পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপারের কাছে চিঠি
জামালপুরে চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় নজিরবিহীন লোডশেডিংয়ের মুখে জনরোষের আশঙ্কা দিন দিন বেড়েই চলছে। গ্রাহক পর্যায়ে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ায় জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে চিঠি দিয়েছে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
গত বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) মো. সাহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়।
তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জামালপুর জেলার আওতাধীন গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ–সংকট আরও প্রকট। জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকাগুলোতে দিনে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় দেখা দিয়েছে পানির সংকট। ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও উৎপাদন কার্যক্রম। এতে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ অফিস, উপকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে জেলার বিভিন্ন বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছে তারা।
চিঠিতে জানানো হয়, সমিতির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুতের গড় চাহিদা প্রায় ১৭০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এতে গ্রাহকেরা ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের মুখে পড়ছেন।
জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোঃ সাহিদুল ইসলাম জানান, আমরা চাহিদার মাত্র ৪০-৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ পাচ্ছি। যার কারণে বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিদ্যুৎ অফিসে হামলা হচ্ছে তাই নিরাপত্তার জন্য পুলিশ সুপার, জেলাপ্রশাসক ও র্যাবকে বিষয়টি জানিয়ে রাখলাম। আশা করি দ্রুত এই সংকট কেটে যাবে।
আর/আই