জাতীয়

রামেকে শিশু মৃত্যুর জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন স্বাস্থ্য সচিব

স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান বলেছেনরাজশাহীতে আমাদের সন্তানরা, আমাদের বাচ্চারা, আপনারা যেভাবে তুলে ধরেছেন, সেই মৃত্যুর জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। কোনো মৃত্যুই কারও জন্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। এখানে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে হাসপাতাল পরিদর্শন ও চিকিৎসার সার্বিক বিষয় খোঁজ খবন নেন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। 

স্বাস্থ্য সচিব সাংবাদিকদের জানান, রামেক হাসপাতালের জন্য আপাতত ঢাকা থেকে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় সাতটি ভেন্টিলেটর আনা হয়েছে। এগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে। এর পাশাপাশি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত নয়, এমন শিশুদের আইসিইউ প্রয়োজন হলে রাজশাহী হার্ট ফাউন্ডেশনে পাঠানোরও পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেখানেও আইসিইউ সাপোর্ট পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, রাজশাহীর শিশু হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালসহ যে সমস্ত হাসপাতালের অবকাঠামো আছে সেগুলো সচল করার উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে আংশিকভাবে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে। সেখানে প্রথমে আউটডোর সেবা শুরু হবে এবং আগামী অর্থবছরে অন্যান্য সেবাগুলো পুর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে।

তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের আন্দোলনের কারণে হামের টিকা পায়নি শিশুরা। মায়েরা হয়ত যখন গেছে টিকা দিতে তখন স্বাস্থ্যকর্মীদের পায়নিএ জন্য প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে টিকা কেনার জন্য ৬০৪ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। আমরা টাকা দিয়েও দিয়েছি। দ্রুতই শিশুদের হামসহ প্রয়োজনীয় টিকা প্রয়োগ শুরু হবে।

এর আগে সকালে হাসপাতালের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এরপর দুপুরে রামেক হাসপাতালের সার্বিক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সচিব মো. কামরুজ্জামান।

 

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন