Connect with us

শিক্ষা

আজ থেকে এক মাস বন্ধ দেশের সব কোচিং সেন্টার

Avatar of author

Published

on

কোচিং-বন্ধ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও প্রশ্নফাঁসের গুজবমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসএসসি পরীক্ষা গুজবমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, কেন্দ্র সচিব ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ট্রেজারি-থানা থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মচারীরা কোনো ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং প্রশ্নপত্র বহন কাজে কালো কাচযুক্ত মাইক্রোবাস বা এমন কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না।

তাছাড়া প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ প্রদান করা হবে। ট্যাগ অফিসার ট্রেজারি, থানা হেফাজত থেকে কেন্দ্র সচিবসহ প্রশ্ন বের করে পুলিশ প্রহরায় সব সেটের প্রশ্ন কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নের সেট কোড ঘোষণা করা হবে। সে অনুযায়ী কেন্দ্র সচিব, ট্যাগ অফিসার ও পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট বিধি অনুযায়ী খুলবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নজরদারি জোরদার করবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Advertisement

পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল, মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম ও পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যবহারের অনুমতিবিহীন যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরীক্ষার প্রস্তুতি সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য সরবরাহের প্রয়োজন হলে আন্তঃবোর্ডের সমন্বয়ক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেনের মাধ্যমে গণমাধ্যমে সরবরাহ করা হবে।

এ বছর এসএসসি, দাখিল, এসএসসি-ভোকেশনাল ও দাখিল-ভোকেশনাল পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।

Advertisement

শিক্ষা

পরবর্তী তিন দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

Published

on

এইচএসসি-পরীক্ষা

কোটা সংস্কার আন্দোলনের দাবিতে  উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আগামী ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে অনিবার্য কারণে  আজকে  অনুষ্ঠিতব্য সব শিক্ষা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে  জানিয়ে দেয়া হবে।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

এবার ভিসিদের বাংলো ছাড়ার নোটিশ

Published

on

দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপাচার্য, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে নোটিশ দিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানোর পরই তারা এমন নোটিশ দেন। তাদের সবার নোটিশের মূল কথা প্রায় একইরকম।

ওই নোটিশ বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজি. ভবন, কন্ট্রোলার, অনুষদ ভবন এবং ভিসি ভবন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এছাড়া আজ বিকেল অথবা সন্ধ্যার মধ্যে ভিসিকে তার বাংলো এবং সব শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তাদের কোয়ার্টার ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে।

তবে ওই নোটিশে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে। আর জাবির শিক্ষার্থীরা হামলার ঘটনায় নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করা শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি কোটা আন্দোলনের জেরে জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হল বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

Advertisement

আন্দোলনকারীরা ‘হল ছাড়ার সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; হল আমার বাসঘর, হল আমি ছাড়ব না; সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; বাহ্ ভিসি চমৎকার, স্বৈরাচারের পাহারাদার; ভিসি কী করে, ক্যাম্পাসে রক্ত ঝরে’- ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব হল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হল প্রোভোস্ট অধ্যাপক ড. দিপীকা রাণী বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে বলেন, যারা হলে থাকতে চায় তারা থাকতে পারবে। আর যারা চায় না তারা চলে যেতে পারবে। হলের গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ স্বাভাবিক থাকবে।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

জরুরি সভায় যেসব সিদ্ধান্ত নিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

Published

on

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের জেরে বুধবার (১৭ জুলাই) থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলমের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজিবির পাহারায় অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় বসে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে সভার শুরুতে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী সংঘর্ষে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। সেই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের আহত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়:

এক. উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

Advertisement

দুই. আজ (১৭ জুলাই, ২০২৪) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব আবাসিক হল/হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের হল/হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হলো। পরবর্তীতে হল খোলার পর মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ করে শিক্ষার্থীদের হলে উঠানো হবে। এছাড়া বহিরাগত কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও অবস্থান না করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।

তিন. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

চার. বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সমাধানের জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হলো।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত