মাদ্রাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ২ সেপ্টেম্বর
মাদ্রাসার ইবতেদায়ি পঞ্চম ও দাখিল অষ্টম শ্রেণির ২০২৬ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইন ফরম পূরণ শুরু হচ্ছে আগামী ২ সেপ্টেম্বর। এ কার্যক্রম চলবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের বোর্ড ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় ১১ সেপ্টেম্বর।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।
বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুমোদিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি ও সংযুক্ত ইবতেদায়িসহ দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। অন্যদিকে দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় ষষ্ঠ শ্রেণির নিবন্ধনের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
প্রতিটি পরীক্ষার্থীর জন্য বোর্ড ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০ টাকা। নির্ধারিত এই অর্থ অনলাইনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নামে জমা দিতে হবে। এর পাশাপাশি প্রতিটি পরীক্ষার্থীর জন্য ২০০ টাকা কেন্দ্র ফি দিতে হবে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসায়। পরে প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ বা সুপারিনটেনডেন্টকে কেন্দ্র ফি সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবের কাছে জমা দিতে হবে।
ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণির ফরম পূরণ
ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের ক্ষেত্রে মাদ্রাসার ইআইআইএন বা নির্ধারিত কোড ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
সেখানে ‘ইবতেদায়ি বৃত্তি এন্ট্রি’ অপশনে গিয়ে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে প্রথমে বোর্ড ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের তথ্য দেওয়ার জন্য নতুন একটি সুযোগ তৈরি হবে।
পর্যায়ক্রমে পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে তা যাচাই করতে হবে। কোনো ভুল থাকলে সংশোধনের পর চূড়ান্তভাবে তথ্য জমা দিতে হবে। শিক্ষার্থী এবং তার মা-বাবার নামের পাশাপাশি জন্মনিবন্ধন নম্বরও ভর্তি রেজিস্টার ও জন্মসনদ অনুযায়ী নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে।
দাখিল অষ্টম শ্রেণির ফরম পূরণ
দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘জেডিসি/৮ম বৃত্তি ই-এফএফ ২০২৬’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রিন্ট করে সেখান থেকে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রথমে একটি অস্থায়ী তালিকা প্রস্তুত করা যাবে। এ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের তথ্য যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ থাকবে।
বোর্ড ফি পরিশোধের ২৪ ঘণ্টা পর চূড়ান্ত পরীক্ষার্থী তালিকা সক্রিয় হবে। এরপর তালিকাটি প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের স্বাক্ষর নিতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফরম পূরণ ও বোর্ড ফি জমা দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তথ্য যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।
এসি//