অর্থনীতি

সবজির বাজারে অস্তিরতা, স্বস্তি নেই মাছ-মাংসে

বিদায় নিতে যাচ্ছে শীত। মৌসুমের শেষের দিকে চলে আসায় কাঁচাবাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। এর প্রভাব পড়েছে দামে।  মৌসুমের শেষভাগে এসে বাজারে অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে জানা যায়, টমেটোর দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা কম। তবে সিমের দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া সিম এখন ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে শসার দামও বেড়েছে; দুই দিন আগে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় পাওয়া গেলেও এখন তা ৬০ টাকা কেজি।

অন্যান্য সবজির মধ্যে মুলা ৪০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, শালগম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, উস্তে ১২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০ টাকা, আলু ২০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা এবং ধনেপাতা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি বাঁধাকপি ৪০ টাকা এবং ফুলকপি ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকা এবং লাল শাক ও পালংশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতারা জানান, শীত মৌসুম শেষ হওয়ায় পাইকারি পর্যায়ে সবজির সরবরাহ কমেছে। এ কারণে কয়েক দিনের ব্যবধানে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। সামনে রোজা আসায় দাম আরও বাড়ার আশঙ্কাও করছেন তিনি।

ক্রেতাদের অভিযোগ, শীতকালে সাধারণত সবজির দাম কম থাকে। কিন্তু এবার মৌসুমের শুরু থেকেই দাম বেশি ছিল। এখন রোজার অজুহাতে দাম আরও বাড়ানো হচ্ছে।

মাছের বাজারেও ক্রেতাদের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। আকারভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা এবং কার্প ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাঙ্গাশ ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাছের দামের বিষয়ে ক্রেতা মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই মাছের বাজার চড়া। দাম কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। তবে বিক্রেতা সুমন দাসের দাবি, বর্তমান দাম তুলনামূলক সহনীয় এবং রোজা ঘনালে তা আরও বাড়তে পারে।

মাংসের বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং কক মুরগি ৩৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

 

এমএ//

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন