পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে কোনো তামাশা দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের হস্তক্ষেপের কারণে বিচারের প্রতি মানুষের যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে, এই সংস্কৃতি থেকে বিচারবিভাগকে বের হয়ে আসতে হবে’।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে অসুস্থ রামিসার বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ কথা বলেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘রামিসার হত্যাকারীদের বিচার ১৫ দিনের মধ্যে বাস্তবায়নের ঘোষণা আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাদের বাসায় গিয়ে দিয়ে এসেছেন। আমরা চাই, প্রধানমন্ত্রীর এই ওয়াদাটা শতভাগ বাস্তবায়ন হোক। এটি বাস্তবায়িত হলে, তাহলে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ খুশি হবে এবং ওনার জন্য দোয়া করবেন’।
তিনি বলেন, ‘যদি বিচার বিভাগ সঠিকভাবে এই কাজ করে, তাহলে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে অন্তত বিচারিক আদালতের কার্যক্রম সম্ভব। তারপরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই রায়কে কার্যকর করার জন্য হাইকোর্টে পাঠাতে হবে। ওইটাও যদি সিনসিয়ারিটি থাকে উদাহরণ সৃষ্টির জন্য, ওইটাও হয়তো এক মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব’।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেশের জনগণের পক্ষ থেকে দাবি জানাই, যেহেতু সে স্বীকার করে নিয়েছে তাহলে কোনো আলামতের প্রয়োজন নেই, আলামত স্পষ্ট। সে এবং তার স্ত্রী দুইজনকেই বিচারের আওতায় আনতে হবে। এখন ধানাইপানাই করার জন্য আরও কারো নাম বলতে পারে, বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা করার জন্য এটি একটি চক্রান্ত। কোনো শয়তান হয়ত এগুলো শিখিয়ে দিতে পারে’।
জামায়াত আমির বলেন, 'আগামী ৭ তারিখ বাজেট অধিবেশন শুরু হলে ঐদিনই আমরা সংসদে রামিসার হত্যাকারীদের বিচারের বিষয়টি তুলে ধরব। সংসদে শুধু রামিসার জন্যই নয়, এই দেশের প্রত্যেকটি মেয়ের বাবা হয়ে, দাদা হয়ে, নানা হয়ে আমি দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ। এ লড়াইয়ে ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হবই। আমরা দোয়া করি, রামিসাকে আল্লাহ জান্নাতের পাখি হিসেবে কবুল করুক। তার বাবা-মা দুজনেই অসুস্থ, আল্লাহ যেন তাদেরকে সুস্থতা দান করেন’।
আর/আই