বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকাকে নিজ কক্ষে হত্যার পর, কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে তার নিজ অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর ওই কক্ষেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।
বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তব্যরত এক আনসার সদস্য বলেন, ঘটনার সময় তারা নিচে গল্প করছিলেন। হঠাৎ তারা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনতে অয়ান। তারপর একসঙ্গে ওপরে উঠে চেয়ারম্যানের রুমের বাইরে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় তারা দরজা ভেঙে ফেলেন। ভেতরে ঢুকে দেখেন ম্যাডাম উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। আর কর্মচারী নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে দিচ্ছেন। পরে তারা প্রশাসনকে খবর দেন।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ফজলু বেতন পাচ্ছিলেন না। এটি নিয়ে বেশ ক’দিন আগে বিভাগীয় সভাপতির সঙ্গে ঝামেলা হওয়ার পরে ২ মাস আগে ফজলুকে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই এ কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, ফজলুর বদলির পর অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল। তবে এটা এ এমন পর্যায়ে যাবে সেটা কেউ ভাবেনি। ডিপার্টমেন্টে হাবিব স্যার ছিলেন। উনি ৩০ মিনিট আগে ডরমেটরিতে চলে যান। শিক্ষার্থীদের ৫টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর মাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনও কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলেন না। এই সুযোগে ঘটনা ঘটে। ম্যামের রুম আগে থেকে লক করা ছিল না। ওই কর্মচারী ঢুকে লক করে দেন।
আই/এ