জাতীয়

চাপ নয়, ভালো অফার বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য ক্রয় : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন,চাপ নয় বর্তমান বাজার অনুযায়ী ভালো অফার পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য ক্রয় করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক মূল্য বিবেচনার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি মুনাফা ও অপচয়ের মতন বিষয় আমলে নেওয়া হয়েছে

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই করা বাণিজ্য চুক্তি (এআরটি) কার্যকর হওয়ার আগেই সেখান থেকে এলএনজি, গম কেনার মতো সিদ্ধান্ত নিতে কোনো চাপ রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি বা এআরটি  থাকুক কিংবা না থাকুক, বাংলাদেশের এলএনজি প্রয়োজন। এলএনজির জন্য তো আমরা বিশ্বের সব জায়গায় খোঁজ করি। আমেরিকান একটা কোম্পানি অফার করেছে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত ১১৭টা কার্গো দেবে।

তিনি বলেন,  যেই দিন আমরা ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এটি অনুমোদন দিয়েছি, সেই দিনের ইনডেক্সের বেসিসে এই পুরা ১১৭ কনটেইনারের এভারেজ প্রাইস দাঁড়িয়েছে ৯ ডলার করে। তো আমাদের কাছে সেটা একটা ভালো অফার মনে হয়েছে, আমরা সেটা অনুমোদন করেছি।

তিনি আরও বলেন,  গম কিনি আমরা আমেরিকা থেকে আমেরিকার গম আর অন্য জায়গা থেকে কেনা গমের তুলনা করলে দেখা যায় আমেরিকার গমের  ওয়েস্টেজ পার্সেন্টেজ অনেক কম। তো সেটাকে যদি আপনি ভ্যালুতে ট্রান্সলেট করেন, তাহলে সেটা লাভজনক।

আব্দুল মুক্তাদির বলেন,  এইভাবে যখন কোনো পণ্য কেনার ব্যাপার আসে, তখন সরাসরি যদি দামের বিষয় দেখেন  তাহলে সে মূল্য নির্ধারন যথাযথ হবে না। এটার অপচয়, এটার লং টার্ম বেনিফিটএগুলি চিন্তা করে দামের তুলনা করতে হয়।

 

ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইক মিলার বলেন,আমরা যা চাই, তা হলো সবদিক থেকে একটি সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র। যদি সরকারি ক্রয়ের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে সেটি যেন বাণিজ্যিক যোগ্যতার ভিত্তিতে নেওয়া হয় এবং আমাদের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেন যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় প্রতিযোগিতা করতে পারে।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন