আন্তর্জাতিক

সৌদিতে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশেই প্রতিহত করা হয়েছে। সোমবার (০২ নভেম্বর) জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এ তথ্য জানান। তবে হামলায় হুথিরা কতটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে, তা জানায়নি জোট।

এর আগে সৌদি আরবের আবহা, খামিস মুসাইত, তাইফ ও নারজান শহরে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। কিছুক্ষণ পর সেই সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়। এরপরই হুথিদের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানায় সৌদি জোট।

সতর্কতা জারির সময় সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ভিডিও ধারণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ইয়েমেনের বন্দর ও তেল স্থাপনায় সৌদির বিমান হামলা

এদিকে সৌদি আরবের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবরের আগে ইয়েমেনের হোদেইদা প্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও তেল স্থাপনায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলার তথ্য জানায় হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের দাবি, এসব হামলায় সাতজন আহত হয়েছেন।

হুথিদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলসাবাহি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, লোহিত সাগরের তীরবর্তী রাস ইসা বন্দরে প্রথমে হামলা চালায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এতে চার বেসামরিক ব্যক্তি আহত হন। পরে বাজিল জেলার একটি তেল স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। সেখানে আহত হন আরও তিনজন। তাঁরাও বেসামরিক নাগরিক বলে দাবি করেন তিনি।

আনিস আলসাবাহি বলেন, “তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে বারবার হামলা চালানো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। এছাড়া তারা ইয়েমেনে বেসামরিক ও গুরত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যেসব যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে, এটি তার আরেকটি সংযোজন।”

সূত্র: আল জাজিরা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন