটার পরে কী করতে হবে, সে বিষয়ে মানুষকে জানাতে হবে। স্কুল পর্যায় থেকে এগুলো জানানো হলে ছোট থেকেই সচেতনতা তৈরি হবে। এর সঙ্গে শেখাতে হবে সাইবার বুলিংখারাপ।

তিনি বলেন, শুধু আইন থাকলেই হবে নাসেটার প্রয়োগ থাকতে হবে। সাধারণ নাগরিকের সেটি জানতে হবে, বুঝতে হবে। তাদের সচেতনতাটা প্রয়োজন। তা ছাড়া ফেসবুকসহ বড় প্ল্যাটফর্মগুলোর কার্যক্রম (স্থানীয় কার্যালয়) বাংলাদেশে নেই। এসব অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে এ দেশে নিয়ে আসতে হবে।

তরুণেরা জাইমা রহমানকে বলেন, খালবিল, নদীনালা প্রতিনিয়ত দখল হয়ে যাচ্ছে, ভরাট হয়ে যাচ্ছে। দখল ও দূষণে নাকাল এসব জলাধার সংস্কারে উদ্যোগের কথা বলেন জাইমা রহমান। এ সময় তরুণদের কাছে তিনি জানতে চান, এ কাজে তরুণেরা এগিয়ে আসবেন কি না। জবাবে তরুণেরা তাঁদের আগ্রহের কথা জানান।

তরুণ ভোটাররা দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগের কথা জানান জাইমা রহমানকেজাইমা রহমান বলেন, সরকারিবেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্বে ইন্টার্নশিপ’, ‘মেন্টরশিপ’–এর মতো কার্যক্রম থাকলে কর্মজীবনে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিক শিক্ষায় দক্ষতা বাড়াতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক সদিচ্ছা থাকতে হবে।

তরুণ ভোটাররা ঢাকা শহরের যানজট, খেলার মাঠ ইত্যাদি বিষয় নিয়েও জাইমা রহমানের সঙ্গে আলাপ করে।

আড্ডায় মোট ৫৫ জন তরুণ ভোটার অংশ নেন। ছয়টি টেবিলে তাঁদের বসানো হয়।  এ অনুষ্ঠানে কোনো মঞ্চ ছিল না। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান প্রতিটি টেবিলে যান এবং সেখানে বসে আলাদা আলাদাভাবে তাঁদের কথা শোনেন। এ আয়োজনে কোনো সাউন্ড সিস্টেমও ব্যবহার করা হয়নি।

বাংলাদেশ নিয়ে তরুণ ভোটারদের ভাবনা জেনে, তাঁদের মতামত শুনে নিজের ভালো লাগার কথা জানান জাইমা রহমান।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, খুব ছোটবেলায় লন্ডনে চলে গিয়েছিলেনআর ১৭ বছর পরে এসেছি। মাঝখানে আর আসা হয়নি। কিন্তু খোঁজ রাখতেনদেশের তরুণদের মধ্যে এত আইডিয়া আছে, এনার্জি আছে, এত কিছু করার ইচ্ছা আছে, সেটা দেখে তারা খুব ভালো লাগছে।

আই/এ

 

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন