হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে পারলো না টাইগাররা
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ। আজ রোববার (২১ জুন) শেষ ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৭ উইকেটে হারে টাইগাররা।
এই ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে বল হাতে মাঠে নামে অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচে একাদশে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে টাইগাররা। দলে ফেরানো হয় নুরুল হাসান সোহান, শরীফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদকে।
চট্টগ্রামের সাগরিকা স্টেডিয়ামে পাওয়ার প্লেতেই ধসে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ২২ রানেই হারায় ৩ উইকেট। ১০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ছিল ৫ উইকেটে ৪২ রান।
ইনিংসের শুরুতেই ২ বলে ৫ রান করে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। এরপর স্পেন্সার হেনরি জনসনের বলে সাইফ হাসান ১ রান করে বিদায় নেন। নুরুল হাসান সোহানকে বোল্ড করেন অ্যাডাম জাম্পা।
শামীম পাটোয়ারি, রিশাদ হোসেন ও নাসুম আহমেদও ব্যর্থ হলে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিকরা।
এ দিন একাই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তাওহিদ হৃদয়। ৪১ বলে ক্যারিয়ারের সপ্তম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই তান্ডব চালায় অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে ২৯ বলে ৫৪ রানের জুটি গড়ে সাজঘরে ফেরেন জশ ইংলিস। তিনি ১৬ বলে ১৭ রান করে আউট হন।
দ্বিতীয় উইকেটে কুপার কনোলির সঙ্গে ৩৪ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ওপেনার মিচেল মার্শ। অস্ট্রেলিয়ান এই অধিনায়ক দলীয় ৮৮ রানে সাজঘরে ফেরেন। তার আগে ২৮ বলে ৭টি চার আর চারটি ছক্কার সাহায্যে করেন ৬০ রান।
৩ বলে তিন বাউন্ডারিতে ১২ রান করে ৫৪ বল আগেই দলের জয় নিশ্চিত করেন টিম ডেভিড।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গত দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচে যথাক্রমে ৪ উইকেটে এবং ৭ রানে হারে বাংলাদেশ।
আর/আই