খামেনির প্রথম জানাজায় উপস্থিত ৩ ছেলে
লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শুরু হয়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজার নামাজ। জানাজায় খামেনির তিন ছেলে উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (০৫ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) বরাতে আলজাজিরা জানায়, জানাজায় খামেনির তিন ছেলে—মাসউদ, মেইসাম ও মোস্তাফা খামেনি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার আহমাদ ভাহিদিও জানাজায় অংশ নেন।
তবে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা ও আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি জানাজায় উপস্থিত হননি। ইরানি কর্মকর্তারা জানায়, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এবং তাকে হত্যার বিষয়ে ইসরাইলের চলমান হুমকির কারণে তিনি ছয় দিনব্যাপী শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন না।
গেল ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনিকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় মোজতবাও আহত হন। হামলায় তার বাবা ছাড়াও তার স্ত্রী, বোন, ভগ্নীপতি এবং ১৪ মাস বয়সী এক ভাতিজি—নিহত হন।
যদিও তিনি প্রকাশ্যে আসেননি, তারপরও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তার নামে একাধিক লিখিত বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
গেল ১৮ জুন প্রকাশিত এক বার্তায় মোজতবা খামেনি জানান, শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের আশ্বাসের ভিত্তিতে তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুমোদন করেছেন, যদিও এ বিষয়ে তার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন ছিল।
এছাড়া ২৮ জুন প্রকাশিত আরেকটি বার্তায় তিনি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং তার বাবার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।
তিনি বলেন, ‘যারা এই অপরাধ করেছে, তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং তাদের কর্মকাণ্ডের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
এমএ//