রাজধানী

ছুটির আমেজে ফাঁকা রাজধানী,সড়কে নেই চিরচেনা ব্যস্ততা

দীর্ঘ এই ছুটির সমন্বয় করতে গত ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সব অফিস খোলা রাখা হয়েছিল। ছুটি শেষে আগামী ১ জুন (সোমবার) থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে শুরু হবে অফিস-আদালত ও ব্যাংকের কার্যক্রম।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে মিরপুর, বনানী ও খিলক্ষেতসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পুরো শহর জুড়ে এখন এক শান্ত পরিবেশ। সাধারণ দিনগুলোতে যেসব রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ জটলা লেগে থাকে, আজ সেখানে সুনসান নীরবতা। কোথাও কোথাও অল্প কিছু গাড়ি চললেও তাতে কোনো ভোগান্তি ছিল না।

ছুটির কারণে রাস্তায় গণপরিবহন বা বাসের সংখ্যাও অনেক কমে গেছে। বিভিন্ন রুটের বাসগুলোকে অনেকক্ষণ ধরে টার্মিনালে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়, এমনকি অনেক বাস অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখেই রওনা দিচ্ছে। বাস চালক ও সহকারীরা জানান, ঈদে বেশির ভাগ মানুষ ঢাকা ছাড়ায় যাত্রী সংকট তৈরি হয়েছে। তবে বাসের তুলনায় রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ি, বিশেষ করে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের চলাচল কিছুটা বেশি ছিল।

মিরপুর-উত্তরা রুটের পরিবহনের এক হেলপার বলেন, "অন্য দিন সকালে বাসে পা রাখার জায়গা থাকে না, আর আজ যাত্রীই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও বাস ভরানো যাচ্ছে না।" একই বাসের আরেক কর্মী রাসেল জানান, ঈদের ছুটি শুরু হতেই যাত্রী কমে গেছে, কারণ মানুষ যার যার গ্রামের বাড়ি চলে গেছে।

এদিকে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদেরও আজ বেশ ফুরফুরে মেজাজে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। রাস্তায় গাড়ির চাপ না থাকায় সিগন্যাল সামলাতে তাদের কোনো বেগ পেতে হচ্ছে না। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের চেনা ব্যস্ততা ও অতিরিক্ত চাপ ছাড়াই তারা স্বস্তিতে দিন পার করছেন।

 

আর/আই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন