আন্তর্জাতিক

মার্কিন কূটনীতিকদের পরিবারসহ সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

সৌদি আরবে নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়তে থাকায় দেশটিতে মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশ থেকে মার্কিন কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট।

তিনি জানান, ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্রমেই বেশি শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে বেসামরিক বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার ঘটনাও রয়েছে। এতে বেসামরিক মানুষ হতাহত হচ্ছেন, পাশাপাশি যাতায়াতব্যবস্থায় গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

টমি পিগট আরও বলেন, ‘মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

মধ্যপ্রাচ্যের একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কাতার ও বাহরাইন থেকেও মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তবে টমি পিগট স্পষ্ট করেছেন, বুধবার জারি করা নির্দেশটি সৌদি আরবে যেসব মার্কিন দূতাবাসকর্মীর উপস্থিতি আপাতত জরুরি নয়, শুধু তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য।

এর আগে বুধবার প্রকাশিত এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় সৌদি আরবে সম্ভাব্য বিমানবন্দর হামলা এবং সাধারণ যাতায়াতব্যবস্থায় বিঘ্নের বিষয়ে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুতিদের ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার প্রেক্ষাপটে এ সতর্কতা জারি করা হয়। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সৌদি সামরিক স্থাপনা, তেল অবকাঠামো ও সামুদ্রিক নৌযান চলাচলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন আকাশযানের হামলার পর দেশটিতে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের আগে মিশনপ্রধানের বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে।

 

এসি//

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন